, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

২০০৪-২০০৬ সালে ৫৭ জন নিরীহ মানুষ হত‍্যাকারী হাসিনুর রহমান

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৭ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০০৪-২০০৬ সালে ৫৭ জন নিরীহ মানুষ হত‍্যাকারী খুনী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) বর্তমানে খয়রাতি ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংক প্রাপ্ত হাসিনুর রহমান গুম- বিচার বহির্ভূত খুনের বিরুদ্ধে অতি সোচ্চার।
আসুন এই খুনীর অতীতটা জানি আর মুখোশ উন্মোচন করি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) বর্তমানে খয়রাতি ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংক প্রাপ্ত হাসিনুর রহমান ১০ বিএমএ লং কোর্সের একজন মধ‍্যম সাড়ির অফিসার। বিএনপি আমলে তিনি দীর্ঘদিন র‍্যাবের বিভিন্ন ব‍্যাটালিয়নে চাকুরী করেন এবং ২০০৪-২০০৬ সালে চট্টগ্রামে অবস্থিত র‍্যাব-৭ এর উপ অধিনায়ক এবং অধিনায়ক থাকা অবস্থায় তার নিজ হাতে এবং তার নির্দেশে বিএনপি- আওয়ামী লীগের মোট ৫৭ জন স্থানীয় নেতা কর্মীকে বিচার বহির্ভূত হত‍্যর মুল হোতা এই খুনী সিরিয়াল কিলার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) হাসিনুর রহমান। জামাতের পরামর্শে অধিকাংশ বিচার বহির্ভূত হত‍্যা সে করিয়েছিলো।
আর্মি সিকিউরিটি ইউনিটের একটি বিশেষ দল ঢাকা থেকে যেতে ময়মনসিংহ সেনানিবাস্থ আর্টডক অফিস থেকে লেঃ কর্নেল হাসিনুরকে রাতের বেলায় প্রথম বার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজের নেতৃত্বে (বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে কুত্তা দেখভাল করার চাকুরী করে) ফাঁকি দিয়ে জীপে তুলে নিয়ে আটক করে নিয়ে আসে। গাড়ি তে জোর করে তোলার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ নিজের হাতে তার সিনিয়র লেঃ কর্নেল হাসিনুরকে কাল কাপড়ের হুড পড়িয়ে হ‍্যান্ডকাফ লাগিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ একটা টকশোতে তা স্বীকারও করে। কিন্তু লেঃ কর্নেল হাসিনুর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ থেকে ৫০ হাজার ডলার নিয়ে তাকে নিজের গুম হওয়ার মামলায় আসামী করে নাই।
রাস্ট্রদ্রোহী কাজে তার সংশ্লিষ্টতা কোর্ট মার্শালে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় সেনাবাহিনী তাকে বরখাস্ত করে ৫ বছর সিভিল জেল দেয়। প্রায় আড়াই বছর জেল খাটার পর জেনারেল আইকেবি সেনাপ্রধান হয়ে বিশেষ অনুকম্পায় তার বাকী সাজা মাফ করলে সে জেল থেকে বের হয়।
আজ সে বিচার বহির্ভূত হত‍্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার, অথচ নিজে ৫৭ জন লোকের খুনি। তার বিচার বহির্ভূত হত‍্যার কিছু তথ‍্য সুত্র সহ নীচে দেখুন।
খুনি লেঃ কর্নেল হাসিনুরের (বরখাস্ত) মুখে গুম-খুনের বিচার দাবী, কি হাস‍্যকর???
