, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

২৭ জুন ২০২৬তুরাগ নদীতেছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ:প্রতিবাদঢাকা-১৮ সংসদ সদস্য

  • প্রকাশের সময় : ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৮১ পড়া হয়েছে

S M Jahangir Hossain’s Post

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঢাকা-১৮ সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর প্রতিবাদ
গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “Daily Ajker Kantho – ডেইলি আজকের কণ্ঠ” নামে একটি ফেসবুক পেজসহ কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আমাকে জড়িয়ে “তুরাগ ট্র্যাজেডি” শিরোনামে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আশুলিয়ায় সংগঠিত একটি ঘটনার সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা চালানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে। আমি এ ধরনের প্রোপাগাণ্ডার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিলের উদ্দেশ্যে নৌকাযোগে কয়েকজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আশুলিয়া বাজার ঘাটের কাছে পৌঁছালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় নৌকায় থাকা কয়েকজন দ্রুত পালানোর চেষ্টা করেন। তাড়াহুড়ার মধ্যে কয়েকজন আতঙ্কিত হয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয় বলে বিভিন্ন সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে নদীতে ঝাপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় অপমৃত্যুর মামলাও দায়ের করা করেছে নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
অথচ এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে পতিত ফ্যাসিস্টরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ফটোকার্ড ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রচার করে দাবি করছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমনকি আমাকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া ও কাল্পনিক বক্তব্যও প্রচার করা হয়েছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।
আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ঘটনা আশুলিয়া থানার আওতাধীন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাস্থল, মিছিলের স্থান, মরদের উদ্ধারের স্থান; একটিও আমাদের ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্গত এলাকায় সংগঠিত হয়নি। এবং উক্ত ঘটনায় আমার বা আমাদের কোনো নেতাকর্মীদের নূন্যতম সংশ্লিষ্টতা নেই। তারপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
উল্লেখ্য, ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে “তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে” শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।
আমিও ব্যক্তিগতভাবে ইতোমধ্যে এই অপপ্রচার, মানহানি এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এনেছি।
আমি আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দেশবাসীর প্রতি কোনো গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

২৭ জুন ২০২৬তুরাগ নদীতেছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ:প্রতিবাদঢাকা-১৮ সংসদ সদস্য

প্রকাশের সময় : ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

S M Jahangir Hossain’s Post

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঢাকা-১৮ সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর প্রতিবাদ
গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “Daily Ajker Kantho – ডেইলি আজকের কণ্ঠ” নামে একটি ফেসবুক পেজসহ কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আমাকে জড়িয়ে “তুরাগ ট্র্যাজেডি” শিরোনামে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আশুলিয়ায় সংগঠিত একটি ঘটনার সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা চালানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে। আমি এ ধরনের প্রোপাগাণ্ডার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিলের উদ্দেশ্যে নৌকাযোগে কয়েকজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আশুলিয়া বাজার ঘাটের কাছে পৌঁছালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় নৌকায় থাকা কয়েকজন দ্রুত পালানোর চেষ্টা করেন। তাড়াহুড়ার মধ্যে কয়েকজন আতঙ্কিত হয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয় বলে বিভিন্ন সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে নদীতে ঝাপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় অপমৃত্যুর মামলাও দায়ের করা করেছে নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
অথচ এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে পতিত ফ্যাসিস্টরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ফটোকার্ড ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রচার করে দাবি করছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমনকি আমাকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া ও কাল্পনিক বক্তব্যও প্রচার করা হয়েছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।
আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই ঘটনা আশুলিয়া থানার আওতাধীন এলাকায় সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাস্থল, মিছিলের স্থান, মরদের উদ্ধারের স্থান; একটিও আমাদের ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্গত এলাকায় সংগঠিত হয়নি। এবং উক্ত ঘটনায় আমার বা আমাদের কোনো নেতাকর্মীদের নূন্যতম সংশ্লিষ্টতা নেই। তারপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
উল্লেখ্য, ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে “তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে” শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।
আমিও ব্যক্তিগতভাবে ইতোমধ্যে এই অপপ্রচার, মানহানি এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এনেছি।
আমি আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং দেশবাসীর প্রতি কোনো গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।