, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“আজাদী না গোলামী” বলে ২০২৪ সালে পাকিস্তান জিন্দাবাদের মেলা বসেছিল ঢাকা

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬,

“আজাদী না গোলামী” বলে ২০২৪ সালে পাকিস্তান জিন্দাবাদের মেলা বসেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে। মাত্র দুই বছর না যেতেই আজাদী ইনকিলাব জিন্দালাশ হয়ে কেন বের হচ্ছে ⁉️
🟡কথা ছিল, ” দিল্লী না ঢাকা ” স্লোগান দিয়ে জনগণকে বেকুব বানিয়ে, ছাত্রলীগের লুঙ্গির তলা থেকে ছাত্রশিবির হয়ে বের হয়ে , বাংলাদেশকে ভারতের দালাল শেখ হাসিনা মুক্ত করে একটি আধুনিক ও উন্নত স্বাধীন ইসলামী রাষ্ট্র বাংলাদেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে!
🟡কথা ছিল, ” সরকার গঠন করতে পারলে আরাকান রোহিঙ্গাদের স্বাধীন আরাকান রাষ্ট্র উপহার দেয়া হবে, ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখল করে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে দেয়া হবে।
🟡কথা ছিল , বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ আজাদ হলে ইমাম মাহদী ও আবাবিল পাখি আসবে। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের সাথে একজোট হয়ে ভারতের সিকিম, কাশ্মীর ও হায়দ্রাবাদ স্বাধীন করা হবে।
🟡কথা ছিল , ” দেশটা শেখ হাসিনা মুক্ত হলে তিস্তায়
বাঁধের উপর বাঁধ নির্মাণ করা হবে!
🟡কথা ছিল, বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হলে—–
শেখ হাসিনার করা ভারতের সাথে ৮৭ টি চুক্তি বাতিল করা হবে।
🟡 কথা ছিল, ” ইসরায়েল ও আমেরিকা বয়কট হয়ে কোক ও ভারত বয়কটের ডাক দিয়ে ইনকিলাবের মিছিল ভারতের দিল্লি দখল করবে!
🔴 কিন্তু গত দুই বছর ধরে সব যেন তার উল্টো-টা
হয়ে যাচ্ছে !
🔵 বাংলাদেশের মানুষের দিল্লী দখল করার স্বপ্ন এখন ৪১০০ কিলোমিটার বাংলাদেশের সীমান্তে নাকের ডগায় পশ্চিমবঙ্গ , আসাম , ত্রিপুরা ও বিহারে বিজেপী বিজয়ী হয়ে ” জয় শ্রীরাম” ধ্বনি দিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসছে।
🟡 কথা ছিল, ” আর যদি সীমান্তে একটা গুলি চলে, আর যদি বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করা হয় , তবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে!
🔴 কিন্তু ক্ষমতার ঘ্রাণ নাকে আসতেই গত দুই বছরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে দুই শতাধিক বাংলাদেশি হত্যার পরও শাহবাগ একেবারের জন্য অবরোধ হয়নি , ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও হয়নি। বরং ক্ষমতার জন্য বিএনপি ও জামায়াত উভয়েই প্রকাশ্যে ও গোপনে মোদি সরকারের পায়ে চুমু খেয়েছে।
🟡 কথা ছিল , ” ভারতের গোলামী থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে পাকিস্তান থেকে পারমাণবিক অস্ত্র , তুরস্ক থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার , আর লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা তাদের স্বাধীন মাতৃভূমি আরাকানে ফিরে যাবে।
🔴ক্ষমতা দখলের পর , ইসলামের বিজয়ের পর , আরাকান থেকে আরও কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ঘাড়ে এসে পড়েছে। মায়ানমারের সীমান্তে শতাধিক জেলে হত্যা ও নির্যাতনের পরও ” দিল্লী না ঢাকা টু শব্দটিও করেনি। মায়ানমার সীমান্তে নিহত ৯ বছরের শিশু হুজাইফা হত্যার জন্য মায়ানমার সীমান্তে জিহাদীদের একটা মিছিলও যায়নি। ফেলানীর মতো তখন আর কারো আসমান কাঁপেনি।ফেলানী নিয়ে গদ্য ও পদ্য লেখা সুশীল চুত – সবাই হঠাৎ উধাও হয়ে গেল।
🟡 কথা ছিল , শেখ হাসিনার ২৩৪ বিলিয়ন পাচারের গল্প শুনিয়ে , ১৬ বছরে ১৬ বিলিয়ন করে শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট সাজিয়ে , মুজিবের মূর্তি ভেঙ্গে প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় রিজার্ভে ১৬ বিলিয়ন ডলার করে দুই বছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ জমা হবে!
