, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা২০.৫৫% ইংলিশদের ২১.৯৪% দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী নন্দীগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত কোম্পানীগঞ্জ আজ… দূরেরোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত :কাদের মির্জা _এবং বাদল এর দাম্ভিকতা বন্যায় ৫০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার সড়ক সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন আইরিন খান কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন! সুলতান মো মনসুর আহমদেরমুক্তিচাই নাফিজ সরাফাতের কতিপয় দূর্নীতি গুলশান-এ ২০ তলা ভবন শহীদ মেহেরুননেসাকে হ//ত্যার পারে চুলের বেণী দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে টাঙিয়ে রাখে

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
  • ৭ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেয়া আইএমএফের আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। সেই কর্মসূচিতে এমন অনেকগুলো শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার পূর্বের প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসেছে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মূল চিন্তা টাকা পাওয়া নিয়ে নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করে, এমন একটি নতুন প্রোগ্রামে আমরা যাচ্ছি। যে কর্মসূচিতেই আমরা যাই না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।

এসময় প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একজন অত্যন্ত সৎ ও যোগ্য মানুষ ছিলেন। আমাদের রাজনীতিতে তার অবদান অপরিসীম। তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমির খসরু জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের বর্তমান ভিসা নীতি রিভাইজ বা সংশোধন করা দরকার। এই নীতিকে আরো সহজ ও আধুনিক করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতি আধুনিকীকরণের ফলে দেশে বিদেশী পর্যটকদের আগমন বাড়বে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো সুদৃঢ় হবে।

জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা২০.৫৫% ইংলিশদের ২১.৯৪%

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেয়া আইএমএফের আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। সেই কর্মসূচিতে এমন অনেকগুলো শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার পূর্বের প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসেছে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মূল চিন্তা টাকা পাওয়া নিয়ে নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করে, এমন একটি নতুন প্রোগ্রামে আমরা যাচ্ছি। যে কর্মসূচিতেই আমরা যাই না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।

এসময় প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একজন অত্যন্ত সৎ ও যোগ্য মানুষ ছিলেন। আমাদের রাজনীতিতে তার অবদান অপরিসীম। তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমির খসরু জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের বর্তমান ভিসা নীতি রিভাইজ বা সংশোধন করা দরকার। এই নীতিকে আরো সহজ ও আধুনিক করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতি আধুনিকীকরণের ফলে দেশে বিদেশী পর্যটকদের আগমন বাড়বে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো সুদৃঢ় হবে।