, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

স্বামী ৫ সন্তানের মাকে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিলেন

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৫৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন  রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬

দাম্পত্য জীবনে নানা কারণে বিচ্ছেদ হতে পারে। এক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটনা সামনে আসে যা রীতিমতো সকলকে বিস্মিত করে দেয়। ঠিক যেমনটা হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীরনগর জেলায়। সেখানে ২১ বছর ধরে সংসার করার পর স্ত্রীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন স্বামী।

শুধু প্রেমিকের হাতে স্ত্রীকে তুলে দেওয়াই নয়, সেই বিয়েতে নিজে উপস্থিত ছিলেন ওই ব্যক্তি। বিয়ের পর স্ত্রীকে নতুন সংসারের জন্য বিদায়ও জানান। স্বামীর এমন সিদ্ধান্তে অবাক স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঘটনাটি সন্ত কবীরনগরের দেবরি গ্রামের। গ্রামের বাসিন্দা ৪৫ বছরের বুদ্ধিরাম নিষাদ এবং ৩৭ বছরের ফুলমতীর বিয়ে হয়েছিল প্রায় ২১ বছর আগে। পরিবারের সদস্য এবং গ্রামের প্রধানের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন তারা। এত বছর ধরে একসঙ্গে দিব্যি সংসার করেছেন। তাদের ৫ সন্তান রয়েছে। তাদের বড় ছেলের বয়স ১৮ বছর।

কিন্তু কয়েক মাস আগে তাদের সংসারে সমস্যা তৈরি হয়। ফুলমতীর সঙ্গে ২৬ বছরের যুবক অবধেশের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা হতে শুরু করে। তাদের মধ্যে দূরত্বও বাড়তে থাকে।

প্রায় দুই মাস আগে ফুলমতী অবধেশের সঙ্গে নিজের বাড়ি ছেড়ে চলে যান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। পরিবারের লোকজন আশা করেছিলেন, ফুলমতী হয়তো আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার শুরু করবেন। কিন্তু তা হয়নি।

বাড়িতে ফিরে আসার পরও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলতে থাকে। ফুলমতী স্পষ্ট করে দেন, তিনি আর বুদ্ধিরামের সঙ্গে থাকতে চান না। অন্যদিকে, অবধেশের সঙ্গেই থাকতে চান তিনি। পরিস্থিতি বুঝে শেষ পর্যন্ত বুদ্ধিরাম একটি বড় সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ঠিক করেন, স্ত্রীকে জোর করে নিজের সঙ্গে রাখবেন না। বরং ফুলমতী যাঁর সঙ্গে থাকতে চান, তার সঙ্গেই বিয়ে দিয়ে দেবেন।

এরপরই আশরফপুর গ্রামের একটি শিবমন্দিরে ফুলমতী ও অবধেশের বিয়ের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মন্দিরেই তাদের বিয়ে হয়। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হল, এই বিয়েতে বুদ্ধিরাম নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর স্ত্রীকে নতুন স্বামীর সঙ্গে বিদায় দেন বুদ্ধিরাম। স্ত্রীকে নিয়ে তার এমন সিদ্ধান্ত দেখে সেখানে উপস্থিত অনেকেই অবাক হয়ে যান।

সংবাদমাধ্যমকে বুদ্ধিরাম বলেন, আমি বাড়িতে প্রতিদিন অশান্তি চাই না। তাই যে মানুষের সঙ্গে সে থাকতে চেয়েছে, তার সঙ্গেই বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। তাই পুলিশ এই ঘটনায় কোনও মামলা বা আইনি পদক্ষেপ নেয়নি।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

স্বামী ৫ সন্তানের মাকে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিলেন

প্রকাশের সময় : ০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন  রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬

দাম্পত্য জীবনে নানা কারণে বিচ্ছেদ হতে পারে। এক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটনা সামনে আসে যা রীতিমতো সকলকে বিস্মিত করে দেয়। ঠিক যেমনটা হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীরনগর জেলায়। সেখানে ২১ বছর ধরে সংসার করার পর স্ত্রীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন স্বামী।

শুধু প্রেমিকের হাতে স্ত্রীকে তুলে দেওয়াই নয়, সেই বিয়েতে নিজে উপস্থিত ছিলেন ওই ব্যক্তি। বিয়ের পর স্ত্রীকে নতুন সংসারের জন্য বিদায়ও জানান। স্বামীর এমন সিদ্ধান্তে অবাক স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঘটনাটি সন্ত কবীরনগরের দেবরি গ্রামের। গ্রামের বাসিন্দা ৪৫ বছরের বুদ্ধিরাম নিষাদ এবং ৩৭ বছরের ফুলমতীর বিয়ে হয়েছিল প্রায় ২১ বছর আগে। পরিবারের সদস্য এবং গ্রামের প্রধানের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন তারা। এত বছর ধরে একসঙ্গে দিব্যি সংসার করেছেন। তাদের ৫ সন্তান রয়েছে। তাদের বড় ছেলের বয়স ১৮ বছর।

কিন্তু কয়েক মাস আগে তাদের সংসারে সমস্যা তৈরি হয়। ফুলমতীর সঙ্গে ২৬ বছরের যুবক অবধেশের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা হতে শুরু করে। তাদের মধ্যে দূরত্বও বাড়তে থাকে।

প্রায় দুই মাস আগে ফুলমতী অবধেশের সঙ্গে নিজের বাড়ি ছেড়ে চলে যান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। পরিবারের লোকজন আশা করেছিলেন, ফুলমতী হয়তো আবার স্বামীর সঙ্গে সংসার শুরু করবেন। কিন্তু তা হয়নি।

বাড়িতে ফিরে আসার পরও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলতে থাকে। ফুলমতী স্পষ্ট করে দেন, তিনি আর বুদ্ধিরামের সঙ্গে থাকতে চান না। অন্যদিকে, অবধেশের সঙ্গেই থাকতে চান তিনি। পরিস্থিতি বুঝে শেষ পর্যন্ত বুদ্ধিরাম একটি বড় সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ঠিক করেন, স্ত্রীকে জোর করে নিজের সঙ্গে রাখবেন না। বরং ফুলমতী যাঁর সঙ্গে থাকতে চান, তার সঙ্গেই বিয়ে দিয়ে দেবেন।

এরপরই আশরফপুর গ্রামের একটি শিবমন্দিরে ফুলমতী ও অবধেশের বিয়ের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় কয়েকজন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে মন্দিরেই তাদের বিয়ে হয়। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হল, এই বিয়েতে বুদ্ধিরাম নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর স্ত্রীকে নতুন স্বামীর সঙ্গে বিদায় দেন বুদ্ধিরাম। স্ত্রীকে নিয়ে তার এমন সিদ্ধান্ত দেখে সেখানে উপস্থিত অনেকেই অবাক হয়ে যান।

সংবাদমাধ্যমকে বুদ্ধিরাম বলেন, আমি বাড়িতে প্রতিদিন অশান্তি চাই না। তাই যে মানুষের সঙ্গে সে থাকতে চেয়েছে, তার সঙ্গেই বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। তাই পুলিশ এই ঘটনায় কোনও মামলা বা আইনি পদক্ষেপ নেয়নি।