🔴 জাতি আজ পর্যন্ত দুই বছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ জমা হওয়ার নোটিশ পায়নি। মোবাইলে নোটিফিকেশন এসেছে – ইউনূস সরকারের মতো নতুন বিএনপি ও জামায়াত সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের (২+১) = ৩ বিলিয়ন ডলার খয়রাত চাচ্ছে।এখন আর দেশের টাকা পাচার হয় না , কিন্তু দেশের সরকারের তেল , টিকা , গ্যাস , সার কেনার ক্ষমতা নাই!
🟡 কথা ছিল , শেখ হাসিনা বিদায় হলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মমতা দিদির সাথে মিলে তিস্তার নতুন পানি চুক্তি হবে!
🔴 এখন দেখছি , শেখ হাসিনার ১৯৯৬ সালে করে যাওয়া ” গঙ্গা পানি চুক্তি” এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সারা বাঙলাতেই হাহাকার লেগে গেলেও সেই চুক্তি হয়নি।মমতাও বিদায় নিয়েছে।
🟡 কথা ছিলো , নিজেদের ” গার্ডিয়ান অফ দ্য ওশান” খেতাব দিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য এক্সটেনশন করতে চীন বিনিয়োগ করবে। কিন্তু কেউ কথা রাখেনি!
🔴 পাকিস্তানের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকা বাংলাদেশের গত দুই বছরে ৬২ শতাংশ বিনিয়োগ নাই হয়ে গেছে। রপ্তানি দশ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে , প্রবৃদ্ধি অর্ধেক হয়ে গেছে। এরপরও এই দেশের আজাদী না গোলামী প্রজন্মের লজ্জা নাই। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে লুঙ্গি খুলে যাওয়ার পরও এরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিচ্ছে।
🔵 বাংলাদেশ থেকে আয়তনে ছোট হয়েও পশ্চিমবঙ্গ দিন দিন বাংলাদেশের সমকক্ষ হয়ে যাচ্ছে। ওদের রপ্তানি ১৬ বিলিয়ন ডলার , ওদের জিডিপি ২৩৬ বিলিয়ন ডলার । তার উপরে মরার উপ্রে খাঁড়ার ঘা হয়ে ক্ষমতায় পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি যেভাবে দিন দিন নীচের দিকে যাচ্ছে তাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির সমান হয়ে যাবে।তখন আজাদী না গোলামী কোন রাস্তা দিয়ে পালাবে?
🔴 আজাদী না গোলামী স্লোগান দেওয়ার পর কথা ছিল , বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। সংবিধান , জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা পরিবর্তন হবে।
কিন্তু নির্লজ্জের মতো সেই সংবিধানের আলোকেই বিএনপি ও জামায়াত শপথ নিয়েছে। তথাকথিত চুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শুধু দেশে একটা সরকার পরিবর্তন হয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়েছে।আজ পর্যন্ত কোন উন্নতি চোখে পড়েনি। পদ্মা সেতুর উপর আরেকটি পদ্মা সেতু ও বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন দেখানো এক আবাল জাতিকে বোকা বানিয়ে গত দুই বছরে দেশে কোন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন পর্যন্ত হয়নি।পৃথিবী দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে , আর বাংলাদেশ পেছনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে।আজাদী না গোলামী স্লোগান দিয়ে নির্বাচনের তিনদিন আগেই আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে আমেরিকার কোলে বসে গেছে।দেশ বিক্রির চুক্তির বিরুদ্ধে বিএনপি ও জামায়াতের এখন টু শব্দটি পর্যন্ত নাই। নির্লজ্জের মতো শেখ হাসিনার মেট্রোরেলকে মনোরেল বলে উপহাস করা জাতি এখনও সেই মেক্রোরেলে উঠেই সেলফি খিচতেছে। শেখ হাসিনার করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু , এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছাড়া এখন পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে দেখানোর জন্য তাদের আর কোন অর্জন নাই। তাই এই পঙ্গপাল থেকে বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বাঁচাতে আপনার সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষা, লোটা বিজ্ঞান শিক্ষা না দিয়ে এই নিম্নোক্ত শিক্ষা দিন –
▪️ভারত বাংলাদেশ থেকে ২২ গুণ বড়।
▪️পাকিস্তানীরা গত ৭৮ বছর ধরে ভারত দখলের স্বপ্ন দেখতে দেখতে ৯৩ হাজার সৈন্যের আত্মসমর্পণ সহ বাংলাদেশ হারাইচে।সিয়াচেন সহ অনেক জায়গা হারাইছে।খয়রাতে পাকিস্তান নামে সারাবিশ্বে উপাধি পেয়েছে। এরপরও স্বপ্নদোষ ঠিক না হওয়ায় পাকিস্তানের পশতুন ও বেলুচিস্তানে গৃহযুদ্ধ চলছে।রোজ পাকিস্তানীরা নিজ দেশ ও আফগানিস্তানের কাছে মার খাচ্ছে। এদের লজ্জা নেই বলেই বেহায়া বলা হয়।ভারত দখল এত সহজ হলে কবেই পাকিস্তান তা দখল করে নিতো!
