, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার কিভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করবে প্রশ্ন রুমিন ফারহার

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৪১ পড়া হয়েছে

অনলাইন
দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার কিভাবে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট দেওয়ার একটি সংস্কৃতি রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের সম্পূরক মঞ্জুরি দাবির ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, শেয়ারবাজার ও কর ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পুরো চাপ গিয়ে পড়বে ব্যাংক খাতের ওপর। অথচ খেলাপি ঋণের হার এরই মধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে পরবর্তী কিস্তি দিতে হলে নতুন সরকারের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতা প্রয়োজন। ফলে ভবিষ্যতে ঋণের জন্য চীন বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকার কীভাবে এ বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

জনপ্রিয়

সরকার কিভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করবে প্রশ্ন রুমিন ফারহার

প্রকাশের সময় : ০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

অনলাইন
দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার কিভাবে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ঘাটতি বাজেট দেওয়ার একটি সংস্কৃতি রয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের সম্পূরক মঞ্জুরি দাবির ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, শ্বেতপত্র অনুযায়ী গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিবছর গড়ে ১৪ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, শেয়ারবাজার ও কর ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পুরো চাপ গিয়ে পড়বে ব্যাংক খাতের ওপর। অথচ খেলাপি ঋণের হার এরই মধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সম্প্রতি জানিয়েছে, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে পরবর্তী কিস্তি দিতে হলে নতুন সরকারের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতা প্রয়োজন। ফলে ভবিষ্যতে ঋণের জন্য চীন বা অন্যান্য দেশের দিকে তাকাতে হতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকার কীভাবে এ বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।