, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের মীরজাফর।

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার,২৮সেপ্টেম্বর২০২৬

সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের মীরজাফর।
১৭৫৭ থেকে ২০০৯ সাল।
মীরজাফর থেকে জেনারেল মইন ইউ আহমেদ । মীরজাফরদের নিয়ে আজকের বিশ্লেষণ।
সেই পলাশী থেকে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের পিলখানা। একই পথে হাঁটছ মীরজাফরের বংশধররা । সেদিন পিলখানার সামনে মীরজাফরের উত্তরসূরী জেনারেল মইন যু’দ্ধ না করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন।
খুব অবাক করা বিষয়, জেনারেল মইন ইউ আহমদকে অনুসরণ করে যাচ্ছে জেনারেল মুবিন, জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, জেনারেল আজিজ, জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ,এবং সর্বশেষ জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান। কোন সেনাপতি বাংলাদেশের পক্ষে নেই। এরা সবাই হাসিনা এবং ভারতের অনুগত সেনাপ্রধান।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, রাজনীতি এবং সেনাপ্রধানদের ভূমিকা: একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনাএকটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো তার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা এবং জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের ইতিহাসে সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ই দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে এসেছে। হাসিনা বা ব্যক্তি একা কখনো ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী হতে পারে না। রাষ্ট্রের মিলিটারি কমান্ড যতক্ষণ না স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হয়।
তবে বিগত দেড় দশকে রাজনৈতিক ক্ষমতার পটপরিবর্তন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পেছনে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকাও নিয়ে জনমনে গভীর ক্ষোভ ও নানামুখী বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নাগরিক সমাজের মতে, দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট রেজিম টিকে থাকার পেছনে একক কোনো ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক কৌশল ছিল না; বরং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকা সেনাপ্রধানরা প্রশ্নবিদ্ধ। আনুগত্য ও ভূমিকা এর পেছনে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। এ ক্ষেত্রে জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, জেনারেল মোঃ আব্দুল মুবীন, জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং সর্বশেষ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের ভূমিকা গভীরভাবে সমালোচিত।
১/১১-এর রাজনৈতিক সংকটের অন্যতম কুশীলব জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ-এর সময় থেকেই সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা দেখা যায়। তৎকালীন নানামুখী ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বহিরাগত শক্তির প্রভাবের অভিযোগ দেশের সার্বভৌম নীতিকে দুর্বল করেছিল। পরবর্তী সময়ে পিলখানা ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসারের নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু সামরিক বাহিনীর মেরুদণ্ডকেই আঘাত করেনি, বরং প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করে, এক প্রকার মনস্তাত্ত্বিক চাপের মুখে ফেলে দেয়।
এরপর জেনারেল মোঃ আব্দুল মুবীন এবং জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়ার আমলেও ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পরোক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার বিষয়টি আলোচিত হয়। বিশেষ করে ব্যাপক বিতর্কিত জেনারেল আজিজ আহমেদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে সামরিক শক্তির আপসকামিতা চরম আকার ধারণ করে। একটি স্বৈরাচারী ও গণবিচ্ছিন্ন সরকারকে টিকিয়ে রাখতে এবং ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনগুলোকে মসৃণ করতে এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকা জনগণের আকাঙ্খার সম্পূর্ণ পরিপন্থী ছিল।
এই ধারার সর্বশেষ এবং সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায়টি রচিত হয় জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের মেয়াদে। জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনগুলোতে জনগণের যৌক্তিক আন্দোলন দমনে এবং স্বৈরাচারী হাসিনা রেজিমকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের শতস্ফূর্ত বিপ্লবকে ৫ই আগস্ট ২০২৪ সালে স্থিমিত করে দিয়েছে। আগেই,ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নজিরবিহীন গণহত্যা ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সাথে শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের এই অংশীদারিত্ব বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, জুলাই বিপ্লবের অভূতপূর্ব বিজয়ের মাধ্যমে গঠিত জনগণের কাঙ্ক্ষিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে কার্যকর কোনো সহায়তা প্রদান করেনি তৎকালীন এই শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং অভিযোগ রয়েছে যে, নতুন সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং ডক্টর ইউনূসকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পর্দার আড়াল থেকে নানামুখী কূটচাল ও প্রাতিষ্ঠানিক অসহযোগিতার কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল।
যখন একটি দেশের সেনাবাহিনী জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায় এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, তখন শুধু গণতন্ত্রই ধ্বংস হয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদে সেই বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্য ও পেশাদারিত্বও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, জনগণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিরোধের মুখে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অন্যায় আপসকামিতাই চিরস্থায়ী হতে পারে না।

