, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মুক্তিপণ দিয়েও মেলেনি মুক্তি, শিকলবন্দি অবস্থায় নিলয়কে উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
  • ৬৮ পড়া হয়েছে
অনলাইন রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে অর্থ নেওয়ার পর মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণ এবং নয় দিন শিকলবন্দি করে রাখার অভিযোগে ফরিদপুরে একটি অপহরণকারী চক্রের মূলহোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

এ সময় শিকলবন্দি অবস্থায় মো. নিলয় শিকদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ৬ আগস্ট নিলয় শিকদারকে অপহরণ করে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ভিকটিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তার পরিবার বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা পাঠালেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

র‌্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিলয়ের কাছ থেকে পাসপোর্টসহ কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে না পাঠিয়ে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় নিলয়ের শ্বশুর বাদী হয়ে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে র‌্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায়। সেখানে পায়ে শিকল ও তালা লাগানো অবস্থায় নিলয় শিকদারকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা মো. ফেরদৌস উর রহমান (৪২) ও মহুয়া আহমেদকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ আগস্ট ভোর ৪টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন মুন্সীডাঙ্গী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে এসএম মনোয়ার (৩৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের দাবি, অপহরণের পর নিলয়কে একটি কক্ষে আটকে রেখে পায়ে শিকল পরিয়ে গ্রিলের সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তাকে মারধর করা এবং দিনে মাত্র একবেলা খাবার দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

নির্যাতনের সময় চিৎকার যাতে বাইরে শোনা না যায় সেজন্য উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হতো বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে দুটি লোহার শিকল, চাবিসহ দুটি তালা, দুটি স্টিলের পাইপ, একটি চাকু, ছয়টি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মুক্তিপণ দিয়েও মেলেনি মুক্তি, শিকলবন্দি অবস্থায় নিলয়কে উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে অর্থ নেওয়ার পর মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণ এবং নয় দিন শিকলবন্দি করে রাখার অভিযোগে ফরিদপুরে একটি অপহরণকারী চক্রের মূলহোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

এ সময় শিকলবন্দি অবস্থায় মো. নিলয় শিকদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গত ৬ আগস্ট নিলয় শিকদারকে অপহরণ করে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ভিকটিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তার পরিবার বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা পাঠালেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

র‌্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিলয়ের কাছ থেকে পাসপোর্টসহ কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে না পাঠিয়ে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় নিলয়ের শ্বশুর বাদী হয়ে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে র‌্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায়। সেখানে পায়ে শিকল ও তালা লাগানো অবস্থায় নিলয় শিকদারকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা মো. ফেরদৌস উর রহমান (৪২) ও মহুয়া আহমেদকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ আগস্ট ভোর ৪টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন মুন্সীডাঙ্গী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে এসএম মনোয়ার (৩৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের দাবি, অপহরণের পর নিলয়কে একটি কক্ষে আটকে রেখে পায়ে শিকল পরিয়ে গ্রিলের সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তাকে মারধর করা এবং দিনে মাত্র একবেলা খাবার দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

নির্যাতনের সময় চিৎকার যাতে বাইরে শোনা না যায় সেজন্য উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হতো বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে দুটি লোহার শিকল, চাবিসহ দুটি তালা, দুটি স্টিলের পাইপ, একটি চাকু, ছয়টি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।