, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

১৯৭১ সালের ১৪ই আগস্ট তিনি রাজাকারদের হাতে শহীদ হন।

  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৬১ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬:

অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামের প্রারম্ভেই খুলনার তেরখাদা অঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন স্থানীয় ছাত্রনেতা সরফরাজ। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর তিনি প্রথমদিকে স্থানীয়ভাবে গঠিত ‘নর্থ খুলনা মুক্তিবাহিনী’র সংগে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সশস্ত্র যুদ্ধ পুরোদমে শুরু হলে মেজর জলিলের নেতৃত্বাধীন ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে কমান্ডার ফহম উদ্দিনের দলে যোগ দিয়ে সরাসরি রণাঙ্গনে লড়াই চালিয়ে যান।
এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ১৪ই আগস্ট তিনি রাজাকারদের হাতে বন্দী হন। ঘাতকরা তাকে তেরখাদা ডাকবাংলোর সন্নিকটে নিয়ে গিয়ে গুলি চালায় এবং মৃত ভেবে দেহটি নদীতে ভাসিয়ে দেয়। অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থাতেই তিনি কোনোমতে সাঁতরে নড়াইলের বাওয়েলা গ্রামে পৌঁছাতে সক্ষম হন। তবে ক্ষত মারাত্মক হওয়ায় শরীরের সাথে লড়াই করে শেষ রক্ষা হয়নি; পরদিন, অর্থাৎ ১৫ই আগস্টেই এই বীর মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে সেই বাওয়েলা গ্রামেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

১৯৭১ সালের ১৪ই আগস্ট তিনি রাজাকারদের হাতে শহীদ হন।

প্রকাশের সময় : ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬:

অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামের প্রারম্ভেই খুলনার তেরখাদা অঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন স্থানীয় ছাত্রনেতা সরফরাজ। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর তিনি প্রথমদিকে স্থানীয়ভাবে গঠিত ‘নর্থ খুলনা মুক্তিবাহিনী’র সংগে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সশস্ত্র যুদ্ধ পুরোদমে শুরু হলে মেজর জলিলের নেতৃত্বাধীন ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে কমান্ডার ফহম উদ্দিনের দলে যোগ দিয়ে সরাসরি রণাঙ্গনে লড়াই চালিয়ে যান।
এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের ১৪ই আগস্ট তিনি রাজাকারদের হাতে বন্দী হন। ঘাতকরা তাকে তেরখাদা ডাকবাংলোর সন্নিকটে নিয়ে গিয়ে গুলি চালায় এবং মৃত ভেবে দেহটি নদীতে ভাসিয়ে দেয়। অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থাতেই তিনি কোনোমতে সাঁতরে নড়াইলের বাওয়েলা গ্রামে পৌঁছাতে সক্ষম হন। তবে ক্ষত মারাত্মক হওয়ায় শরীরের সাথে লড়াই করে শেষ রক্ষা হয়নি; পরদিন, অর্থাৎ ১৫ই আগস্টেই এই বীর মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে সেই বাওয়েলা গ্রামেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর