সোমবার (স্থানীয় সময়) ইস্ট লন্ডন মসজিদ-সংলগ্ন মায়েদা গ্রিল রেস্টুরেন্টে এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান এবং বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীরা পার্ক এলাকায় হাঁটার সময় কয়েকজন তাদের অনুসরণ করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের একটি রেস্তোরাঁয় আশ্রয় নেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের দিকে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়ে ডিম লাগে। পরে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীমের বাগ্বিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে এলেম পার্ক এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এহতেশামুল হকের সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা ও উসকানিমূলক আচরণের চেষ্টা করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ড ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘পূর্বপরিকল্পিত উসকানির অংশ’। সংগঠনটির দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা, বিরোধী মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতার অহংকারই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কারণ হয়েছে।






















