, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

১৯৫৭ ঢা: বি: অর্থনীতি বিভাগের তিনজন একজন শিক্ষক

  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
  • ৭৩ পড়া হয়েছে
অনলাইন বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
১৯৫৭—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একটি স্মরণীয় ব্যাচ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ইতিহাসে ১৯৫৭ সালটি নিঃসন্দেহে মনে রাখার মতো।
সে বছর অনার্সে একই ক্লাসে ভর্তি হয়েছিলেন তিনজন পরবর্তীকালের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ১/১১ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ এবং ১/১১ সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম।
এই ব্যাচে আরও অনেক মেধাবী ও সফল মানুষ ছিলেন, যারা হয়তো পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের ‘নাম’ হয়ে ওঠেননি। তাই তাঁদের নিয়ে আলোচনা কম হয়েছে।
মজার বিষয় হলো, সেই বছরই কেমব্রিজ থেকে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. রেহমান সোবহান। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ওই ব্যাচে তিনজন শিক্ষার্থী ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছিলেন—ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ, ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম এবং ফার্স্ট ক্লাস থার্ড ড. রশীদ। ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাস করেছিলেন হায়ার সেকেন্ড ক্লাসে।
এই গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা কিন্তু ফলাফলের তালিকায় নয়।
যারা ফার্স্ট, সেকেন্ড বা থার্ড হতে পারেননি—তাঁরা হতাশ হবেন না। জীবনের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফলের মতো নয়। সেখানে মেধার পাশাপাশি সময়, অধ্যবসায়, অভিজ্ঞতা, সুযোগ এবং সবচেয়ে বড় কথা—লেগে থাকার ক্ষমতা—সাফল্য নির্ধারণ করে।
আর একটা কথা—
৮৫–৯০ বছর বয়সেও যদি মানুষ কর্মক্ষম, সচেতন এবং জীবনের পথে এগিয়ে চলেন—এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?
তাই জীবনের দৌড়ে কে আগে, কে পরে—সেটা নয়; কে কতদূর যেতে পারল এবং কতদিন ভালোভাবে পথ চলতে পারল—সেটাই আসল। 🥱
Md Rokon Uzzaman’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

১৯৫৭ ঢা: বি: অর্থনীতি বিভাগের তিনজন একজন শিক্ষক

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
১৯৫৭—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একটি স্মরণীয় ব্যাচ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ইতিহাসে ১৯৫৭ সালটি নিঃসন্দেহে মনে রাখার মতো।
সে বছর অনার্সে একই ক্লাসে ভর্তি হয়েছিলেন তিনজন পরবর্তীকালের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি—সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ১/১১ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ এবং ১/১১ সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম।
এই ব্যাচে আরও অনেক মেধাবী ও সফল মানুষ ছিলেন, যারা হয়তো পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের ‘নাম’ হয়ে ওঠেননি। তাই তাঁদের নিয়ে আলোচনা কম হয়েছে।
মজার বিষয় হলো, সেই বছরই কেমব্রিজ থেকে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. রেহমান সোবহান। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, ওই ব্যাচে তিনজন শিক্ষার্থী ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছিলেন—ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ, ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম এবং ফার্স্ট ক্লাস থার্ড ড. রশীদ। ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাস করেছিলেন হায়ার সেকেন্ড ক্লাসে।
এই গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা কিন্তু ফলাফলের তালিকায় নয়।
যারা ফার্স্ট, সেকেন্ড বা থার্ড হতে পারেননি—তাঁরা হতাশ হবেন না। জীবনের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফলের মতো নয়। সেখানে মেধার পাশাপাশি সময়, অধ্যবসায়, অভিজ্ঞতা, সুযোগ এবং সবচেয়ে বড় কথা—লেগে থাকার ক্ষমতা—সাফল্য নির্ধারণ করে।
আর একটা কথা—
৮৫–৯০ বছর বয়সেও যদি মানুষ কর্মক্ষম, সচেতন এবং জীবনের পথে এগিয়ে চলেন—এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?
তাই জীবনের দৌড়ে কে আগে, কে পরে—সেটা নয়; কে কতদূর যেতে পারল এবং কতদিন ভালোভাবে পথ চলতে পারল—সেটাই আসল। 🥱
Md Rokon Uzzaman’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।