, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আমাদের রিমন ভাই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন

  • প্রকাশের সময় : ০৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬

আমাদের রিমন ভাই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে আজ নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন ভাই।
রিমন ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ১৯৯৯-২০০০ সালের দিকে। দৈনিক যুগান্তরে উনি তখন সিনিয়র রিপোর্টার এবং উনার সুযোগ্য সম্পাদনায় ‘তরুণ তরুণী’ পাতা বের হতো। ছাত্র অবস্থায় সেখানকার নিয়মিত লেখক ছিলাম আমি।
তিনি আমার লেখালেখির খুব প্রশংসা করতেন, গুরুত্বসহ লেখা ছাপাতেন এবং ব্যাপক উৎসাহ দিতেন। বেশ হাসি খুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন। চলনে বলনে স্মার্ট। হঠাৎ একদিন জানলাম, তিনি বিসিএস দিয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে জয়েন করেছেন। তখন আমাদের মোবাইল ফোন ছিল না। ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ টোটালি বন্ধ হয়ে যায়।
দীর্ঘ ২৬ বছর পর সেই রিমন ভাইয়ের ফোন নাম্বার পেলাম রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর কাছে। প্রথম সাক্ষাতে আমি শুধু বললাম, আমি আতাউর রহমান কাবুল। ‌ একরকম চমকে গিয়ে সবার সামনে বললেন, ‘এই তোমাকে তো অনেক ইয়াং দেখেছিলাম, তুমি তো বুড়ো হয়ে গেছো’! আমি বললাম, আপনি তো ইয়াং আছেন এখনো। তখন ভাইয়ের চুলের দিকে তাকিয়ে দেখি, না পাকেনি..।
২০০৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন রিমন ভাই। ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা ও তেজগাঁও জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর পরিস্থিতির শিকার হয়ে লন্ডনে পাড়ি জমান। আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে বিএনপিকে বিদেশ থেকে পরিচালনা করেছেন, তাঁর একান্ত সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই রিমন ভাই।
আমার খুব কাছের মানুষজনের কাছে শুনেছি, লন্ডনে যাবার পর উনার প্রথম দিককার জীবন ছিল খুব চ্যালেঞ্জের। এর মাঝেই তিনি ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন। রিমন ভাই যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা, অধ্যাপনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটিতে তিনি ‘প্রিন্সিপাল লেকচারার ইন পুলিশ এডুকেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি কেন্ট ও এসেক্স পুলিশ কলেজের অধীনে বিএসসি (সম্মান) ও গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সের প্রোগ্রাম লিডার ছিলেন। ইংল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলের সাতটি পুলিশ বাহিনীর ডিগ্রি হোল্ডার এন্ট্রি প্রোগ্রামের (ডিএইচইপি) একাডেমিক প্রধান ও একাডেমিক সততা প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় ও ডি মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা ও গবেষণা করেছেন তিনি। বিদেশ বিভুইয়ে একজন বাংলাদেশীর বিরাট মেধার পরিচয় ও অর্জন এসব।
বিগত এক-দেড় বছর ধরে এই মানুষটির সঙ্গে খুব কাছ থেকে মেশার সুযোগ হয়েছে আমার। তিনি একজন স্মার্ট, মেধাবী এবং আপাদমস্তক সৎ মানুষ। উনার সামনে ফাঁকিজুকি করার সুযোগ নেই। রাডারের মতো সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলেন।
আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমাদের শ্রদ্ধাভাজন রিমন ভাই উনার উপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ ভালোভাবেই পালন করবেন। একজন গিয়াস উদ্দিন রিমন মানে মেধাবী, সৎ, দক্ষ, পেশাদার মানুষ। আমি মনে করি, এই পথচলা কেবল শুরু। সামনে আছে আরো অনেক চমক ইনশাআল্লাহ।
অশেষ শুভকামনা প্রিয় ভাইয়ের জন্য।

Ataur Rahman Kabul’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আমাদের রিমন ভাই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন

