, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের সেই ভিসানীতি বাতিল

  • প্রকাশের সময় : ০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
  • ৫৬ পড়া হয়েছে

অনলাইনশনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের বিচারক জেনেট ভার্গাস এ রায় দেন।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, রায়ে বিচারক বলেছেন- অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই নীতি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বিচারক ভার্গাস বলেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা দেওয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া নীতি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। তার ভাষ্য, কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করে দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল আইন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ভিসা স্থগিতের নীতি কার্যকর করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আওতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের নাগরিকরা পড়েন। এ ছাড়া ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ের মতো লাতিন আমেরিকার দেশ, বসনিয়া ও আলবেনিয়ার মতো বলকান অঞ্চলের দেশ এবং আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি ছিল, এসব দেশের ভিসা আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সহায়তা ও স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আসছেন। তার প্রশাসনের দাবি, এসব উদ্যোগ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারের জন্য নেওয়া হয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করছে এবং বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণের আশঙ্কা তৈরি করছে।

শুক্রবারের আদালতের রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের সেই ভিসানীতি বাতিল

প্রকাশের সময় : ০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

অনলাইনশনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের বিচারক জেনেট ভার্গাস এ রায় দেন।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, রায়ে বিচারক বলেছেন- অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ওই নীতি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বিচারক ভার্গাস বলেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা দেওয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া নীতি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। তার ভাষ্য, কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করে দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল আইন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ভিসা স্থগিতের নীতি কার্যকর করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আওতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের নাগরিকরা পড়েন। এ ছাড়া ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ের মতো লাতিন আমেরিকার দেশ, বসনিয়া ও আলবেনিয়ার মতো বলকান অঞ্চলের দেশ এবং আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি ছিল, এসব দেশের ভিসা আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সহায়তা ও স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আসছেন। তার প্রশাসনের দাবি, এসব উদ্যোগ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারের জন্য নেওয়া হয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করছে এবং বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণের আশঙ্কা তৈরি করছে।

শুক্রবারের আদালতের রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।