, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

তেলাপোকার উত্থানে দিল্লী সরকারের পতন হবে এমন ভাবনা নিতান্তই বোকামি

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৪৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দিলে মোদি সরকারের খুব ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না ‌ । কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দেওয়াই এই সমস্যার সমাধান নয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী ‘ গল্প সামনে এনে অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন –
” অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে , কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।” ।
তেলাপোকা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। পা হারানোর পর নতুন পা গজিয়ে নিতে পারে ‌। কিন্তু তেলাপোকার উত্থানে দিল্লী সরকারের পতন হবে , এমন ভাবনা নিতান্তই বোকামি। ককরোচের প্রধান দাবির কাছে নত হয়ে বিজেপির মত সরকার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্রকে অপসারণ করবে এমন ইঙ্গিত খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বিজেপির শক্ত রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বিরোধীদলের দাবির কাছেও তাদের নত হবার সম্ভাবনা কম। পরিস্থিতির পরিবর্তন অনুযায়ী হুট করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিজেপি। কিন্তু অতিকায় হস্তী ততক্ষণ পর্যন্ত তেলাপোকার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না , যতক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃতির চরম বিবর্তনের মুখে পড়ছে।
ককরোচ পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের পদত্যাগ না চাইলেও বাংলাদেশের মিডিয়া গায়ের জোরে ইতিমধ্যে মোদির পদত্যাগ পত্র লিখে নিয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে – ” ককরোচ পার্টির মধ্যে বাংলাদেশের মতো কোন ” গুপ্ত শিবির ” বা আন্ডারগ্রাউন্ড উইং সন্ত্রাসী সংগঠন নেই। এই আন্দোলন মূলত ভারতের শিক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন ও শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে একটি গণ আন্দোলন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব অলসরা থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে গেছেন। জামায়াত শিবিরের মতো ককরোচ পার্টির যেহেতু কোন রাজনৈতিক কার্যালয় নেই, তাই আপাতত কিছু বিষয়ে নিশ্চিন্তে থাকুন।
মোদি সরকারের ” ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট ” আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি। মোদির সহানুভূতির বার্তা তেমন কাজে এসেছে বলে মনে হয় না। অপরদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়েছে।যার ফলে মোদি সরকারকে দিল্লীর ১৬ টি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ করে দিতে হয়েছে।জেপি নাড্ডার মাধ্যমে আলোচনার কার্ড কাজ না করলে মোদীর ” ডিভাইড এন্ড রুল ” কার্ড ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। এখানে শুধু বিজেপি রাজনৈতিক দল নয় , বরং তাদের সাথে জোটে আছে এনডিএ।বিজেপি ছাড়াও বেশকিছু রাজনৈতিক দলের এই আসনসংখ্যা ৫৭.৫৫ শতাংশ। যার ফলে মোদি সরকার খুব সহজেই নতি স্বীকার করবে মনে হয় না ‌
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলন একটি ন্যায্য আন্দোলন হওয়ায় এই আন্দোলন সফল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি গুরুতর অপরাধ। এতে কোটি কোটি শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট হয়।এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে কয়েকজন তরুণ তরুণীর আত্মহত্যা অনেকের বিবেকের সামনে প্রশ্নবোধক হয়ে দাঁড়িয়েছে । তাই বর্তমান ভারতের অধিকাংশ মানুষ এই শিক্ষা পদ্ধতি সংস্কার ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে স্থায়ী সমাধান চান। এক্ষেত্রের সিস্টেমের পরিবর্তন ছাড়া শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কখনোই এর সমাধান নয়। আবার ভারতের মাটিতে কোন বিদেশী শক্তির বাংলাদেশের মত ” ডলার রেভ্যুলেশন ” সেভাবে সম্ভব নয়।
মোদীর রাজনৈতিক অবস্থান যদি এইভাবে অনড় থাকে তবে ককরোচ পার্টির সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এক্ষেত্রে আন্দোলনকে নেতৃত্বহীন করার চেষ্টা ও একটা নিরপেক্ষ আলোচনার সুযোগ নিবে মোদি সরকার। বিরোধীদলীয় ” টুলকিট” সাজিয়ে আন্দোলনকারীদের বিভ্রান্ত করার কৌশল ইতিমধ্যে ব্যবহার করতে শুরু করেছে মোদী প্রশাসন।মূলত শিক্ষা ও আইনি সংস্কার এই দুই পথেই হাঁটবে মোদী সরকার। এভাবে মোদী প্রশাসন তার দাবিতে অনড় থাকলে এক পর্যায়ে আন্দোলনের গতি কমে যেতে পারে। এমন হতে থাকলে সেই সুযোগটাই নিয়ে নিবে মোদী প্রশাসন।
ককরোচ আন্দোলন সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান দখল করলেও ভারতের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পূর্ণ বাংলাদেশের বিপরীত।তবে এই আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব ভারতের আগামী নির্বাচনে যথেষ্ঠ ভাবে পড়বে।২০২৬ ও ২০২৭ সালে ভারতের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে এর ব্যাপক পড়তে পারে। ভারতের যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ( এনটিএ) এর উপর ভারতের জনগণ আস্থা হারিয়েছে তা পূণর্গঠন ও প্রশ্নপত্র ফাঁস কঠোর আইন তৈরি করে এই যাত্রায় মোদি সরকার পার পেয়ে
যেতে পারেন।মোদি ঘোষিত ” ফ্রাস্ট – ট্র্যাক – আদালত” এটাই এখন মোদীর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ট্র্যাম্পকার্ড ।
এজন্যই বলা হয় , তেলাপোকার টিকে থাকার থিওরি সবসময় অতিকায় হস্তীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না। “
এরজন্য চরম বিক্ষুব্ধ প্রকৃতি তৈরি হতে হয়। সেটা তৈরি করতে না পারলে অতিকায় হস্তী কোনদিন নতি স্বীকার করবে না।মোদি সরকার নতি স্বীকার না করলে ধীরে ধীরে এই আন্দোলন বিভিন্ন রাজনৈতিক জালে জড়িয়ে তার পথ হারিয়ে বসবে। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে আন্দোলন করে সরকার পরিবর্তনের ইতিহাস নেই, সম্ভবও নয়।এটা জাস্ট পরিস্থিতি ঘোলাটে করে এক রাজনৈতিক দলের আরেক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ” পলিটিকাল টুলকিট ” ছাড়া আর কিছুই নয়।
তাই ভারতে আন্দোলনের মাঠে টিকে থাকা আর সরকার পরিবর্তন এক বিষয় নয়।
সত্য সবসময় সুন্দর।

