, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

সৌদি আরবে নিহত ৯ জনের মরদেহ দেশে এসেছে,

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন বৃহস্পতিবার,২৭ আগস্ট ২০২৬

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিমানবন্দরে সৌদি থেকে আসা ৯ বাংলাদেশির মরদেহ গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, আজকে আমরা ৯ জনকে আনতে সক্ষম হয়েছি। আরও ৭ জনের মরদেহ এখনো আনা বাকি। তাদের শনাক্তের কাজ চলছে। যেহেতু আগুন লেগেছিল এবং অত্যন্ত দুরাবস্থা হয়ে গিয়েছিল; তাই তাদের শনাক্ত করার জন্য একটা ডিএনএ টেস্ট করতে হবে, তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের সহযোগিতায় ডিএনএ টেস্ট করা হলে আমরা কীভাবে তাদের শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি সেই কাজটি মিশন করছে।

তিনি বলেন, কোনো মৃত্যু কাম্য নয়। বিশেষ করে যখন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে আমাদের প্রবাসী ভাইরা, রেমিটেন্স যোদ্ধারা মনে করিয়ে দেয় ওনারা অনেক কষ্ট করে বিদেশে যান দেশের জন্য; দেশে টাকা পাঠান, পরিবারের জন্য টাকা পাঠান। এই ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছিলেন আমাদের পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে যত দ্রুত সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা যেন পরিবারগুলোকে করা হয় এবং যত দ্রুত সম্ভব যেন তাদের যেন পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারি।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওই কারখানার বিষয়ে আমরা এখন উল্লেখ করতে চাই না। কারণ, এতে আমাদের দেশের এবং অনেক বিষয় আছে…। তবে আমরা আমাদের ভাইদের হারিয়েছি। তাদের পরিবারের উত্তরাধিকার যারা রয়েছেন তাদের শনাক্ত করে পরিবারের অবস্থা বুঝে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে যেটা করব, আপনাদের জানিয়ে করব। আমরা আগে যাচাই করি, তারপর।

তিনি বলেন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহত ৯ জন কর্মীর প্রতি পরিবারের জন্য লাশ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা এবং এককালীন আর্থিক অনুদান বাবদ ৩ লাখ টাকা করে সর্বমোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, এই হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক ঘটনার বিবেচনায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে মরদেহগুলো সরাসরি নিহতদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ব‌লেও জানান মন্ত্রী।

বিদেশে কর্মসংস্থানে সংখ্যা নাকী কর্মপরিবেশের বিষয়ে সরকারের নজর আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের মাথায় সবকিছু আছে। আমরা প্রতিটি বিষয়ে খেয়াল রাখছি।

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে আজ শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ দেশে এসেছে। ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়, বাকি দুজন নাটোর ও রাজশাহীর। এদিন বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৪০ নম্বর ফ্লাইটযোগে নয়জনের মৃতদেহ দেশে এসেছে।

গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি আত্রাই উপজেলায়। তারা হলেন- উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গ-গোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার।

এ ছাড়া, ওই দুর্ঘটনায় নিহত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিনের মরদেহ দেশে এসেছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

সৌদি আরবে নিহত ৯ জনের মরদেহ দেশে এসেছে,

প্রকাশের সময় : ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বৃহস্পতিবার,২৭ আগস্ট ২০২৬

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিমানবন্দরে সৌদি থেকে আসা ৯ বাংলাদেশির মরদেহ গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, আজকে আমরা ৯ জনকে আনতে সক্ষম হয়েছি। আরও ৭ জনের মরদেহ এখনো আনা বাকি। তাদের শনাক্তের কাজ চলছে। যেহেতু আগুন লেগেছিল এবং অত্যন্ত দুরাবস্থা হয়ে গিয়েছিল; তাই তাদের শনাক্ত করার জন্য একটা ডিএনএ টেস্ট করতে হবে, তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের সহযোগিতায় ডিএনএ টেস্ট করা হলে আমরা কীভাবে তাদের শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি সেই কাজটি মিশন করছে।

তিনি বলেন, কোনো মৃত্যু কাম্য নয়। বিশেষ করে যখন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে আমাদের প্রবাসী ভাইরা, রেমিটেন্স যোদ্ধারা মনে করিয়ে দেয় ওনারা অনেক কষ্ট করে বিদেশে যান দেশের জন্য; দেশে টাকা পাঠান, পরিবারের জন্য টাকা পাঠান। এই ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছিলেন আমাদের পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে যত দ্রুত সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা যেন পরিবারগুলোকে করা হয় এবং যত দ্রুত সম্ভব যেন তাদের যেন পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারি।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওই কারখানার বিষয়ে আমরা এখন উল্লেখ করতে চাই না। কারণ, এতে আমাদের দেশের এবং অনেক বিষয় আছে…। তবে আমরা আমাদের ভাইদের হারিয়েছি। তাদের পরিবারের উত্তরাধিকার যারা রয়েছেন তাদের শনাক্ত করে পরিবারের অবস্থা বুঝে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে যেটা করব, আপনাদের জানিয়ে করব। আমরা আগে যাচাই করি, তারপর।

তিনি বলেন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহত ৯ জন কর্মীর প্রতি পরিবারের জন্য লাশ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা এবং এককালীন আর্থিক অনুদান বাবদ ৩ লাখ টাকা করে সর্বমোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, এই হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক ঘটনার বিবেচনায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে মরদেহগুলো সরাসরি নিহতদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ব‌লেও জানান মন্ত্রী।

বিদেশে কর্মসংস্থানে সংখ্যা নাকী কর্মপরিবেশের বিষয়ে সরকারের নজর আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের মাথায় সবকিছু আছে। আমরা প্রতিটি বিষয়ে খেয়াল রাখছি।

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে আজ শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ দেশে এসেছে। ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়, বাকি দুজন নাটোর ও রাজশাহীর। এদিন বিকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৪০ নম্বর ফ্লাইটযোগে নয়জনের মৃতদেহ দেশে এসেছে।

গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মধ্যে ৯ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি আত্রাই উপজেলায়। তারা হলেন- উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গ-গোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার।

এ ছাড়া, ওই দুর্ঘটনায় নিহত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিনের মরদেহ দেশে এসেছে।