▪️ ভারতের অর্থনীতি বাংলাদেশের থেকে কমপক্ষে
৮-১০ গুণ বড়।
▪️ সামরিক দিক থেকে ভারত বাংলাদেশ থেকে
৩৩ ধাপ এগিয়ে আছে।
▪️ ভারতের রিজার্ভ বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বড়।
▪️ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী থেকে ভারতের
সেনাবাহিনী ১৪ গুণ বড়।
▪️ভারত এখন অগ্নি – ৬ বানিয়েছে।
অগ্নি – ৭ আসছে যেকোন মুহুর্তে।
▪️ বাংলাদেশ খয়রাতে পাকিস্তান হতে হতে
ভারতীয়রা চাঁদ ও মঙ্গলের মাটিতে পা রাখবে।
▪️ মহাকাশ গবেষণায় বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে
কমপক্ষে ৫০ বছর পিছিয়ে আছে।
▪️ ভারতের কাছে ১৯০ টি পারমাণবিক অস্ত্র আছে। বাংলাদেশের যৌন জিহাদীদের কাছে অন্ডকোষের চুলকানি ছাড়া আর কিছুই নাই।
▪️ ভারতের সমন্বিত অর্থনীতি ৪.৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
এই জায়গায় পৌঁছতে বাংলাদেশের কম করে হলেও
শত বছর লাগবে।
▪️ভারত পারমাণবিক ট্রায়াডের মালিক।
বাংলাদেশের মগজের ভাইরাস ছাড়া আর কিছুই নেই।
ভারত দখল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বপ্নদোষ
ছাড়া আর কিছুই নয়!
দেশ যেভাবে চলতেছে ” গুজব ও গজব ভাইরাসে ” তাতে আগামী পাঁচ বছর পর বাংলাদেশকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীই যথেষ্ঠ।মশা মারতে কামান না দাগিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা বাংলাদেশের লোটা বিজ্ঞান ভাইরাসের বিরুদ্ধে তাদের মগজ ব্যবহার করে জবাব দিবে।আসাম থেকে অতীতে জবাব এসেছে।এখন পশ্চিমবঙ্গ , ত্রিপুরা , বিহার সব জায়গা থেকে জবাব আসবে। আজাদী না গোলামী ঢাকা হয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ হয়ে গেছে।আর কয়েকবছর পর বাংলাদেশের তথাকথিত বাঙ্গু জিহাদীদের উষ্টা মারার জন্য মায়ানমার প্রস্তুত হচ্ছে। বাঁশ পৃথিবীর সব দিক থেকে আসতেছে। হামে সবেমাত্র ৪০০ শিশু মারা গেছে।
সার কারখানা যেভাবে বন্ধ হতে শুরু করেছে তাতে আগামীতে কৃষকও ভাতে মরবে। গঙ্গা ও তিস্তার জল দুটোই বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ এলাকা মরুভুমিতে পরিণত হবে। পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিতে না পেরে যারা ইনকিলাব জিন্দালাশ দিয়ে বাংলাদেশ ধ্বংস করেছে এদের চিহ্নিত করে রাখুন। মানুষ ও প্রকৃতির অভিশাপেই এই বঙ্গপাল বাংলাদেশের মাটি থেকে চিরতরে উৎখাত হবে।
আলো আসবেই ✌️ ইনশাআল্লাহ
আলেকজান্ডার বুসেফেলাস
১১-০৫-২০২৬[কপিপোষ্ট ]

Moshfiqur Rahaman Manik’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

“আজাদী না গোলামী” বলে ২০২৪ সালে পাকিস্তান জিন্দাবাদের মেলা বসেছিল ঢাকা

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬,

“আজাদী না গোলামী” বলে ২০২৪ সালে পাকিস্তান জিন্দাবাদের মেলা বসেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে। মাত্র দুই বছর না যেতেই আজাদী ইনকিলাব জিন্দালাশ হয়ে কেন বের হচ্ছে ⁉️
🟡কথা ছিল, ” দিল্লী না ঢাকা ” স্লোগান দিয়ে জনগণকে বেকুব বানিয়ে, ছাত্রলীগের লুঙ্গির তলা থেকে ছাত্রশিবির হয়ে বের হয়ে , বাংলাদেশকে ভারতের দালাল শেখ হাসিনা মুক্ত করে একটি আধুনিক ও উন্নত স্বাধীন ইসলামী রাষ্ট্র বাংলাদেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে!
