, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সেদিন ফুটবলে স্টার ছিল মিডিয়া ছিলনা।এখন মিডিয়া আছে , স্টার নেই।

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৯৫ পড়া হয়েছে
·অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
সেদিন এখন এমনিতেই অন্ধকার ময়দান অন্যদিনের চেয়ে অনেক বেশী “ময়দানী অন্ধকার”-এ ঢাকা ছিল। সেই সন্ধেয় দুই বড় ক্লাবে ঢুকেছিলেন প্রাণহীন সুরজিত সেনগুপ্ত, যেখানে ছিল উপচে পড়া ভীড়, তাঁর প্রাণবন্ত ফুটবলের দিনকালে যেমন হত।
সেই অনুষ্ঠান “কভার করা” এক নবীন ক্রীড়াসাংবাদিক আমাকে সেখান থেকেই ফোনে বলছিলেন, “আপনাদের সময়ে ফুটবলে স্টার ছিল, মিডিয়া ছিলনা। আর এখন মিডিয়া আছে, স্টার নেই।”
সত্তর বছর পেরনো এরকমই এক মহাতারকা সেদিন অনন্ত আকাশের বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন। আর আমাদের বয়সের ভারে ছিঁড়ে যাওয়া পকেট গলে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল কিছু সযত্নে জমিয়ে রাখা কৈশোর-যৌবনের ঐশ্বর্যের আশ্চর্য নুড়িপাথর।
সেদিন চিরদিনের জন্য ভেঙ্গে পড়েছিল কৈশোরের বুনিয়াদী ক্রীড়াসংস্কৃতির স্মৃতিবারান্দার এক অত্যাশ্চর্য স্বপ্নখিলান।
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২র ৫৬ মাস পরে আরেক ১৫ তারিখে স্মরণ করছি সেই ১৫ নম্বর জার্সি পড়া অমর ফুটবল শিল্পীকে, আরো একবার।🙏🙏
(সব ছবি গুগল করে।)
Shahoji Sarkar
ইউরোপের কোনও দেশে জন্মালে চোখ বন্ধ করে বিশ্বকাপ খেলতেনে এটা হলফ করে বলা যায়। এটা আমার কথা নয় , প্রবাদ প্রতিম ফুটবলার তুলসীদাস বলরামের কথায়। বলরামদা সুরজিত সেনগুপ্ত কে নিয়ে আমাকে অনেক গল্প শুনিয়ে ছিলেন উত্তর পাড়ার গঙ্গাধারে ফ্ল্যাটে বসে। বলরামদার চোখে চুনি গোস্বামীর পরে ভারতীয় ফুটবলে সুরজিতের মতো আর কেউ আসেনি। সাপের মতোন কোমড় দুলিয়ে ডানপ্রান্ত দিয়ে ঐরকম সৌন্দর্য ময় শিল্পের ফুটবল ভারতীয় ফুটবলে আর কাউকে খেলতে দেখা যায়নি। সুরজিত সেনগুপ্তর চলে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই বলরামদা ও চলে গেলেন একরাশ অভিমান নিয়ে

Debasish Sengupta’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সেদিন ফুটবলে স্টার ছিল মিডিয়া ছিলনা।এখন মিডিয়া আছে , স্টার নেই।

প্রকাশের সময় : ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
·অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
সেদিন এখন এমনিতেই অন্ধকার ময়দান অন্যদিনের চেয়ে অনেক বেশী “ময়দানী অন্ধকার”-এ ঢাকা ছিল। সেই সন্ধেয় দুই বড় ক্লাবে ঢুকেছিলেন প্রাণহীন সুরজিত সেনগুপ্ত, যেখানে ছিল উপচে পড়া ভীড়, তাঁর প্রাণবন্ত ফুটবলের দিনকালে যেমন হত।
সেই অনুষ্ঠান “কভার করা” এক নবীন ক্রীড়াসাংবাদিক আমাকে সেখান থেকেই ফোনে বলছিলেন, “আপনাদের সময়ে ফুটবলে স্টার ছিল, মিডিয়া ছিলনা। আর এখন মিডিয়া আছে, স্টার নেই।”
সত্তর বছর পেরনো এরকমই এক মহাতারকা সেদিন অনন্ত আকাশের বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন। আর আমাদের বয়সের ভারে ছিঁড়ে যাওয়া পকেট গলে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল কিছু সযত্নে জমিয়ে রাখা কৈশোর-যৌবনের ঐশ্বর্যের আশ্চর্য নুড়িপাথর।
সেদিন চিরদিনের জন্য ভেঙ্গে পড়েছিল কৈশোরের বুনিয়াদী ক্রীড়াসংস্কৃতির স্মৃতিবারান্দার এক অত্যাশ্চর্য স্বপ্নখিলান।
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২র ৫৬ মাস পরে আরেক ১৫ তারিখে স্মরণ করছি সেই ১৫ নম্বর জার্সি পড়া অমর ফুটবল শিল্পীকে, আরো একবার।🙏🙏
(সব ছবি গুগল করে।)
Shahoji Sarkar
ইউরোপের কোনও দেশে জন্মালে চোখ বন্ধ করে বিশ্বকাপ খেলতেনে এটা হলফ করে বলা যায়। এটা আমার কথা নয় , প্রবাদ প্রতিম ফুটবলার তুলসীদাস বলরামের কথায়। বলরামদা সুরজিত সেনগুপ্ত কে নিয়ে আমাকে অনেক গল্প শুনিয়ে ছিলেন উত্তর পাড়ার গঙ্গাধারে ফ্ল্যাটে বসে। বলরামদার চোখে চুনি গোস্বামীর পরে ভারতীয় ফুটবলে সুরজিতের মতো আর কেউ আসেনি। সাপের মতোন কোমড় দুলিয়ে ডানপ্রান্ত দিয়ে ঐরকম সৌন্দর্য ময় শিল্পের ফুটবল ভারতীয় ফুটবলে আর কাউকে খেলতে দেখা যায়নি। সুরজিত সেনগুপ্তর চলে যাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই বলরামদা ও চলে গেলেন একরাশ অভিমান নিয়ে

Debasish Sengupta’s Post

 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।