, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বড়বোনেরা মায়ের মত হয়

  • প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১১৭ পড়া হয়েছে
অনলাইন০৪ জুলাই, ২০২৬:  বড়বোনেরা মায়ের মত হয়। সকালে গোসল করিয়ে স্কুলে পাঠায়। বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে এলে শরীরের ঘাম মুছে দিয়ে ভাত খাইয়ে দেয়। রাত্রে ঘুমুতে যাওয়ার আগে মুখের পেলবে সারাদিনের মায়া বসিয়ে তারপর নিজে ঘুমায়। প্রতিদিনের এই প্রাণের প্রহরে মায়ের অগোচরে তিনিই-তো মায়ের আসনে বসে থাকতে থাকতে নিজেই কখন মা হয়ে যান; না জানলেও তিনি, ভাইটি তার ঠিকই জেনে যায়। জেনে যাওয়ার এই প্রাণের পাওয়ার সাথে আত্মার অপার্থিব হাওয়াগুলি মিলে-মিশে একাকার হয়ে মদিরায় মাতন জাগিয়ে ঐশ্বরিক যে সুবাস ছড়িয়ে দেয়, তার সুরভিতে কেড়ে নেয়া মন আমার বড়আপার করকমলে জীবনের যাবতীয় অপরাধবোধগুলিকে স্বীকারোক্তির সাজিতে সমর্পিত করে থরো-থরো কম্পনে তাকিয়ে থাকি যখন দুচোখ মেলে; আপা-তো নয়; মায়ের আসনে তখন আপার বদনে দেখিঃ মায়েরই প্রতিরূপ এক মায়াবতী নারী থরে থরে জড়িয়ে রাখা মায়ার সোহাগী মাখায় ওরণার আঁচলে ঘেমে যাওয়া মুখখানি মুছিয়ে দিতে দিতে বলছেন আমাকেঃ
অপরাধের স্বীকারোক্তি ব্যতিত পুনরুত্থান সম্ভব নয়।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বড়বোনেরা মায়ের মত হয়

প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
অনলাইন০৪ জুলাই, ২০২৬:  বড়বোনেরা মায়ের মত হয়। সকালে গোসল করিয়ে স্কুলে পাঠায়। বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে এলে শরীরের ঘাম মুছে দিয়ে ভাত খাইয়ে দেয়। রাত্রে ঘুমুতে যাওয়ার আগে মুখের পেলবে সারাদিনের মায়া বসিয়ে তারপর নিজে ঘুমায়। প্রতিদিনের এই প্রাণের প্রহরে মায়ের অগোচরে তিনিই-তো মায়ের আসনে বসে থাকতে থাকতে নিজেই কখন মা হয়ে যান; না জানলেও তিনি, ভাইটি তার ঠিকই জেনে যায়। জেনে যাওয়ার এই প্রাণের পাওয়ার সাথে আত্মার অপার্থিব হাওয়াগুলি মিলে-মিশে একাকার হয়ে মদিরায় মাতন জাগিয়ে ঐশ্বরিক যে সুবাস ছড়িয়ে দেয়, তার সুরভিতে কেড়ে নেয়া মন আমার বড়আপার করকমলে জীবনের যাবতীয় অপরাধবোধগুলিকে স্বীকারোক্তির সাজিতে সমর্পিত করে থরো-থরো কম্পনে তাকিয়ে থাকি যখন দুচোখ মেলে; আপা-তো নয়; মায়ের আসনে তখন আপার বদনে দেখিঃ মায়েরই প্রতিরূপ এক মায়াবতী নারী থরে থরে জড়িয়ে রাখা মায়ার সোহাগী মাখায় ওরণার আঁচলে ঘেমে যাওয়া মুখখানি মুছিয়ে দিতে দিতে বলছেন আমাকেঃ
অপরাধের স্বীকারোক্তি ব্যতিত পুনরুত্থান সম্ভব নয়।