, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৬৯ পড়া হয়েছে

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রথম বড় কর্মসূচি হিসেবে কলকাতার কেন্দ্রস্থলে একটি ‘অনশন কর্মসূচি’ পালন করছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতাদের ওপর হামলা ও দল ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে ভোট কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং এখন ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতা ও তার ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলেন তিনি।
সম্প্রতি দল থেকে বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতা তৃণমূলের বর্তমান বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এবং মমতার ডাকা বৈঠকে অধিকাংশ বিধায়কের অনুপস্থিতি দলীয় অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস এখন কঠিন সময় পার করছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

অনশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রথম বড় কর্মসূচি হিসেবে কলকাতার কেন্দ্রস্থলে একটি ‘অনশন কর্মসূচি’ পালন করছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতাদের ওপর হামলা ও দল ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে ভোট কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং এখন ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতা ও তার ভাতিজা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তোলেন তিনি।
সম্প্রতি দল থেকে বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতা তৃণমূলের বর্তমান বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এবং মমতার ডাকা বৈঠকে অধিকাংশ বিধায়কের অনুপস্থিতি দলীয় অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস এখন কঠিন সময় পার করছে।