, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের মূল্যায়ন।

  • প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে
  • ৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন।
======================
ইনভেস্টমেন্ট সামিটে জামায়াত নিজেদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট সম্বলিত একটা পাবলিকেশন বিলি করেছে — সেটা নিয়ে এখুনি কথা বলার ইচ্ছা আমার নাই। আমি কথা বলতে চাই, জুলাই শহীদদের নিয়ে জামায়াতের দশ খন্ডের বইটার ব্যাপারে।
আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি— এই কাজের পুরস্কার যেন আল্লাহ জামায়াতকে দান করেন। প্রায় ছয় শত শহীদের জীবনী, তাদের পরিচয়, আকাঙ্ক্ষা, পরিবার, শাহাদতের বিবরণ, তাদের উপর চালানো নির্মমতা— এসব কিছু রঙ্গিন পাতায় এতো উত্তমভাবে আনা হয়েছে, বলার মত নয়।
এমন একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করতে জামায়াতের যাতায়াত, লেখক খরচ, ইন্টারভিউ খরচ, এডিট এবং অন্যান্য খরচ কত হতে পারে, সেটা আমার আমি ভালোই অনুমান করতে পারি কারণ — আমি পাবলিকেশন সেক্টরে অনুবাদক হিসেবে আমি কাজ করছি।
সবচেয়ে বড় কথা হল— এই বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষার প্রতি জামায়াতের কমিটমেন্ট আছে এবং এইটা তারা রক্ষা করতে চায়।
আমরা অনেকেই সমালোচনা করেছিলাম— জামায়াত কেন তাদের দলের শহীদদের নাম প্রকাশ করেনা? আমীরে জামাত Dr. Shafiqur Rahman বলেছিলেন— জুলাইয়ের সকল শহীদই আমাদের শহীদ। আমরা দলীয় ক্রেডিট নেবার মধ্য দিয়ে বিভাজন করব না। সকল শহীদ পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করব।
আমীরে জামায়াত তাঁর কথা রেখেছেন কিনা, আপনারা খোঁজ নিয়েছেন? আমি নিয়েছি। জানতে পেরেছি, তারা শহীদ পরিবারের খোজ নিয়েছেন এবং পরিবারের অবস্থা ভেদে গড়ে পড়তায় দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। প্রায় ৬০০ পরিবারকে তারা এই অনুদান দিয়েছেন।
এসব গোপনও রেখেছে জামায়াত। কারণ, জামায়াতের অনুদান পেয়েছে, এটা জানলে অনেকে শহীদ পরিবারকে ‘জামাতি’ বলে ট্যাগ দিবে। রাষ্ট্রীয় অনুদান কিংবা অন্য কোনো সংগঠন থেকে অনুদান প্রাপ্তির পথ তখন রুদ্ধ হতো।
সেদিন এক ভিডিওতে দেখলাম, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এক শহীদমাতা কেঁদে কেঁদে বলছেন— জামায়াত থেকে কয়েক লাখ টাকা পেয়েছেন, আর কেউ তাদের খোজ নেয়নি।
জামায়াত এইসব অনুদান দল দেখে দেয় নাই, কোনো বিভেদ করে নাই।
আজকে দেখলাম— অনেকেই একটা পোস্ট শেয়ার দিচ্ছে যে, জামায়াত নাকি সবাইকে ধারণ করতে পারবেনা ক্যাডারভিত্তিক হবার কারণে।
কথাটা ভুল, একইসাথে অন্যায়। দলীয় প্রতিষ্ঠানে তারা নিজেদের লোকদের জব দেবে কারণ, কেবল জামায়াত করার অপরাধে তাদেরকে সরকার বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জবাব দেয় না। এই মজলুমদের দায়িত্ব তো জামাতকেই নিতে হবে
খালেদ মহিউদ্দিন
Selim Uddin’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের মূল্যায়ন।

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন।
======================
ইনভেস্টমেন্ট সামিটে জামায়াত নিজেদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট সম্বলিত একটা পাবলিকেশন বিলি করেছে — সেটা নিয়ে এখুনি কথা বলার ইচ্ছা আমার নাই। আমি কথা বলতে চাই, জুলাই শহীদদের নিয়ে জামায়াতের দশ খন্ডের বইটার ব্যাপারে।
আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি— এই কাজের পুরস্কার যেন আল্লাহ জামায়াতকে দান করেন। প্রায় ছয় শত শহীদের জীবনী, তাদের পরিচয়, আকাঙ্ক্ষা, পরিবার, শাহাদতের বিবরণ, তাদের উপর চালানো নির্মমতা— এসব কিছু রঙ্গিন পাতায় এতো উত্তমভাবে আনা হয়েছে, বলার মত নয়।
এমন একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করতে জামায়াতের যাতায়াত, লেখক খরচ, ইন্টারভিউ খরচ, এডিট এবং অন্যান্য খরচ কত হতে পারে, সেটা আমার আমি ভালোই অনুমান করতে পারি কারণ — আমি পাবলিকেশন সেক্টরে অনুবাদক হিসেবে আমি কাজ করছি।
সবচেয়ে বড় কথা হল— এই বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষার প্রতি জামায়াতের কমিটমেন্ট আছে এবং এইটা তারা রক্ষা করতে চায়।
আমরা অনেকেই সমালোচনা করেছিলাম— জামায়াত কেন তাদের দলের শহীদদের নাম প্রকাশ করেনা? আমীরে জামাত Dr. Shafiqur Rahman বলেছিলেন— জুলাইয়ের সকল শহীদই আমাদের শহীদ। আমরা দলীয় ক্রেডিট নেবার মধ্য দিয়ে বিভাজন করব না। সকল শহীদ পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করব।
আমীরে জামায়াত তাঁর কথা রেখেছেন কিনা, আপনারা খোঁজ নিয়েছেন? আমি নিয়েছি। জানতে পেরেছি, তারা শহীদ পরিবারের খোজ নিয়েছেন এবং পরিবারের অবস্থা ভেদে গড়ে পড়তায় দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। প্রায় ৬০০ পরিবারকে তারা এই অনুদান দিয়েছেন।
এসব গোপনও রেখেছে জামায়াত। কারণ, জামায়াতের অনুদান পেয়েছে, এটা জানলে অনেকে শহীদ পরিবারকে ‘জামাতি’ বলে ট্যাগ দিবে। রাষ্ট্রীয় অনুদান কিংবা অন্য কোনো সংগঠন থেকে অনুদান প্রাপ্তির পথ তখন রুদ্ধ হতো।
সেদিন এক ভিডিওতে দেখলাম, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এক শহীদমাতা কেঁদে কেঁদে বলছেন— জামায়াত থেকে কয়েক লাখ টাকা পেয়েছেন, আর কেউ তাদের খোজ নেয়নি।
জামায়াত এইসব অনুদান দল দেখে দেয় নাই, কোনো বিভেদ করে নাই।
আজকে দেখলাম— অনেকেই একটা পোস্ট শেয়ার দিচ্ছে যে, জামায়াত নাকি সবাইকে ধারণ করতে পারবেনা ক্যাডারভিত্তিক হবার কারণে।
কথাটা ভুল, একইসাথে অন্যায়। দলীয় প্রতিষ্ঠানে তারা নিজেদের লোকদের জব দেবে কারণ, কেবল জামায়াত করার অপরাধে তাদেরকে সরকার বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জবাব দেয় না। এই মজলুমদের দায়িত্ব তো জামাতকেই নিতে হবে
খালেদ মহিউদ্দিন
Selim Uddin’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।