, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

স্বার্থের সংঘাত মানুষকে কতটা ভয়ঙ্কর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জ্বলন্ত প্রমাণ

  • প্রকাশের সময় : ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৮৯ পড়া হয়েছে

রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,

স্বার্থের সংঘাত মানুষকে কতটা ভয়ঙ্কর ও প্রতিশোধপরায়ণ করতে পারে, তার জ্বলন্ত প্রমাণ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। আত্মীয়তার সূত্রে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দারের ভায়রাভাই ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ ও সুবিধাভোগী ছিলেন। অথচ তিনিই কি-না বার-বার কালসাপের মতো আচরণ করলেন!
সাঈদ এস্কান্দারের অনুরোধ ও লবিংয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়েছিলেন। তবে তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল সেনাপ্রধান হওয়ার। কিন্তু জেনারেল মঈনকে সেনাপ্রধান করায় তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ পুরো জিয়া পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। আমার কাছে এই বিষয়টি বহু সেনা কর্মকর্তা অকপটে স্বীকার করেছেন।
২০০৭-০৮ সালে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দুই নেত্রীসহ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আটক করেন। তারেক রহমানকে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে অমানবিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে রশির বাঁধন খুলে টেবিলের কোণায় পড়ে তাঁর পিঠের মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করালে তাঁকে হয়তো আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতাম না।
১/১১-এর পর সেনাবাহিনীর দুর্নীতির ওপর গবেষণা করতে গিয়ে আমি অন্তত শতাধিক উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিলাম। তারেক রহমানের আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ আমি একাধিক সেনা কর্মকর্তার কাছ থেকে শুনেছি। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর এখন পর্যন্ত একমাত্র গবেষণা প্রতিবেদন এটিই। অনেক ঝুঁকি ও সাহসের সাথে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এই গবেষণাটি সম্পন্ন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। আগ্রহ থাকলে পড়তে পারেন—
https://www.ti-bangladesh.org/…/rp_fr_army_role_armed… (২০০৭-৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের একাংশের ভূমিকা: একটি পর্যালোচনা, টিআইবি)
জিয়া পরিবারের সহায়তায় সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েও জেনারেল মাসুদ ক্ষান্ত হননি, কারণ তিনি সেনাপ্রধান হতে পারেননি। উল্লেখ্য, প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাঈদ এস্কান্দারের অনুরোধেই অন্তত ছয়জনকে ডিঙিয়ে জেনারেল মঈনকে সেনাপ্রধান করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া; কিন্তু জেনারেল মঈনও পরবর্তী সময়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের সেনাপ্রধানের পদটি কেবল জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না; এই পদের সাথে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সরকার প্রধানের আস্থার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরও খোলাসা করে বলতে হয়- বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাকে পরবর্তী সেনাপ্রধান বানাবেন? তিনি অবশ্যই এমন কাউকে সেনাপ্রধান হিসেবে মনোনীত করবেন, যিনি তাঁর সরকারের কাছে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য হবেন—পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এমনটি হয়ে থাকে।
গোয়েন্দা তথ্যমতে, লে. জে. মাসুদের সাথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি মোজাফফর হোসেন ভারতে থাকা অবস্থায় নিয়মিত ফোনে কথা বলতেন। জেনারেল মাসুদ মালয়েশিয়ায় আদম পাচারের একটি মামলায় আটক হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত ফোন ফরেনসিক করে এই তথ্য পাওয়া যায়। এই সূত্র ধরেই মেজর (অব.) মোজাফফরের গতিবিধি নজরদারির এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশ তাঁকে ডিওএইচএস (DOHS) থেকে আটক করতে সক্ষম হয়।
মোজাফফর যে বাড়িতে বসবাস করছিলেন, সেটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির খুব কাছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, ভারত থেকে বিশেষ কোনো মিশন নিয়ে মেজর (অব.) মোজাফফর ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জিয়া পরিবারের এত কাছের আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে ও কী করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার খুনির সাথে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে পারেন—তা কোনো স্বাভাবিক ও বিবেকবান মানুষের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। মোজাফফরকে আটকের মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহ, আরো একটি বড় বিপদ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে আরো একবার রক্ষা করলেন।
সবশেষে বলবো- একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে হবে। শহীদ জিয়া হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক মেজর (অব.) মোজাফফরের সাথে জেনারেল মাসুদসহ যারা যোগাযোগ রেখেছে এবং যারা আশ্রয় দিয়েছে—তাদের সবাইকে শনাক্ত করে অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানাচ্ছি।
নিউ ইয়র্ক থেকে—
মো. রেযাউল করিম
গবেষক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) (২০০৫-২০২১)
মাস্টার্স, অ্যান্টিকরাপশন স্টাডিজ,
ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টিকরাপশন অ্যাকাডেমি, অস্ট্রিয়া (২০১৭)
#BegumKhaledaZia #TariqueRahman #BNPMediaCell #generalmasududdinchowdhury #mujaffarhossain #Bangladesh