🟡কথা ছিল, ” সরকার গঠন করতে পারলে আরাকান রোহিঙ্গাদের স্বাধীন আরাকান রাষ্ট্র উপহার দেয়া হবে, ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখল করে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে দেয়া হবে।
🟡কথা ছিল , বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ আজাদ হলে ইমাম মাহদী ও আবাবিল পাখি আসবে। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের সাথে একজোট হয়ে ভারতের সিকিম, কাশ্মীর ও হায়দ্রাবাদ স্বাধীন করা হবে।
🟡কথা ছিল , ” দেশটা শেখ হাসিনা মুক্ত হলে তিস্তায়
বাঁধের উপর বাঁধ নির্মাণ করা হবে!
🟡কথা ছিল, বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হলে—–
শেখ হাসিনার করা ভারতের সাথে ৮৭ টি চুক্তি বাতিল করা হবে।
🟡 কথা ছিল, ” ইসরায়েল ও আমেরিকা বয়কট হয়ে কোক ও ভারত বয়কটের ডাক দিয়ে ইনকিলাবের মিছিল ভারতের দিল্লি দখল করবে!
🔴 কিন্তু গত দুই বছর ধরে সব যেন তার উল্টো-টা
হয়ে যাচ্ছে !
🔵 বাংলাদেশের মানুষের দিল্লী দখল করার স্বপ্ন এখন ৪১০০ কিলোমিটার বাংলাদেশের সীমান্তে নাকের ডগায় পশ্চিমবঙ্গ , আসাম , ত্রিপুরা ও বিহারে বিজেপী বিজয়ী হয়ে ” জয় শ্রীরাম” ধ্বনি দিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসছে।
🟡 কথা ছিল, ” আর যদি সীমান্তে একটা গুলি চলে, আর যদি বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করা হয় , তবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে!
🔴 কিন্তু ক্ষমতার ঘ্রাণ নাকে আসতেই গত দুই বছরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে দুই শতাধিক বাংলাদেশি হত্যার পরও শাহবাগ একেবারের জন্য অবরোধ হয়নি , ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও হয়নি। বরং ক্ষমতার জন্য বিএনপি ও জামায়াত উভয়েই প্রকাশ্যে ও গোপনে মোদি সরকারের পায়ে চুমু খেয়েছে।
🟡 কথা ছিল , ” ভারতের গোলামী থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে পাকিস্তান থেকে পারমাণবিক অস্ত্র , তুরস্ক থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার , আর লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা তাদের স্বাধীন মাতৃভূমি আরাকানে ফিরে যাবে।
🔴ক্ষমতা দখলের পর , ইসলামের বিজয়ের পর , আরাকান থেকে আরও কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ঘাড়ে এসে পড়েছে। মায়ানমারের সীমান্তে শতাধিক জেলে হত্যা ও নির্যাতনের পরও ” দিল্লী না ঢাকা টু শব্দটিও করেনি। মায়ানমার সীমান্তে নিহত ৯ বছরের শিশু হুজাইফা হত্যার জন্য মায়ানমার সীমান্তে জিহাদীদের একটা মিছিলও যায়নি। ফেলানীর মতো তখন আর কারো আসমান কাঁপেনি।ফেলানী নিয়ে গদ্য ও পদ্য লেখা সুশীল চুত – সবাই হঠাৎ উধাও হয়ে গেল।
🟡 কথা ছিল , শেখ হাসিনার ২৩৪ বিলিয়ন পাচারের গল্প শুনিয়ে , ১৬ বছরে ১৬ বিলিয়ন করে শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট সাজিয়ে , মুজিবের মূর্তি ভেঙ্গে প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় রিজার্ভে ১৬ বিলিয়ন ডলার করে দুই বছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ জমা হবে!
