, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ১২৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেয়া আইএমএফের আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। সেই কর্মসূচিতে এমন অনেকগুলো শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার পূর্বের প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসেছে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মূল চিন্তা টাকা পাওয়া নিয়ে নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করে, এমন একটি নতুন প্রোগ্রামে আমরা যাচ্ছি। যে কর্মসূচিতেই আমরা যাই না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।

এসময় প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একজন অত্যন্ত সৎ ও যোগ্য মানুষ ছিলেন। আমাদের রাজনীতিতে তার অবদান অপরিসীম। তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমির খসরু জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের বর্তমান ভিসা নীতি রিভাইজ বা সংশোধন করা দরকার। এই নীতিকে আরো সহজ ও আধুনিক করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতি আধুনিকীকরণের ফলে দেশে বিদেশী পর্যটকদের আগমন বাড়বে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো সুদৃঢ় হবে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১২ জুলাই,২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেয়া আইএমএফের আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। সেই কর্মসূচিতে এমন অনেকগুলো শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার পূর্বের প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসেছে
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ ও দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে। দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের মূল চিন্তা টাকা পাওয়া নিয়ে নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। জনগণের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করে, এমন একটি নতুন প্রোগ্রামে আমরা যাচ্ছি। যে কর্মসূচিতেই আমরা যাই না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।

এসময় প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একজন অত্যন্ত সৎ ও যোগ্য মানুষ ছিলেন। আমাদের রাজনীতিতে তার অবদান অপরিসীম। তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমির খসরু জানান, দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থা বাড়াতে বর্তমান ভিসা নীতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের বর্তমান ভিসা নীতি রিভাইজ বা সংশোধন করা দরকার। এই নীতিকে আরো সহজ ও আধুনিক করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতি আধুনিকীকরণের ফলে দেশে বিদেশী পর্যটকদের আগমন বাড়বে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ওপর আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো সুদৃঢ় হবে।