, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে যোগ্য সম্মান পাবেন:ত্রিবেদী।

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ১৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে তাকে যে সম্মানের যোগ্য, সেভাবেই সম্মান জানানো হবে বলে জানিয়েছেবে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
একই সঙ্গে অতীতের মতপার্থক্যগুলো সমাধান করে দুই দেশের সম্পর্ককে স্থবির না রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের ভিত্তি হলো পারস্পরিক ও নিঃশর্ত আস্থা।
দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম, তারা দুই পক্ষেই আকাঙ্ক্ষায় পূর্ণ।’ বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং ভারতের তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে দুই দেশকে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে তিনি যে সম্মানের যোগ্য, তাকে সেভাবেই সম্মান জানানো হবে এবং সফরটি স্মরণীয় করে তোলা হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যাতে দুই দেশের মধ্যে থাকা পার্থক্যগুলো নিয়ে কাজ করা যায়। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

​অনুষ্ঠনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এ অঞ্চলে ভারত বাংলাদেশের একটি প্রধান বাণিজ্য অংশীদার এবং বছরের পর বছর ধরে আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবু আমাদের স্বীকার করতে হবে যে এ বাণিজ্য কাঠামোগতভাবে এখনো কিছুটা ভারসাম্যহীন এবং এটি প্রকৃত সম্ভাবনার চেয়ে বেশ কম।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো দূর করা এবং উভয় পক্ষের বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য আরো বড় সুযোগ তৈরি করা।’

সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আমরা যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি এবং বাংলাদেশের শিল্প খাতের কাছ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তা এক কথায় অসাধারণ এবং দুর্দান্ত ছিল। ’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, মেট্রো চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, এফআইসিসিআই সভাপতি রূপালী চৌধুরী, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উর রহমান প্রমুখ।

জনপ্রিয়

তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে যোগ্য সম্মান পাবেন:ত্রিবেদী।

প্রকাশের সময় : ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে তাকে যে সম্মানের যোগ্য, সেভাবেই সম্মান জানানো হবে বলে জানিয়েছেবে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
একই সঙ্গে অতীতের মতপার্থক্যগুলো সমাধান করে দুই দেশের সম্পর্ককে স্থবির না রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের ভিত্তি হলো পারস্পরিক ও নিঃশর্ত আস্থা।
দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম, তারা দুই পক্ষেই আকাঙ্ক্ষায় পূর্ণ।’ বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং ভারতের তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে দুই দেশকে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে তিনি যে সম্মানের যোগ্য, তাকে সেভাবেই সম্মান জানানো হবে এবং সফরটি স্মরণীয় করে তোলা হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যাতে দুই দেশের মধ্যে থাকা পার্থক্যগুলো নিয়ে কাজ করা যায়। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

​অনুষ্ঠনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এ অঞ্চলে ভারত বাংলাদেশের একটি প্রধান বাণিজ্য অংশীদার এবং বছরের পর বছর ধরে আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবু আমাদের স্বীকার করতে হবে যে এ বাণিজ্য কাঠামোগতভাবে এখনো কিছুটা ভারসাম্যহীন এবং এটি প্রকৃত সম্ভাবনার চেয়ে বেশ কম।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো দূর করা এবং উভয় পক্ষের বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য আরো বড় সুযোগ তৈরি করা।’

সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আমরা যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি এবং বাংলাদেশের শিল্প খাতের কাছ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তা এক কথায় অসাধারণ এবং দুর্দান্ত ছিল। ’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, মেট্রো চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, এফআইসিসিআই সভাপতি রূপালী চৌধুরী, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উর রহমান প্রমুখ।