
ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি , ” শেখ মুজিব কম্বল চোর।” এখন বই ও পত্রিকা পড়ে অনেকেই জানে , শেখ মুজিব নন , বরং কম্বল চোর হচ্ছে আওয়ামীলীগ নেতা গাজী গোলাম মোস্তফা ।

এসব সত্য বিএনপি ও জামায়াত জাতির কাছে গোপন রেখেছিল কেন


গাজী গোলাম মোস্তফাকে কম্বল চোর না বলে শেখ মুজিবকে কম্বল চোর বলার গুজব কারা তৈরি করেছিল?

সারাজীবন শুনে এসেছি, ” শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলে শেখ কামাল মেজর ডালিমের বউ নিম্মীকে ধর্ষণ করেছেন। এজন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে ! এমনকি ” মেজর ডালিমের বউ ধর্ষণ ” এর উদাহরণ দিয়ে ১০ বছরের শিশু রাসেল ও অন্তঃসত্ত্বা আরজু মনির গর্ভের সন্তানকে ” আল্লাহু আকবার ” বলে হত্যা যায়েয করে ফেলতো বিএনপি ও জামায়াত।

বিএনপি ও জামায়াতের মতো মিথ্যাবাদী ও নষ্ট রাজনৈতিক দল এই বিশ্বে আরেকটিও পাওয়া যাবে না। এই খবিশদের রাজনীতির একটাই ভিত্তি হচ্ছে মিথ্যা ও গুজব।১৯৭৫ সাল থেকে ওরা শেখ কামাল ডালিমের বউকে ধর্ষণ করেছে, এমন সব ভুয়া অভিযোগ তুলে বঙ্গবন্ধু হত্যা যায়েয করতো। তখন আমাদের বাপ দাদারা পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলতেন , ” দোষ শেখ কামাল করেছে , তাহলে বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে হত্যা কেন

“
সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিএনপি ও জামায়াত হুমকি দিয়ে বলতো , ” শেখ হাসিনাকেও তার বাবার মতো হত্যা করা হবে! “
অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে বাংলাদেশের মধ্যে রাজনীতি করতে চায় বিএনপি ও জামায়াত। তার মানে বিএনপি ও জামায়াত হচ্ছে একটি জন্মগতভাবেই খুনীদের দল।

১৯৭৪ সালের ২২ জুন মেজর ডালিম ও গাজী গোলাম মোস্তফারর মধ্যে একটা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে গাজী গোলাম মোস্তফার লোকজন মেজর ডালিম ও তার বউকে উঠিয়ে রক্ষীবাহিনীর অফিসে নিয়ে যায়। এমন একটি ঘটনাকে দীর্ঘ ২৩ বছর পর্যন্ত ” শেখ কামাল ডালিমের বউকে ধর্ষণ করেছে ” এই ভয়াবহ মিথ্যা গুজব প্রচার করে আসছিল বিএনপি ও জামায়াত। এমন ভয়াবহ মিথ্যাবাদী রাজনৈতিক দল যেন পৃথিবীর আর কোন দেশে জন্ম না হয়।

১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেজর ডালিমের নিজ হাতে লেখা ” যা দেখেছি , যা বুঝেছি , যা করেছি ” এই বইটি প্রকাশিত হয়। ১৯৯৮ সালে এই বইটি এক বড় ভাইয়ের কল্যাণে আমার সম্পূর্ণ পড়া হয়। পুরো বইয়ের প্রতিটি শব্দ খুঁজে কোথাও মেজর ডালিমের বউ ধর্ষণ হয়েছে এমন কোন তথ্য বাংলাদেশের কোন মানুষ পায়নি। তাহলে গত ২৩ বছর ধরে এই ভয়াবহ মিথ্যা গুজব কারা বাংলাদেশে প্রচার করলো?
মেজর ডালিমের বই পড়েই জেনেছি – বিএনপি ও জামায়াত শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য ইতিহাসে হাজার হাজার মিথ্যা ছড়িয়েছে।কারণ তারা বুঝে গিয়েছিল – ” শেখ মুজিব ও তার পরিবার বেঁচে থাকলে স্বাধীনতাবিরোধীরা আর কোনদিনও এই দেশে রাজনীতি করতে পারবে না। তাই তাদের প্রথম টার্গেট হয় আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ও বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ কামাল। কারণ বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে তারা কোন অন্যায় ও দুর্নীতি খুঁজে পাচ্ছিলো না।
গাজী গোলাম মোস্তফা ও তার ছেলে কেউ মেজর ডালিমের বউকে ধর্ষণ করেননি। মেজর ডালিম তার লেখা বইয়ের কোথাও লিখেননি – গাজী গোলাম মোস্তফা ও তার ছেলে তার বউকে ধর্ষণ করেছেন। গাজী গোলাম মোস্তফা যা করছেন আইনের ভাষায় তা হচ্ছে অপহরণ।সেই সময় গাজী গোলাম মোস্তফার বাসায় আক্রমণ ও লুটপাট চালায় ” বেঙ্গল লান্সার্স ” এর সেনা সদস্যরা। এই ” বেঙ্গল লান্সার্স ” কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের ১৭ সদস্যকে হত্যা করেছে। দোষ করলো গাজী গোলাম মোস্তফা , কিন্তু খুন করলো বঙ্গবন্ধু পরিবারের নারীদের গর্ভবতী শিশু পর্যন্ত !

পৃথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে ভয়াবহ নির্মম রসিকতার উদাহরণ আরেকটা দেখাতে পারবেন


৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে কেন মেজর ডালিমের লুঙ্গি ড্যান্স দেয়া হয়েছে , এই সত্য বুঝতে পারছেন


মেজর ডালিমের বউ নিম্মি ধর্ষিত হয়নি, অথচ একটা পরিবারের ১৭ সদস্য সহ ২৬ জন মানুষকে এক রাতে হত্যা করলো এই সেনাবাহিনী! ইতিহাসের এই সত্যগুলো জাতির কাছে সম্পূর্ণ গোপন করেছে ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা জিয়াউর রহমান ও খুনীরা। এর পেছনে আরও ভয়ানক মিথ্যা লুকিয়ে আছে তা কি আপনারা কল্পনা করতে পারছেন


১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ২৮ টি ট্যাঙ্ক ও প্রায় ৩০০ সেনাবাহিনী সদস্য নিয়ে রাতের অন্ধকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার প্রতিটি আত্মীয় স্বজনের বাসায় আক্রমণ করে তাদের হত্যা করা হল, কিন্তু যে গাজী গোলাম মোস্তফা নিয়ে সেনাবাহিনীর এত নাটক, তার বাড়িতে একটি ঢিলও ছোঁড়া হলো না। এটাই হচ্ছে A cruel twist of fate .
এটাই বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সেরা জোকস ( কৌতুক) ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আরেকটি সেরা জোকস ( কৌতুক) আমার মতো আপনাদের মাথা নষ্ট করে দিতে পারে। বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর শুনেই ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে সীমান্তে ধরা পড়েন আওয়ামীলীগ নেতা গাজী গোলাম মোস্তফা।তাকে সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় জরুরি অবস্থায় দেশ চালাচ্ছে জিয়াউর রহমান সহ মেজর ডালিম ও বঙ্গবন্ধুর খুনীরা।

মেজর ডালিম ও বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বঙ্গবন্ধুর রক্ত হওয়ার জন্য ১১ বছরের আরিফ সেরনিয়াবাত , ১৩ বছরের বেবী সেরনিয়াবাত ও মাত্র ৪ বছরের শিশু সুকান্তকে হত্যা করলেও সেনাবাহিনীর কোন সদস্য ও কর্মকর্তা গাজী গোলাম মোস্তফা ও তার পরিবারের কোন সদস্যকে হত্যা করলেন না


গাজী গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে ” মেজর ডালিমের বউ” অপহরণ করার জন্য একটি মামলা পর্যন্ত হয়নি

মেজর ডালিমের শ্যালক বাপ্পী ও গাজী গোলাম মোস্তফার ছেলের মধ্যকার যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এই দেশে এত নাটক তৈরি করা হলো

ক্ষমতা দখল করে ডালিম বা সেনাবাহিনীর কেউই গাজী গোলাম মোস্তফার ছেলেকে পর্যন্ত গ্রেফতার করলেন না


গাজী গোলাম মোস্তফাকে রেড ক্রিসেন্টের কম্বল ও ত্রাণের টাকা আত্মসাৎ করার জন্য ১০ বছরের জেল দিয়েছিল জিয়াউর রহমান । কিন্তু তাকে দশ বছরের সাজা শেষ পর্যন্ত না দিয়ে ১৯৮০ সালের ২৮ মার্চ ক্ষমা করে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খলনায়ক জিয়াউর রহমান

পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসের সেরা একটি কৌতুক লিখলাম আজ। একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা পরিবারের ১৭ সদস্য সহ ২৬ জন হত্যার পেছনে কী রহস্য লুকিয়ে আছে ?
বঙ্গবন্ধু হত্যা ছিল একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র । এই ষড়যন্ত্র সফল করতেই ১৯৭৪ সালে ” ফুড পলিটিক্স ” এর মাধ্যমে বাংলাদেশে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ তৈরি করে সেই দোষ চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের ঘাড়ের উপর।