🔴 জাতি আজ পর্যন্ত দুই বছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ জমা হওয়ার নোটিশ পায়নি। মোবাইলে নোটিফিকেশন এসেছে – ইউনূস সরকারের মতো নতুন বিএনপি ও জামায়াত সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের (২+১) = ৩ বিলিয়ন ডলার খয়রাত চাচ্ছে।এখন আর দেশের টাকা পাচার হয় না , কিন্তু দেশের সরকারের তেল , টিকা , গ্যাস , সার কেনার ক্ষমতা নাই!
🟡 কথা ছিল , শেখ হাসিনা বিদায় হলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মমতা দিদির সাথে মিলে তিস্তার নতুন পানি চুক্তি হবে!
🔴 এখন দেখছি , শেখ হাসিনার ১৯৯৬ সালে করে যাওয়া ” গঙ্গা পানি চুক্তি” এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সারা বাঙলাতেই হাহাকার লেগে গেলেও সেই চুক্তি হয়নি।মমতাও বিদায় নিয়েছে।
🟡 কথা ছিলো , নিজেদের ” গার্ডিয়ান অফ দ্য ওশান” খেতাব দিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য এক্সটেনশন করতে চীন বিনিয়োগ করবে। কিন্তু কেউ কথা রাখেনি!
🔴 পাকিস্তানের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকা বাংলাদেশের গত দুই বছরে ৬২ শতাংশ বিনিয়োগ নাই হয়ে গেছে। রপ্তানি দশ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে , প্রবৃদ্ধি অর্ধেক হয়ে গেছে। এরপরও এই দেশের আজাদী না গোলামী প্রজন্মের লজ্জা নাই। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে লুঙ্গি খুলে যাওয়ার পরও এরা পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিচ্ছে।
🔵 বাংলাদেশ থেকে আয়তনে ছোট হয়েও পশ্চিমবঙ্গ দিন দিন বাংলাদেশের সমকক্ষ হয়ে যাচ্ছে। ওদের রপ্তানি ১৬ বিলিয়ন ডলার , ওদের জিডিপি ২৩৬ বিলিয়ন ডলার । তার উপরে মরার উপ্রে খাঁড়ার ঘা হয়ে ক্ষমতায় পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি যেভাবে দিন দিন নীচের দিকে যাচ্ছে তাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির সমান হয়ে যাবে।তখন আজাদী না গোলামী কোন রাস্তা দিয়ে পালাবে?
🔴 আজাদী না গোলামী স্লোগান দেওয়ার পর কথা ছিল , বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। সংবিধান , জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা পরিবর্তন হবে।
কিন্তু নির্লজ্জের মতো সেই সংবিধানের আলোকেই বিএনপি ও জামায়াত শপথ নিয়েছে। তথাকথিত চুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে শুধু দেশে একটা সরকার পরিবর্তন হয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়েছে।আজ পর্যন্ত কোন উন্নতি চোখে পড়েনি। পদ্মা সেতুর উপর আরেকটি পদ্মা সেতু ও বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন দেখানো এক আবাল জাতিকে বোকা বানিয়ে গত দুই বছরে দেশে কোন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন পর্যন্ত হয়নি।পৃথিবী দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে , আর বাংলাদেশ পেছনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে।আজাদী না গোলামী স্লোগান দিয়ে নির্বাচনের তিনদিন আগেই আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি করে আমেরিকার কোলে বসে গেছে।দেশ বিক্রির চুক্তির বিরুদ্ধে বিএনপি ও জামায়াতের এখন টু শব্দটি পর্যন্ত নাই। নির্লজ্জের মতো শেখ হাসিনার মেট্রোরেলকে মনোরেল বলে উপহাস করা জাতি এখনও সেই মেক্রোরেলে উঠেই সেলফি খিচতেছে। শেখ হাসিনার করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু , এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছাড়া এখন পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে দেখানোর জন্য তাদের আর কোন অর্জন নাই। তাই এই পঙ্গপাল থেকে বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বাঁচাতে আপনার সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষা, লোটা বিজ্ঞান শিক্ষা না দিয়ে এই নিম্নোক্ত শিক্ষা দিন –
▪️ভারত বাংলাদেশ থেকে ২২ গুণ বড়।
▪️পাকিস্তানীরা গত ৭৮ বছর ধরে ভারত দখলের স্বপ্ন দেখতে দেখতে ৯৩ হাজার সৈন্যের আত্মসমর্পণ সহ বাংলাদেশ হারাইচে।সিয়াচেন সহ অনেক জায়গা হারাইছে।খয়রাতে পাকিস্তান নামে সারাবিশ্বে উপাধি পেয়েছে। এরপরও স্বপ্নদোষ ঠিক না হওয়ায় পাকিস্তানের পশতুন ও বেলুচিস্তানে গৃহযুদ্ধ চলছে।রোজ পাকিস্তানীরা নিজ দেশ ও আফগানিস্তানের কাছে মার খাচ্ছে। এদের লজ্জা নেই বলেই বেহায়া বলা হয়।ভারত দখল এত সহজ হলে কবেই পাকিস্তান তা দখল করে নিতো!
