, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ আর চেতনা কোথায়?

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই

৭১ এর পরে…
এদেশে যত রাজাকাররা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারা তাদের প্রজন্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে যার ফলে রাজাকারদের প্রজন্মের কর্মের অভাব নেই, আর মুক্তিযোদ্ধারা কেবল সরকারের প্রতি নির্ভরশীল। এদেশে অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের‌ই প্রতিষ্ঠিত অনেক প্রতিষ্ঠান আছে তার সংখ্যা রাজাকারদের তুলনায় অনেক বেশি। কেন সেখানে মুক্তিযোদ্ধা , মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মের অগ্রাধিকার নেই? এমনকি দেখা যায় মুক্তিযোদ্ধার প্রতিষ্ঠানে অবলিলায় সুযোগ পাচ্ছে রাজাকারদের প্রজন্ম। কিন্তু কেন আমরা শুধু সরকারের কাছে দাবী তুলবো নিজেদের প্রতিষ্ঠানে সুযোগ না দিয়ে??
তাই আমার একান্ত অনুরোধ, প্রতিষ্ঠিত সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যারা ৭১ এর পরে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন তারা নিজেদের প্রজন্মকে রক্ষা করতে, শুরু করেন নিজ প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, প্রজন্মদের লালন করে , শুধু সরকারের কাছে দাবী না তুলে। তাহলে আপনার দেখাদেখি সরকার ও এগিয়ে আসবে এবং মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মকে হতে হবেনা লাঞ্চিত বিভিন্ন দরবারে।
স্বধীনতার পরে রাজনৈতিক আগ্রাসনে ভুলন্ঠিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মুক্তির লক্ষ্যে আমি আমি ২০১২ সাল থেকে স্ব-উদ্যোগে শুরু করি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করণ কর্মকান্ড, কিন্তু দেখা যার এই মহৎ উদ্যোগ কে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করে চলেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তই।
তাহলে মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ আর চেতনা কোথায়।

মাসুদুল করিম অরিয়ন’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ আর চেতনা কোথায়?

প্রকাশের সময় : ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই

৭১ এর পরে…
এদেশে যত রাজাকাররা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারা তাদের প্রজন্মকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে যার ফলে রাজাকারদের প্রজন্মের কর্মের অভাব নেই, আর মুক্তিযোদ্ধারা কেবল সরকারের প্রতি নির্ভরশীল। এদেশে অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের‌ই প্রতিষ্ঠিত অনেক প্রতিষ্ঠান আছে তার সংখ্যা রাজাকারদের তুলনায় অনেক বেশি। কেন সেখানে মুক্তিযোদ্ধা , মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্মের অগ্রাধিকার নেই? এমনকি দেখা যায় মুক্তিযোদ্ধার প্রতিষ্ঠানে অবলিলায় সুযোগ পাচ্ছে রাজাকারদের প্রজন্ম। কিন্তু কেন আমরা শুধু সরকারের কাছে দাবী তুলবো নিজেদের প্রতিষ্ঠানে সুযোগ না দিয়ে??
তাই আমার একান্ত অনুরোধ, প্রতিষ্ঠিত সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যারা ৭১ এর পরে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন তারা নিজেদের প্রজন্মকে রক্ষা করতে, শুরু করেন নিজ প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, প্রজন্মদের লালন করে , শুধু সরকারের কাছে দাবী না তুলে। তাহলে আপনার দেখাদেখি সরকার ও এগিয়ে আসবে এবং মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মকে হতে হবেনা লাঞ্চিত বিভিন্ন দরবারে।
স্বধীনতার পরে রাজনৈতিক আগ্রাসনে ভুলন্ঠিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মুক্তির লক্ষ্যে আমি আমি ২০১২ সাল থেকে স্ব-উদ্যোগে শুরু করি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করণ কর্মকান্ড, কিন্তু দেখা যার এই মহৎ উদ্যোগ কে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করে চলেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তই।
তাহলে মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ আর চেতনা কোথায়।

মাসুদুল করিম অরিয়ন’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।