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি’s Post

২৩-০৭-২০২৬
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

তেলাপোকার উত্থানে দিল্লী সরকারের পতন হবে এমন ভাবনা নিতান্তই বোকামি

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দিলে মোদি সরকারের খুব ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না ‌ । কিন্তু ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দেওয়াই এই সমস্যার সমাধান নয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী ‘ গল্প সামনে এনে অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন –
” অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে , কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।” ।
তেলাপোকা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। পা হারানোর পর নতুন পা গজিয়ে নিতে পারে ‌। কিন্তু তেলাপোকার উত্থানে দিল্লী সরকারের পতন হবে , এমন ভাবনা নিতান্তই বোকামি। ককরোচের প্রধান দাবির কাছে নত হয়ে বিজেপির মত সরকার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্রকে অপসারণ করবে এমন ইঙ্গিত খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বিজেপির শক্ত রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বিরোধীদলের দাবির কাছেও তাদের নত হবার সম্ভাবনা কম। পরিস্থিতির পরিবর্তন অনুযায়ী হুট করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিজেপি। কিন্তু অতিকায় হস্তী ততক্ষণ পর্যন্ত তেলাপোকার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না , যতক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃতির চরম বিবর্তনের মুখে পড়ছে।
ককরোচ পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের পদত্যাগ না চাইলেও বাংলাদেশের মিডিয়া গায়ের জোরে ইতিমধ্যে মোদির পদত্যাগ পত্র লিখে নিয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে – ” ককরোচ পার্টির মধ্যে বাংলাদেশের মতো কোন ” গুপ্ত শিবির ” বা আন্ডারগ্রাউন্ড উইং সন্ত্রাসী সংগঠন নেই। এই আন্দোলন মূলত ভারতের শিক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন ও শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে একটি গণ আন্দোলন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব অলসরা থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে গেছেন। জামায়াত শিবিরের মতো ককরোচ পার্টির যেহেতু কোন রাজনৈতিক কার্যালয় নেই, তাই আপাতত কিছু বিষয়ে নিশ্চিন্তে থাকুন।
মোদি সরকারের ” ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট ” আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি। মোদির সহানুভূতির বার্তা তেমন কাজে এসেছে বলে মনে হয় না। অপরদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়েছে।যার ফলে মোদি সরকারকে দিল্লীর ১৬ টি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ করে দিতে হয়েছে।জেপি নাড্ডার মাধ্যমে আলোচনার কার্ড কাজ না করলে মোদীর ” ডিভাইড এন্ড রুল ” কার্ড ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। এখানে শুধু বিজেপি রাজনৈতিক দল নয় , বরং তাদের সাথে জোটে আছে এনডিএ।বিজেপি ছাড়াও বেশকিছু রাজনৈতিক দলের এই আসনসংখ্যা ৫৭.৫৫ শতাংশ। যার ফলে মোদি সরকার খুব সহজেই নতি স্বীকার করবে মনে হয় না ‌