▪️ ভারতের অর্থনীতি বাংলাদেশের থেকে কমপক্ষে
৮-১০ গুণ বড়।
▪️ সামরিক দিক থেকে ভারত বাংলাদেশ থেকে
৩৩ ধাপ এগিয়ে আছে।
▪️ ভারতের রিজার্ভ বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বড়।
▪️ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী থেকে ভারতের
সেনাবাহিনী ১৪ গুণ বড়।
▪️ভারত এখন অগ্নি – ৬ বানিয়েছে।
অগ্নি – ৭ আসছে যেকোন মুহুর্তে।
▪️ বাংলাদেশ খয়রাতে পাকিস্তান হতে হতে
ভারতীয়রা চাঁদ ও মঙ্গলের মাটিতে পা রাখবে।
▪️ মহাকাশ গবেষণায় বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে
কমপক্ষে ৫০ বছর পিছিয়ে আছে।
▪️ ভারতের কাছে ১৯০ টি পারমাণবিক অস্ত্র আছে। বাংলাদেশের যৌন জিহাদীদের কাছে অন্ডকোষের চুলকানি ছাড়া আর কিছুই নাই।
▪️ ভারতের সমন্বিত অর্থনীতি ৪.৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
এই জায়গায় পৌঁছতে বাংলাদেশের কম করে হলেও
শত বছর লাগবে।
▪️ভারত পারমাণবিক ট্রায়াডের মালিক।
বাংলাদেশের মগজের ভাইরাস ছাড়া আর কিছুই নেই।
ভারত দখল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বপ্নদোষ
ছাড়া আর কিছুই নয়!
দেশ যেভাবে চলতেছে ” গুজব ও গজব ভাইরাসে ” তাতে আগামী পাঁচ বছর পর বাংলাদেশকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীই যথেষ্ঠ।মশা মারতে কামান না দাগিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা বাংলাদেশের লোটা বিজ্ঞান ভাইরাসের বিরুদ্ধে তাদের মগজ ব্যবহার করে জবাব দিবে।আসাম থেকে অতীতে জবাব এসেছে।এখন পশ্চিমবঙ্গ , ত্রিপুরা , বিহার সব জায়গা থেকে জবাব আসবে। আজাদী না গোলামী ঢাকা হয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ হয়ে গেছে।আর কয়েকবছর পর বাংলাদেশের তথাকথিত বাঙ্গু জিহাদীদের উষ্টা মারার জন্য মায়ানমার প্রস্তুত হচ্ছে। বাঁশ পৃথিবীর সব দিক থেকে আসতেছে। হামে সবেমাত্র ৪০০ শিশু মারা গেছে।
সার কারখানা যেভাবে বন্ধ হতে শুরু করেছে তাতে আগামীতে কৃষকও ভাতে মরবে। গঙ্গা ও তিস্তার জল দুটোই বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ এলাকা মরুভুমিতে পরিণত হবে। পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিতে না পেরে যারা ইনকিলাব জিন্দালাশ দিয়ে বাংলাদেশ ধ্বংস করেছে এদের চিহ্নিত করে রাখুন। মানুষ ও প্রকৃতির অভিশাপেই এই বঙ্গপাল বাংলাদেশের মাটি থেকে চিরতরে উৎখাত হবে।
আলো আসবেই ✌️ ইনশাআল্লাহ
আলেকজান্ডার বুসেফেলাস
১১-০৫-২০২৬[কপিপোষ্ট ]

Moshfiqur Rahaman Manik’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।