, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হাসনাতকে ডিম নিক্ষেপ ইস্ট লন্ডনে

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ১২৪ পড়া হয়েছে

হাসনাতকে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় তিনজনকে আটক করলো লন্ডন পুলিশ

     
অনলাইন ১৬ জুন ২০২৬,

সোমবার (স্থানীয় সময়) ইস্ট লন্ডন মসজিদ-সংলগ্ন মায়েদা গ্রিল রেস্টুরেন্টে এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান এবং বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি স্থান ত্যাগ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীরা পার্ক এলাকায় হাঁটার সময় কয়েকজন তাদের অনুসরণ করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের একটি রেস্তোরাঁয় আশ্রয় নেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের দিকে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়ে ডিম লাগে। পরে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীমের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

এ ঘটনায় এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে এলেম পার্ক এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এহতেশামুল হকের সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা ও উসকানিমূলক আচরণের চেষ্টা করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ড ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘পূর্বপরিকল্পিত উসকানির অংশ’। সংগঠনটির দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা, বিরোধী মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতার অহংকারই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কারণ হয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হাসনাতকে ডিম নিক্ষেপ ইস্ট লন্ডনে

প্রকাশের সময় : ০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

হাসনাতকে ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় তিনজনকে আটক করলো লন্ডন পুলিশ

     
অনলাইন ১৬ জুন ২০২৬,

সোমবার (স্থানীয় সময়) ইস্ট লন্ডন মসজিদ-সংলগ্ন মায়েদা গ্রিল রেস্টুরেন্টে এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান এবং বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি স্থান ত্যাগ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহ ও তার সহযোগীরা পার্ক এলাকায় হাঁটার সময় কয়েকজন তাদের অনুসরণ করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের একটি রেস্তোরাঁয় আশ্রয় নেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের দিকে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়ে ডিম লাগে। পরে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীমের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

এ ঘটনায় এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে এলেম পার্ক এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এহতেশামুল হকের সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা ও উসকানিমূলক আচরণের চেষ্টা করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ড ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘পূর্বপরিকল্পিত উসকানির অংশ’। সংগঠনটির দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে এ ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা, বিরোধী মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতার অহংকারই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কারণ হয়েছে।