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলন একটি ন্যায্য আন্দোলন হওয়ায় এই আন্দোলন সফল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস একটি গুরুতর অপরাধ। এতে কোটি কোটি শিক্ষার্থীর জীবন নষ্ট হয়।এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে কয়েকজন তরুণ তরুণীর আত্মহত্যা অনেকের বিবেকের সামনে প্রশ্নবোধক হয়ে দাঁড়িয়েছে । তাই বর্তমান ভারতের অধিকাংশ মানুষ এই শিক্ষা পদ্ধতি সংস্কার ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে স্থায়ী সমাধান চান। এক্ষেত্রের সিস্টেমের পরিবর্তন ছাড়া শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কখনোই এর সমাধান নয়। আবার ভারতের মাটিতে কোন বিদেশী শক্তির বাংলাদেশের মত ” ডলার রেভ্যুলেশন ” সেভাবে সম্ভব নয়।
মোদীর রাজনৈতিক অবস্থান যদি এইভাবে অনড় থাকে তবে ককরোচ পার্টির সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এক্ষেত্রে আন্দোলনকে নেতৃত্বহীন করার চেষ্টা ও একটা নিরপেক্ষ আলোচনার সুযোগ নিবে মোদি সরকার। বিরোধীদলীয় ” টুলকিট” সাজিয়ে আন্দোলনকারীদের বিভ্রান্ত করার কৌশল ইতিমধ্যে ব্যবহার করতে শুরু করেছে মোদী প্রশাসন।মূলত শিক্ষা ও আইনি সংস্কার এই দুই পথেই হাঁটবে মোদী সরকার। এভাবে মোদী প্রশাসন তার দাবিতে অনড় থাকলে এক পর্যায়ে আন্দোলনের গতি কমে যেতে পারে। এমন হতে থাকলে সেই সুযোগটাই নিয়ে নিবে মোদী প্রশাসন।
ককরোচ আন্দোলন সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান দখল করলেও ভারতের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পূর্ণ বাংলাদেশের বিপরীত।তবে এই আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব ভারতের আগামী নির্বাচনে যথেষ্ঠ ভাবে পড়বে।২০২৬ ও ২০২৭ সালে ভারতের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে এর ব্যাপক পড়তে পারে। ভারতের যে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ( এনটিএ) এর উপর ভারতের জনগণ আস্থা হারিয়েছে তা পূণর্গঠন ও প্রশ্নপত্র ফাঁস কঠোর আইন তৈরি করে এই যাত্রায় মোদি সরকার পার পেয়ে
যেতে পারেন।মোদি ঘোষিত ” ফ্রাস্ট – ট্র্যাক – আদালত” এটাই এখন মোদীর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ট্র্যাম্পকার্ড ।
এজন্যই বলা হয় , তেলাপোকার টিকে থাকার থিওরি সবসময় অতিকায় হস্তীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না। “
এরজন্য চরম বিক্ষুব্ধ প্রকৃতি তৈরি হতে হয়। সেটা তৈরি করতে না পারলে অতিকায় হস্তী কোনদিন নতি স্বীকার করবে না।মোদি সরকার নতি স্বীকার না করলে ধীরে ধীরে এই আন্দোলন বিভিন্ন রাজনৈতিক জালে জড়িয়ে তার পথ হারিয়ে বসবে। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে আন্দোলন করে সরকার পরিবর্তনের ইতিহাস নেই, সম্ভবও নয়।এটা জাস্ট পরিস্থিতি ঘোলাটে করে এক রাজনৈতিক দলের আরেক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ” পলিটিকাল টুলকিট ” ছাড়া আর কিছুই নয়।
তাই ভারতে আন্দোলনের মাঠে টিকে থাকা আর সরকার পরিবর্তন এক বিষয় নয়।
সত্য সবসময় সুন্দর।

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি’s Post

২৩-০৭-২০২৬
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।