, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতিসাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের প্রস্তুতি:’বঙ্গভবন

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,
সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে নিজের স্বাক্ষরিত পত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের বরাবর জমা দিতে হয়।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন কেউ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদই রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার মেয়াদকাল ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময়। তার দায়িত্ব পালনকালেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকাল এবং সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দেশের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিন জন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েছেন তিনি।

 

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতিসাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের প্রস্তুতি:’বঙ্গভবন

প্রকাশের সময় : ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
অনলাইন : ২৪ জুলাই ২০২৬,
সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে নিজের স্বাক্ষরিত পত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের বরাবর জমা দিতে হয়।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন কেউ নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদই রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার মেয়াদকাল ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময়। তার দায়িত্ব পালনকালেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকাল এবং সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া দেশের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিন জন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েছেন তিনি।