প্রকাশের সময় : ০৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬

আমাদের রিমন ভাই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে আজ নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন ভাই।
রিমন ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ১৯৯৯-২০০০ সালের দিকে। দৈনিক যুগান্তরে উনি তখন সিনিয়র রিপোর্টার এবং উনার সুযোগ্য সম্পাদনায় ‘তরুণ তরুণী’ পাতা বের হতো। ছাত্র অবস্থায় সেখানকার নিয়মিত লেখক ছিলাম আমি।
তিনি আমার লেখালেখির খুব প্রশংসা করতেন, গুরুত্বসহ লেখা ছাপাতেন এবং ব্যাপক উৎসাহ দিতেন। বেশ হাসি খুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন। চলনে বলনে স্মার্ট। হঠাৎ একদিন জানলাম, তিনি বিসিএস দিয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে জয়েন করেছেন। তখন আমাদের মোবাইল ফোন ছিল না। ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ টোটালি বন্ধ হয়ে যায়।
দীর্ঘ ২৬ বছর পর সেই রিমন ভাইয়ের ফোন নাম্বার পেলাম রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর কাছে। প্রথম সাক্ষাতে আমি শুধু বললাম, আমি আতাউর রহমান কাবুল। ‌ একরকম চমকে গিয়ে সবার সামনে বললেন, ‘এই তোমাকে তো অনেক ইয়াং দেখেছিলাম, তুমি তো বুড়ো হয়ে গেছো’! আমি বললাম, আপনি তো ইয়াং আছেন এখনো। তখন ভাইয়ের চুলের দিকে তাকিয়ে দেখি, না পাকেনি..।
২০০৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন রিমন ভাই। ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা ও তেজগাঁও জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর পরিস্থিতির শিকার হয়ে লন্ডনে পাড়ি জমান। আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে বিএনপিকে বিদেশ থেকে পরিচালনা করেছেন, তাঁর একান্ত সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই রিমন ভাই।
আমার খুব কাছের মানুষজনের কাছে শুনেছি, লন্ডনে যাবার পর উনার প্রথম দিককার জীবন ছিল খুব চ্যালেঞ্জের। এর মাঝেই তিনি ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন। রিমন ভাই যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা, অধ্যাপনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটিতে তিনি ‘প্রিন্সিপাল লেকচারার ইন পুলিশ এডুকেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি কেন্ট ও এসেক্স পুলিশ কলেজের অধীনে বিএসসি (সম্মান) ও গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সের প্রোগ্রাম লিডার ছিলেন। ইংল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলের সাতটি পুলিশ বাহিনীর ডিগ্রি হোল্ডার এন্ট্রি প্রোগ্রামের (ডিএইচইপি) একাডেমিক প্রধান ও একাডেমিক সততা প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় ও ডি মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা ও গবেষণা করেছেন তিনি। বিদেশ বিভুইয়ে একজন বাংলাদেশীর বিরাট মেধার পরিচয় ও অর্জন এসব।
বিগত এক-দেড় বছর ধরে এই মানুষটির সঙ্গে খুব কাছ থেকে মেশার সুযোগ হয়েছে আমার। তিনি একজন স্মার্ট, মেধাবী এবং আপাদমস্তক সৎ মানুষ। উনার সামনে ফাঁকিজুকি করার সুযোগ নেই। রাডারের মতো সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলেন।
আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমাদের শ্রদ্ধাভাজন রিমন ভাই উনার উপর অর্পিত দায়িত্ব বেশ ভালোভাবেই পালন করবেন। একজন গিয়াস উদ্দিন রিমন মানে মেধাবী, সৎ, দক্ষ, পেশাদার মানুষ। আমি মনে করি, এই পথচলা কেবল শুরু। সামনে আছে আরো অনেক চমক ইনশাআল্লাহ।
অশেষ শুভকামনা প্রিয় ভাইয়ের জন্য।

Ataur Rahman Kabul’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।