* ২০০৪-২০০৬ সাল পর্যন্ত র‍্যাবের একাধিক ব্যাটালিয়নের কমান্ডে দায়িত্ব পালন করে লেঃ কর্নেল হাসিনুর, যার মধ্যে ২০০৫–২০০৬ সালে চট্টগ্রামের র‍্যাব-৭ অন্যতম (উৎস: Netra News, HRW , en.wikipedia.org) । ঐ সময় ৫৭ জনকে হত‍্যার অভিযোগ রয়েছে এই খুনি হাসিনুরের।,
* দেশবিরোধী তৎপরতা ও বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন (উৎস: wikipedia.org)।
* ২০০৪–২০০৫ সালে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক থাকা অবস্থায় লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে গ্রেপ্তারের পরপরই “ক্রসফায়ার”-এ হত্যার ধারাবাহিক ঘটনা ঘটেছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW)-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায় (উৎস: তখনকার netra.news)।
* উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
সেপ্টেম্বর ২০০৪ – চট্টগ্রামের একটি থানা সংলগ্ন স্থানে ১০ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত (একটি ভ‍্যান গাড়িতে যাদের মৃতদেহ সম্বলিত ছবি তখন পেপারে আসে)
১০–১১ সেপ্টেম্বর ২০০৪ঃ আহমদুল হক চৌধুরী (আহমুদিয়া) ও তার দেহরক্ষী মিনহাজ গ্রেপ্তারের পরদিন ক্রসফায়ারে নিহত (উৎস: refworld.org)।
২৮ নভেম্বর ২০০৪ঃ ছাত্রলীগ নেতা মহিমুদ্দিন মহিম দুবাই থেকে ফিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন। ওই রাতেই তাকে ক্রসফায়ারে নিহত দেখানো হয়।
৩০ নভেম্বর ২০০৪ঃ ছাত্রদল নেতা ইকবাল বাহার চৌধুরী (ইকবিয়াল্লা), যিনি হত্যা, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, গ্রেপ্তারের সময় ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন (refworld.org)।
Human Right Hatch (HRW) তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, ২০০৪-২০০৬ এই সময়ে শুধুমাত্র র‍্যাব-৭ এর অধীনে ৫৭টি “ক্রসফায়ার” হত্যা সংঘটিত হয়েছে যখন লেঃ কর্নেল হাসিনুর ছিল র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক, যা সারা দেশের র‍্যাব অভিযানে নিহতের ১৫.৫%।
* ১৯৮৪ সালের জুনে কমিশনপ্রাপ্ত; বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রাইফেলস-এ কর্মরত ছিলেন। পরে র‍্যাবের একাধিক ব্যাটালিয়নের কমান্ডে দায়িত্ব পালন করেন, যার মধ্যে ২০০৫–২০০৬ সালে চট্টগ্রামের র‍্যাব-৭ অন্যতম (উৎস: en.wikipedia.org)।
* দেশবিরোধী তৎপরতা ও বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন (উৎস: kipedia.org)।
র‍্যাব-৭ কমান্ডে থাকা অবস্থায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগঃ ২০০৪–২০০৫ সালে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক থাকা অবস্থায় লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে গ্রেপ্তারের পরপরই “ক্রসফায়ার”-এ হত্যার ধারাবাহিক ঘটনা ঘটেছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW)-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায় (উৎস: netra.news)। উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
1. সেপ্টেম্বর ২০০৪ – চট্টগ্রামের একটি থানা সংলগ্ন স্থানে ১০ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত।
2. ১০–১১ সেপ্টেম্বর ২০০৪ – আহমদুল হক চৌধুরী (আহমুদিয়া) ও তার দেহরক্ষী মিনহাজ গ্রেপ্তারের পরদিন ক্রসফায়ারে নিহত (উৎস: refworld.org)।
3. ২৮ নভেম্বর ২০০৪ – ছাত্রলীগ নেতা মহিমুদ্দিন মহিম দুবাই থেকে ফিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন; ওই রাতেই তাকে ক্রসফায়ারে নিহত দেখানো হয়।
4. ৩০ নভেম্বর ২০০৪ – ছাত্রদল নেতা ইকবাল বাহার চৌধুরী (ইকবিয়াল্লা), যিনি হত্যা, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, গ্রেপ্তারের সময় ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন (refworld.org)।
HRW জানিয়েছে, এই সময়ে শুধুমাত্র র‍্যাব-৭ এর অধীনে ৫৭টি “ক্রসফায়ার” হত্যা সংঘটিত হয়েছে, যা সারা দেশের র‍্যাব অভিযানে নিহতের ১৫.৫%।
রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও জামায়াতের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্কঃ HRW এর পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, র‍্যাব-৭ এর এই সময়কালের অভিযানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ পক্ষপাতিত্বের লক্ষণ স্পষ্ট:
* নির্বাচিত টার্গেটিং: অধিকাংশ নিহত ব্যক্তি ছিলেন আওয়ামী লীগ বা বিএনপি-সমর্থিত সংগঠনের সদস্য। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রক্ষা পেয়েছেন বা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়নি (hrw.org)।
নাম/পদবী- লে. কর্নেল (বরখাস্ত) হাসিনুর রহমান
র‍্যাব-৭ (চট্টগ্রাম) এ সময়কাল ২০০৪–২০০৬
মূল অভিযোগ: ৫৭ টি বিচারবহির্ভূত হত্যা (“ক্রসফায়ার”), নির্যাতন।
রাজনৈতিক পক্ষপাত বিরোধী দলকে টার্গেট, জামায়াত সংশ্লিষ্টদের রক্ষা।
জামায়াত সংযোগ: HRW অনুযায়ী অনানুষ্ঠানিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
বর্তমান অবস্থাঃ চাকুরী থেকে বরখাস্ত।
এই জঙ্গি এখন নীতিগল্প মারায়। আর সারাদিন আওয়ামী লীগ নিয়ে ভুলভাল ন্যারেটিভ ছড়ায়।

Mohammad Salauddin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

২০০৪-২০০৬ সালে ৫৭ জন নিরীহ মানুষ হত‍্যাকারী হাসিনুর রহমান

প্রকাশের সময় : ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০০৪-২০০৬ সালে ৫৭ জন নিরীহ মানুষ হত‍্যাকারী খুনী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) বর্তমানে খয়রাতি ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংক প্রাপ্ত হাসিনুর রহমান গুম- বিচার বহির্ভূত খুনের বিরুদ্ধে অতি সোচ্চার।
আসুন এই খুনীর অতীতটা জানি আর মুখোশ উন্মোচন করি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) বর্তমানে খয়রাতি ব্রিগেডিয়ার র‍্যাংক প্রাপ্ত হাসিনুর রহমান ১০ বিএমএ লং কোর্সের একজন মধ‍্যম সাড়ির অফিসার। বিএনপি আমলে তিনি দীর্ঘদিন র‍্যাবের বিভিন্ন ব‍্যাটালিয়নে চাকুরী করেন এবং ২০০৪-২০০৬ সালে চট্টগ্রামে অবস্থিত র‍্যাব-৭ এর উপ অধিনায়ক এবং অধিনায়ক থাকা অবস্থায় তার নিজ হাতে এবং তার নির্দেশে বিএনপি- আওয়ামী লীগের মোট ৫৭ জন স্থানীয় নেতা কর্মীকে বিচার বহির্ভূত হত‍্যর মুল হোতা এই খুনী সিরিয়াল কিলার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) হাসিনুর রহমান। জামাতের পরামর্শে অধিকাংশ বিচার বহির্ভূত হত‍্যা সে করিয়েছিলো।
আর্মি সিকিউরিটি ইউনিটের একটি বিশেষ দল ঢাকা থেকে যেতে ময়মনসিংহ সেনানিবাস্থ আর্টডক অফিস থেকে লেঃ কর্নেল হাসিনুরকে রাতের বেলায় প্রথম বার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজের নেতৃত্বে (বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে কুত্তা দেখভাল করার চাকুরী করে) ফাঁকি দিয়ে জীপে তুলে নিয়ে আটক করে নিয়ে আসে। গাড়ি তে জোর করে তোলার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ নিজের হাতে তার সিনিয়র লেঃ কর্নেল হাসিনুরকে কাল কাপড়ের হুড পড়িয়ে হ‍্যান্ডকাফ লাগিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ একটা টকশোতে তা স্বীকারও করে। কিন্তু লেঃ কর্নেল হাসিনুর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজ থেকে ৫০ হাজার ডলার নিয়ে তাকে নিজের গুম হওয়ার মামলায় আসামী করে নাই।
রাস্ট্রদ্রোহী কাজে তার সংশ্লিষ্টতা কোর্ট মার্শালে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় সেনাবাহিনী তাকে বরখাস্ত করে ৫ বছর সিভিল জেল দেয়। প্রায় আড়াই বছর জেল খাটার পর জেনারেল আইকেবি সেনাপ্রধান হয়ে বিশেষ অনুকম্পায় তার বাকী সাজা মাফ করলে সে জেল থেকে বের হয়।
আজ সে বিচার বহির্ভূত হত‍্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার, অথচ নিজে ৫৭ জন লোকের খুনি। তার বিচার বহির্ভূত হত‍্যার কিছু তথ‍্য সুত্র সহ নীচে দেখুন।
খুনি লেঃ কর্নেল হাসিনুরের (বরখাস্ত) মুখে গুম-খুনের বিচার দাবী, কি হাস‍্যকর???