Md Rezaul Karim’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

স্বার্থের সংঘাত মানুষকে কতটা ভয়ঙ্কর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জ্বলন্ত প্রমাণ

প্রকাশের সময় : ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,

স্বার্থের সংঘাত মানুষকে কতটা ভয়ঙ্কর ও প্রতিশোধপরায়ণ করতে পারে, তার জ্বলন্ত প্রমাণ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। আত্মীয়তার সূত্রে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দারের ভায়রাভাই ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ ও সুবিধাভোগী ছিলেন। অথচ তিনিই কি-না বার-বার কালসাপের মতো আচরণ করলেন!
সাঈদ এস্কান্দারের অনুরোধ ও লবিংয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়েছিলেন। তবে তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল সেনাপ্রধান হওয়ার। কিন্তু জেনারেল মঈনকে সেনাপ্রধান করায় তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ পুরো জিয়া পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। আমার কাছে এই বিষয়টি বহু সেনা কর্মকর্তা অকপটে স্বীকার করেছেন।
২০০৭-০৮ সালে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালনার নামে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দুই নেত্রীসহ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আটক করেন। তারেক রহমানকে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে অমানবিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে রশির বাঁধন খুলে টেবিলের কোণায় পড়ে তাঁর পিঠের মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করালে তাঁকে হয়তো আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতাম না।
১/১১-এর পর সেনাবাহিনীর দুর্নীতির ওপর গবেষণা করতে গিয়ে আমি অন্তত শতাধিক উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিলাম। তারেক রহমানের আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ আমি একাধিক সেনা কর্মকর্তার কাছ থেকে শুনেছি। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর এখন পর্যন্ত একমাত্র গবেষণা প্রতিবেদন এটিই। অনেক ঝুঁকি ও সাহসের সাথে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এই গবেষণাটি সম্পন্ন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। আগ্রহ থাকলে পড়তে পারেন—
https://www.ti-bangladesh.org/…/rp_fr_army_role_armed… (২০০৭-৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের একাংশের ভূমিকা: একটি পর্যালোচনা, টিআইবি)
জিয়া পরিবারের সহায়তায় সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়েও জেনারেল মাসুদ ক্ষান্ত হননি, কারণ তিনি সেনাপ্রধান হতে পারেননি। উল্লেখ্য, প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাঈদ এস্কান্দারের অনুরোধেই অন্তত ছয়জনকে ডিঙিয়ে জেনারেল মঈনকে সেনাপ্রধান করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া; কিন্তু জেনারেল মঈনও পরবর্তী সময়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের সেনাপ্রধানের পদটি কেবল জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না; এই পদের সাথে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সরকার প্রধানের আস্থার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরও খোলাসা করে বলতে হয়- বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান-এর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাকে পরবর্তী সেনাপ্রধান বানাবেন? তিনি অবশ্যই এমন কাউকে সেনাপ্রধান হিসেবে মনোনীত করবেন, যিনি তাঁর সরকারের কাছে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য হবেন—পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এমনটি হয়ে থাকে।
গোয়েন্দা তথ্যমতে, লে. জে. মাসুদের সাথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি মোজাফফর হোসেন ভারতে থাকা অবস্থায় নিয়মিত ফোনে কথা বলতেন। জেনারেল মাসুদ মালয়েশিয়ায় আদম পাচারের একটি মামলায় আটক হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত ফোন ফরেনসিক করে এই তথ্য পাওয়া যায়। এই সূত্র ধরেই মেজর (অব.) মোজাফফরের গতিবিধি নজরদারির এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশ তাঁকে ডিওএইচএস (DOHS) থেকে আটক করতে সক্ষম হয়।
মোজাফফর যে বাড়িতে বসবাস করছিলেন, সেটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির খুব কাছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, ভারত থেকে বিশেষ কোনো মিশন নিয়ে মেজর (অব.) মোজাফফর ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জিয়া পরিবারের এত কাছের আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে ও কী করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার খুনির সাথে নিবিড় যোগাযোগ রাখতে পারেন—তা কোনো স্বাভাবিক ও বিবেকবান মানুষের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। মোজাফফরকে আটকের মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহ, আরো একটি বড় বিপদ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে আরো একবার রক্ষা করলেন।
সবশেষে বলবো- একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে হবে। শহীদ জিয়া হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক মেজর (অব.) মোজাফফরের সাথে জেনারেল মাসুদসহ যারা যোগাযোগ রেখেছে এবং যারা আশ্রয় দিয়েছে—তাদের সবাইকে শনাক্ত করে অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানাচ্ছি।
নিউ ইয়র্ক থেকে—
মো. রেযাউল করিম
গবেষক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) (২০০৫-২০২১)
মাস্টার্স, অ্যান্টিকরাপশন স্টাডিজ,
ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টিকরাপশন অ্যাকাডেমি, অস্ট্রিয়া (২০১৭)
#BegumKhaledaZia #TariqueRahman #BNPMediaCell #generalmasududdinchowdhury #mujaffarhossain #Bangladesh

Md Rezaul Karim’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।