তিনি বলেন, বাসটি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি ফেরির র্যামের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে র্যাম ভেঙে বাসটি সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ সময় বাসে থাকা চালক ও সহকারীকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ ও নৌপুলিশ যৌথভাবে কাজ করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রীদের মালামাল উদ্ধার করে যাচাই-বাছাই শেষে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীদের বাস থেকে নেমে দাঁড়ানো এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ মার্চ কুষ্টিয়া থেকে আসা সোহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায়।






















