, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

২২ অবৈধ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা

  • প্রকাশের সময় : ০২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ পড়া হয়েছে
লাইসেন্স ছাড়াই পেমেন্ট এগ্রিগেটর সেবা দেওয়া ২২টি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্ল্যাটফর্মে কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য সর্বসাধারণকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্প্রতি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’-এর ৪(২) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনা বা পরিশোধ সেবা দিতে পারে না। একই আইনের ৩৭(১) ধারা অনুযায়ী এ ধরনের কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের শনাক্ত করা ২২টি প্ল্যাটফর্ম হলো বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলার, বেঙলি পে , পেওরা বিডি, সহজপে বিডি, ইজিপে ওয়ে , একে পে, বিডি পে, সাজঘর পে, আস্থা পে, উদ্যোক্তাপে, ওয়ালেটমিক্স, বিটিটি পে, ইজিপে অটোমেশন, ইউনিকপে বিডি, বিডি অটো পে, আরএইচ পে বিডি, ইজি পে, অটো পে লিমিটেড, বিশ্বস্ত এবং পিপড়াপে।

অনুমোদনহীন অনলাইন আর্থিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ‘crossmarket.ai’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের বিষয়েও সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কোনো প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ বা লেনদেন করা দেশের প্রচলিত আইনে অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ফলে এসব প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ নিজের অজান্তেই আইনগত জটিলতায় পড়তে পারেন।

সহজ ঋণের প্রলোভনে বিপদ

এদিকে মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচালিত অনুমোদনহীন ঋণ কার্যক্রম নিয়েও সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নজরে এসেছে, বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনে থাকা যোগাযোগের তালিকা, ছবি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে। পরে ঋণের টাকা আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি দেখানো, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ও প্রচলিত আইন-বিধি ছাড়া কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা বৈধ নয়। প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থ আত্মসাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিএফআইইউয়ের নজরে আসা অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়ানজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।

চার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

অননুমোদিত ঋণ অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে গ্রাহকদের চারটি বিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ না নেওয়া, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অবৈধ ঋণ কার্যক্রমে অংশ না নেওয়া এবং অপরিচিত অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য বা ফোনে থাকা সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ঋণ দেওয়ার আগে কোনো অগ্রিম অর্থ, প্রক্রিয়াকরণ ফি বা নিবন্ধন ফি চাওয়া হলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের অনুমোদনহীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কেউ প্রতারিত হলে বা কোনো অনিয়মের তথ্য জানা থাকলে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ওয়েবসাইটে অথবা মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউ পরিচালকের দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা যাবে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

২২ অবৈধ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা

প্রকাশের সময় : ০২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
লাইসেন্স ছাড়াই পেমেন্ট এগ্রিগেটর সেবা দেওয়া ২২টি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্ল্যাটফর্মে কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য সর্বসাধারণকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্প্রতি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’-এর ৪(২) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনা বা পরিশোধ সেবা দিতে পারে না। একই আইনের ৩৭(১) ধারা অনুযায়ী এ ধরনের কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের শনাক্ত করা ২২টি প্ল্যাটফর্ম হলো বহুদূর পে, জিনিপে, পে-টিলার, বেঙলি পে , পেওরা বিডি, সহজপে বিডি, ইজিপে ওয়ে , একে পে, বিডি পে, সাজঘর পে, আস্থা পে, উদ্যোক্তাপে, ওয়ালেটমিক্স, বিটিটি পে, ইজিপে অটোমেশন, ইউনিকপে বিডি, বিডি অটো পে, আরএইচ পে বিডি, ইজি পে, অটো পে লিমিটেড, বিশ্বস্ত এবং পিপড়াপে।

অনুমোদনহীন অনলাইন আর্থিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ‘crossmarket.ai’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের বিষয়েও সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিনিয়োগ গ্রহণ ও আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কোনো প্ল্যাটফর্মে অর্থ বিনিয়োগ বা লেনদেন করা দেশের প্রচলিত আইনে অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ফলে এসব প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ নিজের অজান্তেই আইনগত জটিলতায় পড়তে পারেন।

সহজ ঋণের প্রলোভনে বিপদ

এদিকে মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচালিত অনুমোদনহীন ঋণ কার্যক্রম নিয়েও সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নজরে এসেছে, বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনে থাকা যোগাযোগের তালিকা, ছবি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে। পরে ঋণের টাকা আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি দেখানো, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ও প্রচলিত আইন-বিধি ছাড়া কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা বৈধ নয়। প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থ আত্মসাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিএফআইইউয়ের নজরে আসা অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়ানজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।

চার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

অননুমোদিত ঋণ অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে গ্রাহকদের চারটি বিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ না নেওয়া, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অবৈধ ঋণ কার্যক্রমে অংশ না নেওয়া এবং অপরিচিত অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য বা ফোনে থাকা সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ঋণ দেওয়ার আগে কোনো অগ্রিম অর্থ, প্রক্রিয়াকরণ ফি বা নিবন্ধন ফি চাওয়া হলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের অনুমোদনহীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কেউ প্রতারিত হলে বা কোনো অনিয়মের তথ্য জানা থাকলে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ওয়েবসাইটে অথবা মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউ পরিচালকের দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা যাবে।