, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ১৭ পড়া হয়েছে
 অনলাইন সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
জাতীয় সংসদে সোমবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ব্যয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপচয় কমানো, অগ্রাধিকারহীন ব্যয় সংকোচন এবং প্রশাসনিক ব্যয়ে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয় করতে হলেও সরকার সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী প্রদানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সম্পূরক বাজেটে ব্যয় ও ঘাটতির কিছু সমন্বয় করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে সরকারি নিট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। তবে নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে সরকারি ব্যয়, বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি কিছুটা মন্থর হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংশোধিত বাজেটে বাজেট ঘাটতি প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ ৫৯ হাজার ৩৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমানো হয়েছে।

সম্পূরক বাজেটের ওপর অনুষ্ঠিত আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রাণবন্ত ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন, যা সরকারের নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।

সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী স্পিকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সকল সদস্যের প্রতি সম্পূরক আর্থিক বিবৃতিতে বর্ণিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় বাবদ দাবিকৃত মঞ্জুরি অনুমোদনের আহ্বান জানান।

 

জনপ্রিয়

অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
 অনলাইন সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
জাতীয় সংসদে সোমবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ব্যয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপচয় কমানো, অগ্রাধিকারহীন ব্যয় সংকোচন এবং প্রশাসনিক ব্যয়ে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয় করতে হলেও সরকার সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী প্রদানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সম্পূরক বাজেটে ব্যয় ও ঘাটতির কিছু সমন্বয় করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে সরকারি নিট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। তবে নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে সরকারি ব্যয়, বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি কিছুটা মন্থর হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংশোধিত বাজেটে বাজেট ঘাটতি প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ ৫৯ হাজার ৩৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমানো হয়েছে।

সম্পূরক বাজেটের ওপর অনুষ্ঠিত আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রাণবন্ত ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন, যা সরকারের নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।

সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী স্পিকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সকল সদস্যের প্রতি সম্পূরক আর্থিক বিবৃতিতে বর্ণিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় বাবদ দাবিকৃত মঞ্জুরি অনুমোদনের আহ্বান জানান।