Mamunur Rashid’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের মীরজাফর।

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন সোমবার,২৮সেপ্টেম্বর২০২৬

সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের মীরজাফর।
১৭৫৭ থেকে ২০০৯ সাল।
মীরজাফর থেকে জেনারেল মইন ইউ আহমেদ । মীরজাফরদের নিয়ে আজকের বিশ্লেষণ।
সেই পলাশী থেকে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের পিলখানা। একই পথে হাঁটছ মীরজাফরের বংশধররা । সেদিন পিলখানার সামনে মীরজাফরের উত্তরসূরী জেনারেল মইন যু’দ্ধ না করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন।
খুব অবাক করা বিষয়, জেনারেল মইন ইউ আহমদকে অনুসরণ করে যাচ্ছে জেনারেল মুবিন, জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, জেনারেল আজিজ, জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ,এবং সর্বশেষ জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান। কোন সেনাপতি বাংলাদেশের পক্ষে নেই। এরা সবাই হাসিনা এবং ভারতের অনুগত সেনাপ্রধান।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, রাজনীতি এবং সেনাপ্রধানদের ভূমিকা: একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনাএকটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো তার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা এবং জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। বাংলাদেশের ইতিহাসে সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ই দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে এসেছে। হাসিনা বা ব্যক্তি একা কখনো ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী হতে পারে না। রাষ্ট্রের মিলিটারি কমান্ড যতক্ষণ না স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হয়।
তবে বিগত দেড় দশকে রাজনৈতিক ক্ষমতার পটপরিবর্তন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পেছনে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকাও নিয়ে জনমনে গভীর ক্ষোভ ও নানামুখী বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নাগরিক সমাজের মতে, দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট রেজিম টিকে থাকার পেছনে একক কোনো ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক কৌশল ছিল না; বরং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকা সেনাপ্রধানরা প্রশ্নবিদ্ধ। আনুগত্য ও ভূমিকা এর পেছনে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। এ ক্ষেত্রে জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, জেনারেল মোঃ আব্দুল মুবীন, জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং সর্বশেষ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের ভূমিকা গভীরভাবে সমালোচিত।
১/১১-এর রাজনৈতিক সংকটের অন্যতম কুশীলব জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ-এর সময় থেকেই সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা দেখা যায়। তৎকালীন নানামুখী ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বহিরাগত শক্তির প্রভাবের অভিযোগ দেশের সার্বভৌম নীতিকে দুর্বল করেছিল। পরবর্তী সময়ে পিলখানা ট্র্যাজেডিতে ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসারের নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু সামরিক বাহিনীর মেরুদণ্ডকেই আঘাত করেনি, বরং প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করে, এক প্রকার মনস্তাত্ত্বিক চাপের মুখে ফেলে দেয়।
এরপর জেনারেল মোঃ আব্দুল মুবীন এবং জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়ার আমলেও ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পরোক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার বিষয়টি আলোচিত হয়। বিশেষ করে ব্যাপক বিতর্কিত জেনারেল আজিজ আহমেদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে সামরিক শক্তির আপসকামিতা চরম আকার ধারণ করে। একটি স্বৈরাচারী ও গণবিচ্ছিন্ন সরকারকে টিকিয়ে রাখতে এবং ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনগুলোকে মসৃণ করতে এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকা জনগণের আকাঙ্খার সম্পূর্ণ পরিপন্থী ছিল।
এই ধারার সর্বশেষ এবং সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায়টি রচিত হয় জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের মেয়াদে। জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনগুলোতে জনগণের যৌক্তিক আন্দোলন দমনে এবং স্বৈরাচারী হাসিনা রেজিমকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের শতস্ফূর্ত বিপ্লবকে ৫ই আগস্ট ২০২৪ সালে স্থিমিত করে দিয়েছে। আগেই,ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নজিরবিহীন গণহত্যা ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সাথে শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের এই অংশীদারিত্ব বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, জুলাই বিপ্লবের অভূতপূর্ব বিজয়ের মাধ্যমে গঠিত জনগণের কাঙ্ক্ষিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে কার্যকর কোনো সহায়তা প্রদান করেনি তৎকালীন এই শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং অভিযোগ রয়েছে যে, নতুন সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং ডক্টর ইউনূসকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পর্দার আড়াল থেকে নানামুখী কূটচাল ও প্রাতিষ্ঠানিক অসহযোগিতার কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল।
যখন একটি দেশের সেনাবাহিনী জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ায় এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, তখন শুধু গণতন্ত্রই ধ্বংস হয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদে সেই বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্য ও পেশাদারিত্বও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, জনগণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিরোধের মুখে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অন্যায় আপসকামিতাই চিরস্থায়ী হতে পারে না।

Mamunur Rashid’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।