, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কটি জরুরি সতর্কবার্তা:-শামসুদ্দিন পেয়ারা

  • প্রকাশের সময় : ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৩৪ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে এ জাতির জন্য। যতো দিন যাবে ততো পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মানুষ বাড়ছে, কাজের সুযোগ সঙ্কুচিত হচ্ছে। একটা ৫০ বছরের পারস্পেকটিভ পপুলেশন পলিসি প্রনয়ণ করতে হবে যাতে পঞ্চাশ বছর পর জনসংখ্যা আট থেকে দশ কোটিতে নামিয়ে আনা যায়। এ ছাড়া এ দেশকে রক্ষা করার আর কোনো উপায় নাই।
এদেশে এমন একজন নেতা দরকার যিনি অতীতের নোংরা ঘাঁটাঘাঁটি বাদ দিয়ে বাঙালি জাতিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করতে সক্ষম হবেন। অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া এই দেশকে উদ্ধার করে ভবিষ্যতের আলোয় নিয়ে যেতে পারবেন।
রাজনীতিবিদদের দাপট নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন সংবিধানের তত্বাবধায়ক ও রক্ষক। সরকার ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যেকার সম্পর্ক সুস্পষ্ট করতে হবে। আমলাদের ক্ষমতার সীমারেখা নির্দিষ্ট করতে হবে। আইনের শাসন কায়েম করতে হবে।
এদেশে ছোট অপরাধের সাজা হয়, বড় অপরাধীরা আদালতের মাথায় চাঁটি মেরে হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে এদেশে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তা না হলে সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন স্রেফ বেঁচে থাকার জন্য মানুষের গোশত মানু
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। ষে খাবে।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কটি জরুরি সতর্কবার্তা:-শামসুদ্দিন পেয়ারা

প্রকাশের সময় : ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে এ জাতির জন্য। যতো দিন যাবে ততো পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মানুষ বাড়ছে, কাজের সুযোগ সঙ্কুচিত হচ্ছে। একটা ৫০ বছরের পারস্পেকটিভ পপুলেশন পলিসি প্রনয়ণ করতে হবে যাতে পঞ্চাশ বছর পর জনসংখ্যা আট থেকে দশ কোটিতে নামিয়ে আনা যায়। এ ছাড়া এ দেশকে রক্ষা করার আর কোনো উপায় নাই।
এদেশে এমন একজন নেতা দরকার যিনি অতীতের নোংরা ঘাঁটাঘাঁটি বাদ দিয়ে বাঙালি জাতিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করতে সক্ষম হবেন। অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া এই দেশকে উদ্ধার করে ভবিষ্যতের আলোয় নিয়ে যেতে পারবেন।
রাজনীতিবিদদের দাপট নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন সংবিধানের তত্বাবধায়ক ও রক্ষক। সরকার ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যেকার সম্পর্ক সুস্পষ্ট করতে হবে। আমলাদের ক্ষমতার সীমারেখা নির্দিষ্ট করতে হবে। আইনের শাসন কায়েম করতে হবে।
এদেশে ছোট অপরাধের সাজা হয়, বড় অপরাধীরা আদালতের মাথায় চাঁটি মেরে হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে এদেশে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তা না হলে সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন স্রেফ বেঁচে থাকার জন্য মানুষের গোশত মানু
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। ষে খাবে।