তার চরিত্রে অনর্গল অবিস্মরণীয় মুহূর্তের মালা গেঁথে গেছে, কী সহজ সাবলীল উপচেপড়া প্রতিভার প্রবুদ্ধ প্রকাশে প্রসেনজিৎ! এবং প্রসেনজিৎ প্রতিটি মুহূর্তে আগের মুহূর্তের সীমানা ছাড়িয়ে, আরও গভীর, আরও প্রসারী, আরও স্পর্শময়, আরও সংবেদী! এই ছবির গূঢ়তম অভিমান প্রসেনজিৎ। শেষ পর্যন্ত অনির্ণেয় রহস্য প্রসেনজিৎ। এবং ক্রমাগত প্রসারিত আকাশ প্রসেনজিৎ। আমি বিস্মিত। মুগ্ধ। তার প্রতিভার কাছে কৃতজ্ঞ। এই ছবির গল্প লিখেছে যিশু, যিশু সেনগুপ্ত, বিখ্যাত অভিনেতা। সে গল্পটা ভেবেছে, লিখেছে, ক্যামেরায় চোখ রেখে, সিনেমার ইডিয়ামে। সিম্পলি ব্রিলিয়ান্ট, যেভাবে সে গল্পে মিশিয়ে খোলা ছাদে অসংখ্য মোমবাতির গলন তার আর শুভশ্রীর (ছবিতে শুধু ‘শ্রী’ সন্ধ্যারাগ অর্থে) হৃদয় গলনের সঙ্গে। এবং যিশুর সমস্ত গল্প জুড়ে এক ম্যাজিক তারল্য, অভিমানের।

ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের কাব্যিক এবং সৃজনমুখর পরিচালনায় ‘অভিমান’ ছবিতে অবিস্মরণীয় মুহূর্তের ছড়াছড়ি। ‘অভিমান’ ছবির প্রধান চরিত্র গানের রকস্টার আকাশ চ্যাটার্জি।
বহু বছর আগে উত্তম কুমারকে প্রশ্ন করেছিলাম, একটা সিনেমা কীসের জোরে হিট করে? গল্প? উত্তমের উত্তর : গল্প নয়, মুহূর্ত, চোখ বুজলেই যে সব মুহূর্ত মন আলো করে ভেসে আসে, মোমেন্টস যা ভোলা যায় না। তবে, গল্পের প্লট এমন হতে হবে যাতে এই রকম মনে রাখার মতো মুহূর্ত তৈরি করা যায়। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের কাব্যিক এবং সৃজনমুখর পরিচালনায় ‘অভিমান’ ছবিতে অবিস্মরণীয় মুহূর্তের ছড়াছড়ি। আর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত প্রতিটি মুহূর্তই তো তাই। আটকে যায় মুগ্ধতায়, স্মৃতিতে। ‘অভিমান’ ছবির প্রধান চরিত্র গানের রকস্টার আকাশ চ্যাটার্জি।





















