
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,
সব ঠিকঠাকই চলছিল। তারপর একদিন লাইফ কেমন জানি ৯০° অ্যাঙ্গেলে ঘুরে গেল। এক ধাক্কায় আমার বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী—সব হারিয়ে গেল। সবার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলো। সবাই যেন অচেনা হয়ে গেল। সবার হিংস্র রূপ বের হয়ে গেল। আগস্টে ২৪ একদিনেই লাইফ ৯০° অচেনা হয়ে গেল; একসঙ্গেই সবাই > তারাই ৩২এ কুৎসিত নৃত্য করল
একসঙ্গে ফেসবুক গ্রুপে যাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, যাদের সঙ্গে গেট-টুগেদার করেছি, সবাই রাতারাতি অচেনা হয়ে গেকর। মুজিব, মুক্তিযুদ্ধ, ‘৭১—সবকিছুর বিরোধী হয়ে গেল সবাই।
ভীষণ জনপ্রিয় ছিলাম আমি। গ্রুপের আড্ডায় আমি ছিলাম সবার আগে। গেট-টুগেদারে কারও টাকা কম পড়লে আমি নিজে থেকে দিতাম। যতজনের জন্য যা করার, সব আমি করতাম। কিন্তু কখনো বুঝিনি, এরাই আমাকে সুযোগ পেলে কেটে ফেলবে, মেরে ফেলবে—’জয় বাংলা’ বলার কারণে।
গত দুইটা শোকের আগস্টে তাদের ৩২ ভাঙতে দেখেছি, কুৎসিত নৃত্য করতে দেখেছি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুৎসিত মিম পোস্ট করতে দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধকে, স্বাধীনতাকে হেয় করতে দেখেছি।
ভীষণ অবাক হয়েছি, ভীষণ কষ্ট পেয়েছি তাদের এই ভেতরের চেহারা দেখে। কী পরিমাণ কষ্টের অনুভূতি, এটা আসলে বোঝানো সম্ভব না।
একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে এসব গুলো দেখা অনেক কষ্টকর।
যখন আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড, যার সঙ্গে আপনি গত ১৫–২০ বছর আড্ডা দিয়েছেন, গল্প করেছেন, সুখ-দুঃখের আলাপ করেছেন—তার ভেতরে যখন আমার আদর্শ বঙ্গবন্ধুর ভাঙা প্রতিকৃতিতে প্রস্রাব করা ছবি শেয়ার করে অট্টহাসি দিতে দেখেছি, তখন সেই অনুভূতি কী, তা বোঝানো সম্ভব না।
শুধু অবাক হয়েছি—এত গোপন চেহারা নিয়ে সে আমার সামনে এতদিন ছিল। অথচ মুজিব বর্ষে তাদেরকেই আমি দেখেছি মুজিবকে নিয়ে কবিতা রচনা করতে, গান করতে।
কিন্তু এগুলো সব ছিল তাদের গোপন এজেন্ডা। বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যখন বুঝলাম এবং তাদের গোপন এজেন্ডা জানলাম, তখন আর কোনো কিছু করার ছিল না। করার থাকলেও হয়তো করতে পারতাম না, কারণ সে তো আমার বন্ধু। দীর্ঘদিন তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, মিশেছি।
কিন্তু তারাই আমার ঘরে এসে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দেওয়াতে…
তাই আমি নিজেই সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। ২০ বছরের বেশি সময়ের বন্ধু-বান্ধবীদের ব্লক করে দিলাম।
এটাই আমার জুলাই অভিজ্ঞতা। তাই আমি মনে করি জুলাই হওয়া দরকার ছিল। মুখোশের আড়ালে নিকৃষ্ট লোকগুলোর চেহারা জানার দরকার ছিল।
। এক ধাক্কায় আমার বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী—সব হারিয়ে গেল। সবার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলো। সবাই যেন অচেনা হয়ে গেল। সবার হিংস্র রূপ বের হয়ে গেল।
একসঙ্গে ফেসবুক গ্রুপে যাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, যাদের সঙ্গে গেট-টুগেদার করেছি, সবাই রাতারাতি অচেনা হয়ে গেল। মুজিব, মুক্তিযুদ্ধ, ‘৭১—সবকিছুর বিরোধী হয়ে গেল সবাই।
ভীষণ জনপ্রিয় ছিলাম আমি। গ্রুপের আড্ডায় আমি ছিলাম সবার আগে। গেট-টুগেদারে কারও টাকা কম পড়লে আমি নিজে থেকে দিতাম। যতজনের জন্য যা করার, সব আমি করতাম। কিন্তু কখনো বুঝিনি, এরাই আমাকে সুযোগ পেলে কেটে ফেলবে, মেরে ফেলবে—’জয় বাংলা’ বলার কারণে।
গত দুইটা শোকের আগস্টে তাদের ৩২ ভাঙতে দেখেছি, কুৎসিত নৃত্য করতে দেখেছি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুৎসিত মিম পোস্ট করতে দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধকে, স্বাধীনতাকে হেয় করতে দেখেছি।
ভীষণ অবাক হয়েছি, ভীষণ কষ্ট পেয়েছি তাদের এই ভেতরের চেহারা দেখে। কী পরিমাণ কষ্টের অনুভূতি, এটা আসলে বোঝানো সম্ভব না।
একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে এসব গুলো দেখা অনেক কষ্টকর।
যখন আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড, যার সঙ্গে আপনি গত ১৫–২০ বছর আড্ডা দিয়েছেন, গল্প করেছেন, সুখ-দুঃখের আলাপ করেছেন—তার ভেতরে যখন আমার আদর্শ বঙ্গবন্ধুর ভাঙা প্রতিকৃতিতে প্রস্রাব করা ছবি শেয়ার করে অট্টহাসি দিতে দেখেছি, তখন সেই অনুভূতি কী, তা বোঝানো সম্ভব না।
শুধু অবাক হয়েছি—এত গোপন চেহারা নিয়ে সে আমার সামনে এতদিন ছিল। অথচ মুজিব বর্ষে তাদেরকেই আমি দেখেছি মুজিবকে নিয়ে কবিতা রচনা করতে, গান করতে।
কিন্তু এগুলো সব ছিল তাদের গোপন এজেন্ডা। বুঝতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। যখন বুঝলাম এবং তাদের গোপন এজেন্ডা জানলাম, তখন আর কোনো কিছু করার ছিল না। করার থাকলেও হয়তো করতে পারতাম না, কারণ সে তো আমার বন্ধু। দীর্ঘদিন তাদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, মিশেছি।
কিন্তু তারাই আমার ঘরে এসে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দেওয়াতে…
তাই আমি নিজেই সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। ২০ বছরের বেশি সময়ের বন্ধু-বান্ধবীদের ব্লক করে দিলাম।
এটাই আমার জুলাই অভিজ্ঞতা। তাই আমি মনে করি জুলাই হওয়া দরকার ছিল। মুখোশের আড়ালে নিকৃষ্ট লোকগুলোর চেহারা জানার দরকার ছিল।
ALY is back’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















