, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

১৯৭৫দুঃসময় ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক

  • প্রকাশের সময় : ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১০৪ পড়া হয়েছে

 বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রহস্যময় সভাপতির আবির্ভাব…

১৯৭৫ সালের পরবর্তী আওয়ামী লীগের যখন দুঃসময় তখন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ছিলেন শ্রদ্ধেয় সৈয়দা জোহরা তাজ উদ্দিন কিন্তু আওয়াম লীগ পরিচালনা করতেন তখন কার দুই জন প্রভাবশালী নেতা একজন আবদুল মালেক উকিল অনন্য জন বঙ্গবন্ধুর মানষপুত্র হিসেবে পরিচিত আব্দুর রাজ্জাক ভাই। তখন ছাত্রলীগ কে শক্তিশালী করতে নতুন কমিটি করার প্রযোজন মনে করলেন।
১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবায়দুল কাদের ভাই ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বাহালুল মজনুর চুন্নু ভাই এরা নির্বাচিত হয়েছিল। ওবায়দুল কাদের ভাই জেলে বন্দী থাকা অবস্থাতেই ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতির পদে মনোনীত হন।

তখন অঘোষিত আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মালেক উকিল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভাইরা নেতৃত্বেদেন তারা দুজনে ভাগ করে নেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কমিটি। তখন মূলত ছাত্রলীগের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ভাই তারই হবার কথা ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। কিন্তু রাজ্জাক ভাই এবং মালেক ভাই কমিটি ভাগ করে নেন। একজন নোয়াখালীর সভাপতি তিনি সভাপতি তৈরি করেন এবং রাজ্জাক ভাই ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তিনি তার ফরিদপুর অঞ্চলে সাধারণ সম্পাদক তৈরি করেন। সেখানের সুত্র ধরে বললে রাজনৈতিক যোগ্যতায় কাদের ভাই সভাপতি হয়েছে, সেটা বলা সুযোগ নাই। তাই অনেকেই বলে থাকেন কাদের ভাই দুঃসময়ের নেতা তাতে কোন সন্দেহ বা আপত্তি নেই। কিন্তু তখন যদি সঠিকভাবে কমিটি করা হতো তাহলে ফজলুর রহমান ভাই হতেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তখনকার সভাপতি, কাদের ভাই হতেন না। এই লবিং ও গ্রুপিং এ সভাপতি হওয়ার কারণে কাদের ভাইয়ের মধ্যে এই লোভিং গ্রুপিংটা রয়ে গেছে। সব সময় এ কারণেই তিনি সবসময় তার মাইমেন খুঁজে কমিটি দেওয়ার চেষ্টা করতেন। আমি যদি ভুল বলে থাকি এখনো ফজলুর রহমান ভাই জীবিত আছেন তাকে জিজ্ঞেস করুন। আমার তথ্য যদি ভুল হয়ে থাকে আমি সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব এবং কথা দিচ্ছি জীবনে আর কোন দিন আওয়ামী লীগ নিয়ে কোন কথা বলবো না।

Rubel Khan

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

১৯৭৫দুঃসময় ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশের সময় : ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

 বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রহস্যময় সভাপতির আবির্ভাব…

১৯৭৫ সালের পরবর্তী আওয়ামী লীগের যখন দুঃসময় তখন আওয়ামী লীগের আহবায়ক ছিলেন শ্রদ্ধেয় সৈয়দা জোহরা তাজ উদ্দিন কিন্তু আওয়াম লীগ পরিচালনা করতেন তখন কার দুই জন প্রভাবশালী নেতা একজন আবদুল মালেক উকিল অনন্য জন বঙ্গবন্ধুর মানষপুত্র হিসেবে পরিচিত আব্দুর রাজ্জাক ভাই। তখন ছাত্রলীগ কে শক্তিশালী করতে নতুন কমিটি করার প্রযোজন মনে করলেন।
১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবায়দুল কাদের ভাই ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বাহালুল মজনুর চুন্নু ভাই এরা নির্বাচিত হয়েছিল। ওবায়দুল কাদের ভাই জেলে বন্দী থাকা অবস্থাতেই ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতির পদে মনোনীত হন।

তখন অঘোষিত আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মালেক উকিল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভাইরা নেতৃত্বেদেন তারা দুজনে ভাগ করে নেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কমিটি। তখন মূলত ছাত্রলীগের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ভাই তারই হবার কথা ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। কিন্তু রাজ্জাক ভাই এবং মালেক ভাই কমিটি ভাগ করে নেন। একজন নোয়াখালীর সভাপতি তিনি সভাপতি তৈরি করেন এবং রাজ্জাক ভাই ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তিনি তার ফরিদপুর অঞ্চলে সাধারণ সম্পাদক তৈরি করেন। সেখানের সুত্র ধরে বললে রাজনৈতিক যোগ্যতায় কাদের ভাই সভাপতি হয়েছে, সেটা বলা সুযোগ নাই। তাই অনেকেই বলে থাকেন কাদের ভাই দুঃসময়ের নেতা তাতে কোন সন্দেহ বা আপত্তি নেই। কিন্তু তখন যদি সঠিকভাবে কমিটি করা হতো তাহলে ফজলুর রহমান ভাই হতেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তখনকার সভাপতি, কাদের ভাই হতেন না। এই লবিং ও গ্রুপিং এ সভাপতি হওয়ার কারণে কাদের ভাইয়ের মধ্যে এই লোভিং গ্রুপিংটা রয়ে গেছে। সব সময় এ কারণেই তিনি সবসময় তার মাইমেন খুঁজে কমিটি দেওয়ার চেষ্টা করতেন। আমি যদি ভুল বলে থাকি এখনো ফজলুর রহমান ভাই জীবিত আছেন তাকে জিজ্ঞেস করুন। আমার তথ্য যদি ভুল হয়ে থাকে আমি সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব এবং কথা দিচ্ছি জীবনে আর কোন দিন আওয়ামী লীগ নিয়ে কোন কথা বলবো না।

Rubel Khan