* ২০০৪-২০০৬ সাল পর্যন্ত র‍্যাবের একাধিক ব্যাটালিয়নের কমান্ডে দায়িত্ব পালন করে লেঃ কর্নেল হাসিনুর, যার মধ্যে ২০০৫–২০০৬ সালে চট্টগ্রামের র‍্যাব-৭ অন্যতম (উৎস: Netra News, HRW , en.wikipedia.org) । ঐ সময় ৫৭ জনকে হত‍্যার অভিযোগ রয়েছে এই খুনি হাসিনুরের।,
* দেশবিরোধী তৎপরতা ও বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন (উৎস: wikipedia.org)।
* ২০০৪–২০০৫ সালে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক থাকা অবস্থায় লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে গ্রেপ্তারের পরপরই “ক্রসফায়ার”-এ হত্যার ধারাবাহিক ঘটনা ঘটেছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW)-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায় (উৎস: তখনকার netra.news)।
* উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
সেপ্টেম্বর ২০০৪ – চট্টগ্রামের একটি থানা সংলগ্ন স্থানে ১০ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত (একটি ভ‍্যান গাড়িতে যাদের মৃতদেহ সম্বলিত ছবি তখন পেপারে আসে)
১০–১১ সেপ্টেম্বর ২০০৪ঃ আহমদুল হক চৌধুরী (আহমুদিয়া) ও তার দেহরক্ষী মিনহাজ গ্রেপ্তারের পরদিন ক্রসফায়ারে নিহত (উৎস: refworld.org)।
২৮ নভেম্বর ২০০৪ঃ ছাত্রলীগ নেতা মহিমুদ্দিন মহিম দুবাই থেকে ফিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন। ওই রাতেই তাকে ক্রসফায়ারে নিহত দেখানো হয়।
৩০ নভেম্বর ২০০৪ঃ ছাত্রদল নেতা ইকবাল বাহার চৌধুরী (ইকবিয়াল্লা), যিনি হত্যা, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, গ্রেপ্তারের সময় ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন (refworld.org)।
Human Right Hatch (HRW) তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, ২০০৪-২০০৬ এই সময়ে শুধুমাত্র র‍্যাব-৭ এর অধীনে ৫৭টি “ক্রসফায়ার” হত্যা সংঘটিত হয়েছে যখন লেঃ কর্নেল হাসিনুর ছিল র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক, যা সারা দেশের র‍্যাব অভিযানে নিহতের ১৫.৫%।
* ১৯৮৪ সালের জুনে কমিশনপ্রাপ্ত; বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রাইফেলস-এ কর্মরত ছিলেন। পরে র‍্যাবের একাধিক ব্যাটালিয়নের কমান্ডে দায়িত্ব পালন করেন, যার মধ্যে ২০০৫–২০০৬ সালে চট্টগ্রামের র‍্যাব-৭ অন্যতম (উৎস: en.wikipedia.org)।
* দেশবিরোধী তৎপরতা ও বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন (উৎস: kipedia.org)।
র‍্যাব-৭ কমান্ডে থাকা অবস্থায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগঃ ২০০৪–২০০৫ সালে র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক থাকা অবস্থায় লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে গ্রেপ্তারের পরপরই “ক্রসফায়ার”-এ হত্যার ধারাবাহিক ঘটনা ঘটেছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW)-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায় (উৎস: netra.news)। উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
1. সেপ্টেম্বর ২০০৪ – চট্টগ্রামের একটি থানা সংলগ্ন স্থানে ১০ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত।
2. ১০–১১ সেপ্টেম্বর ২০০৪ – আহমদুল হক চৌধুরী (আহমুদিয়া) ও তার দেহরক্ষী মিনহাজ গ্রেপ্তারের পরদিন ক্রসফায়ারে নিহত (উৎস: refworld.org)।
3. ২৮ নভেম্বর ২০০৪ – ছাত্রলীগ নেতা মহিমুদ্দিন মহিম দুবাই থেকে ফিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন; ওই রাতেই তাকে ক্রসফায়ারে নিহত দেখানো হয়।
4. ৩০ নভেম্বর ২০০৪ – ছাত্রদল নেতা ইকবাল বাহার চৌধুরী (ইকবিয়াল্লা), যিনি হত্যা, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, গ্রেপ্তারের সময় ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন (refworld.org)।
HRW জানিয়েছে, এই সময়ে শুধুমাত্র র‍্যাব-৭ এর অধীনে ৫৭টি “ক্রসফায়ার” হত্যা সংঘটিত হয়েছে, যা সারা দেশের র‍্যাব অভিযানে নিহতের ১৫.৫%।
রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও জামায়াতের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্কঃ HRW এর পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, র‍্যাব-৭ এর এই সময়কালের অভিযানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ পক্ষপাতিত্বের লক্ষণ স্পষ্ট:
* নির্বাচিত টার্গেটিং: অধিকাংশ নিহত ব্যক্তি ছিলেন আওয়ামী লীগ বা বিএনপি-সমর্থিত সংগঠনের সদস্য। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রক্ষা পেয়েছেন বা তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়নি (hrw.org)।
নাম/পদবী- লে. কর্নেল (বরখাস্ত) হাসিনুর রহমান
র‍্যাব-৭ (চট্টগ্রাম) এ সময়কাল ২০০৪–২০০৬
মূল অভিযোগ: ৫৭ টি বিচারবহির্ভূত হত্যা (“ক্রসফায়ার”), নির্যাতন।
রাজনৈতিক পক্ষপাত বিরোধী দলকে টার্গেট, জামায়াত সংশ্লিষ্টদের রক্ষা।
জামায়াত সংযোগ: HRW অনুযায়ী অনানুষ্ঠানিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
বর্তমান অবস্থাঃ চাকুরী থেকে বরখাস্ত।
এই জঙ্গি এখন নীতিগল্প মারায়। আর সারাদিন আওয়ামী লীগ নিয়ে ভুলভাল ন্যারেটিভ ছড়ায়।

Mohammad Salauddin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।