অনলাইন
এ ঘাটতি পূরণ করা হয় দেশি-বিদেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, যার পরিশোধের চাপও বহন করতে হয়। ফলে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বাজেট বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ কোটি টাকা। জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ, আর মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার হার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
’তিনি আরো বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা রপ্তানি হ্রাস ও আমদানি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকা ব্যক্তিদের ঋণ দেওয়া হয়েছে, ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুদের হার ও ডলারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের ওপর চাপ কমাতে কৃত্রিমভাবে বিনিময় হার ধরে রাখার ফলে ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, এডিবি, বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের বাইরে অন্য উৎস থেকে ঋণ নিলে সাধারণত সুদের হার বেশি হয় এবং দ্রুত পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকার কীভাবে এ বাজেট বাস্তবায়ন করবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।





