১৯৭৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর ( প্রায় দশ মাস ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইতিহাসের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ চলছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে মাত্র ২ বছর।১৯৭৩ সালের ( আরব – ইসরায়েল ) যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সারাবিশ্বে তেলের দাম দশ গুণ বাড়িয়ে দেয় আমেরিকা।এর মধ্যে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শেখ মুজিবুর রহমান ফিদেল কাস্ত্রোর কিউবায় ৪ মিলিয়ন পাট রপ্তানি করেছিলেন । এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমেরিকা পিএল -৪৮০ এর অধীনে বাংলাদেশের উপর ” খাদ্য ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ” আরোপ করে। বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের মানুষের জন্য কেনা খাদ্য সমুদ্রেই আটকে দেয় মার্কিন সরকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ২.২ মিলিয়ন টন ( ২২ লাখ টন) খাদ্য আটকে দিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারকে কোনঠাসা করে বাংলাদেশের ভেতরে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার পথ সুগম করে। অথচ , এই খাদ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অন্তত ৩ মাসের খাদ্য হয়ে যেতো। অনাহারে কোন মানুষ মারা যেতো না।
কম্বল ও ত্রাণ ডাকাতির গল্প ও গুজব প্রচার হতো না।
” দোষ করলো আমেরিকা , কিন্তু সেই দোষ ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হলো বঙ্গবন্ধুর সরকারের উপর।”

১৯৭৩ সালেই আমেরিকার “পেট্রো ডলার ” রাজনীতি শুরু হয়। যার সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রের একটি হচ্ছে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ।

১৯৭৪ সালেই আমেরিকার ” ফুড পলিটিক্স” এর শিকার হয় বাংলাদেশ। এই ফুড পলিটিক্স ও ক্ষমতালোভীদের ক্ষমতার গদি দখলের রাজনৈতিক নোংরা খেলার জন্য নিজেদের জীবন দিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয় বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিরীহ ১৭ জন নিরাপরাদ মানুষকে


দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষকে বাঁচাতে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সামাল দিতে না পেরে বঙ্গবন্ধুর সরকার আমেরিকার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকার নির্দেশমতো কিউবায় পাট রপ্তানি বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। আমেরিকার কাছে নত হয়ে অর্থমন্ত্রী থেকে সরিয়ে দিতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পরীক্ষীত বন্ধু ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে। তার কিছুদিন পরেই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার। ১৯ ঘন্টার সফরে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে নেমেই বাংলাদেশকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে সেদিন হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন ” বটমলেস বাস্কেট” ।
বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের বিচ্ছেদ ছিলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি। বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের বিচ্ছেদের এই সুযোগটাই নিয়েছিল মার্কিন সিআইএ , পাকিস্তানের আইএসআই ও বঙ্গবন্ধুর খুনীরা। বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাসে বসেই চলতো ” বঙ্গবন্ধু পরিবারকে হত্যার জন্য খুনীদের পরিকল্পনা” । বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের বিচ্ছেদ না হলে এই দেশে কোনদিনও ১৫ আগষ্ট ঘটানোর দুঃসাহস কেউ কোনদিনও দেখাতে পারতো না। এজন্য বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে হত্যা করতে ১৯৭৪ সালেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক এক করে সব নাটক মঞ্চস্থ করা হয়।নিম্নে তার তালিকা দেয়া হলো –
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর ” শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতি ” মিথ্যা গুজবের মধ্যে দিয়ে ১৯৭৪ সাল পুরো বছরটাই ছিল গুজব ও ষড়যন্ত্রের বছর।

১৯৭৪ সালের ২২ জুন ” মেজর ডালিমের বউ নিম্মি ধর্ষণ ” গুজব।

১৯৭৪ সালের জুলাই মাসে দৈনিক ইত্তেফাকের আলোকচিত্র আফতাবকে দিয়ে বাসন্তীকে তৎকালীন আমলের ৫০ টাকা দিয়ে জাল পরিয়ে ” ঐতিহাসিক বাসন্তি নাটক” মঞ্চস্থ করা হয়।

১৯৭৪ সালেই ” বঙ্গবন্ধু কম্বল চোর ” নাটক ।

১৯৭৪ সালের অক্টোবরে শেখ মুজিব সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে তাজউদ্দীন আহমদকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের জন্য বঙ্গবন্ধু হত্যা পান্তা ভাতের মতো সহজ হয়ে গিয়েছিল।খুনীদের জন্য এই কাজটি সহজ করে দিয়েছিল আমেরিকা।

১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আলজেরিয়ার্স সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বক্তব্য ছিল বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে হত্যার সবচেয়ে বড় কারণ। সেদিন থেকেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আমেরিকা। বঙ্গবন্ধু সেদিন আমেরিকাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন – ” বিশ্ব আজ দুইভাগে বিভক্ত – শোষক আর শোষিত , আমি শোষিতের পক্ষে।”
সেদিনই বঙ্গবন্ধুকে সতর্ক করে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন , ” তুমি আজ যে বক্তৃতা দিলে জেনে রোখো , একটি অদৃশ্য বুলেট আজ থেকে তোমার পিছু নিয়েছে।”
Morseda Akter Miazi’s Post
\মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।