, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার মূল আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার, মেলেনি মোবাইল ফোন

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে ফসলি জমি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) বিবস্ত্র ও গলায় গামছা প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রধান অভিযুক্ত সুমনকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আলামত নিহত স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সুপার জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে সুমনের সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে কিশোরীটিকে সেখানে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার রাতে বাবার ফোনে লাইভ লোকেশন ও বার্তা পাঠানো তাজমিনের নিখোঁজ মোবাইল ফোনটি উদ্ধারেও জোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে তদন্তকারী দল।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গলসংলগ্ন ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকালে তার শরীরে পোশাক ছিল না এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। আশপাশের ধানক্ষেতে ব্যাপক ধস্তাধস্তির চিহ্ন এবং একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

গতকাল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা তাজমিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি যশোরে নিয়ে যান এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন। এর আগে ঘটনার দিন রাতে নিহতের বাবা আব্দুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুততম সময়ে প্রধান আসামিকে জালে তুলতে সক্ষম হলো

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যার মূল আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার, মেলেনি মোবাইল ফোন

প্রকাশের সময় : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে ফসলি জমি থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) বিবস্ত্র ও গলায় গামছা প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রধান অভিযুক্ত সুমনকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আলামত নিহত স্কুলছাত্রীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সুপার জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে সুমনের সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে কিশোরীটিকে সেখানে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা জানতে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার রাতে বাবার ফোনে লাইভ লোকেশন ও বার্তা পাঠানো তাজমিনের নিখোঁজ মোবাইল ফোনটি উদ্ধারেও জোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে তদন্তকারী দল।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গলসংলগ্ন ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকালে তার শরীরে পোশাক ছিল না এবং গলায় গামছা পেঁচানো ছিল। আশপাশের ধানক্ষেতে ব্যাপক ধস্তাধস্তির চিহ্ন এবং একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

গতকাল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা তাজমিনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি যশোরে নিয়ে যান এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন। এর আগে ঘটনার দিন রাতে নিহতের বাবা আব্দুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুততম সময়ে প্রধান আসামিকে জালে তুলতে সক্ষম হলো