মোহাম্মপুর থানা পুলিশের ভাষ্য, ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। চব্বিশের ৫ অগাস্টের পর নানা অভিযোগে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তির বাসায় তালা মেরে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে এলাকায় তিনি ‘তালা ইব্রাহিম’ নামে পরিচিত হন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ের ৭ নম্বর সড়কের একটি বাসায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল প্রবেশ করে। তারা নিজেদের সেনাবাহিনী ও র্যাবের (এসআরবি) সদস্য হিসেবে পরিচয় দেয়। পরে বাসায় থাকা লোকজনকে জিম্মি করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ সময় চাঁদা নিতে আসা ব্যক্তিরা বাসার লোকজনকে মারধর করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তারা নগদ ১২ হাজার টাকা ও প্রায় ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি হাতঘড়ি নিয়ে নেন এবং আরও টাকা দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখান।
এজাহারে আরও বলা হয়, কৌশলে জাহিদ হাসান মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে ফোন করে বিষয়টি জানান। বিষয়টি বুঝতে পেরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে হুমকি দিয়ে দ্রুত বাসা থেকে বের হয়ে যান। যাওয়ার সময় তারা নিচে সেনাবাহিনী ও র্যাবের গাড়ি রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে লোকজন আসছে বলে ভয় দেখান।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার সিসিটিভি ভিডিও সংগ্রহ করে। পুলিশ সাক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে আশপাশের লোকজনকে সিসিটিভি ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের দেখালে তারা ইব্রাহিম ও দীপককে শনাক্ত করে। আসামিদের নাম ও মোবাইল নম্বরও পাওয়া যায়। পরে জাহিদ হাসান এ ঘটনায় মামলা করেন।
পুলিশের ভাষ্য, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা অন্য মামলাগুলোও যাচাই করা হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল হালিম বলেন, চাঁদাবাজির মামলায় যুবদলের এক বহিষ্কৃত নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে কয়টি মামলা রয়েছে, সেগুলো যাচাই করে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।






















