, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কটি জরুরি সতর্কবার্তা:-শামসুদ্দিন পেয়ারা

  • প্রকাশের সময় : ৮ ঘন্টা আগে
  • ৫ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে এ জাতির জন্য। যতো দিন যাবে ততো পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মানুষ বাড়ছে, কাজের সুযোগ সঙ্কুচিত হচ্ছে। একটা ৫০ বছরের পারস্পেকটিভ পপুলেশন পলিসি প্রনয়ণ করতে হবে যাতে পঞ্চাশ বছর পর জনসংখ্যা আট থেকে দশ কোটিতে নামিয়ে আনা যায়। এ ছাড়া এ দেশকে রক্ষা করার আর কোনো উপায় নাই।
এদেশে এমন একজন নেতা দরকার যিনি অতীতের নোংরা ঘাঁটাঘাঁটি বাদ দিয়ে বাঙালি জাতিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করতে সক্ষম হবেন। অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া এই দেশকে উদ্ধার করে ভবিষ্যতের আলোয় নিয়ে যেতে পারবেন।
রাজনীতিবিদদের দাপট নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন সংবিধানের তত্বাবধায়ক ও রক্ষক। সরকার ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যেকার সম্পর্ক সুস্পষ্ট করতে হবে। আমলাদের ক্ষমতার সীমারেখা নির্দিষ্ট করতে হবে। আইনের শাসন কায়েম করতে হবে।
এদেশে ছোট অপরাধের সাজা হয়, বড় অপরাধীরা আদালতের মাথায় চাঁটি মেরে হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে এদেশে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তা না হলে সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন স্রেফ বেঁচে থাকার জন্য মানুষের গোশত মানু
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। ষে খাবে।
জনপ্রিয়

কটি জরুরি সতর্কবার্তা:-শামসুদ্দিন পেয়ারা

প্রকাশের সময় : ৮ ঘন্টা আগে
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে এ জাতির জন্য। যতো দিন যাবে ততো পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মানুষ বাড়ছে, কাজের সুযোগ সঙ্কুচিত হচ্ছে। একটা ৫০ বছরের পারস্পেকটিভ পপুলেশন পলিসি প্রনয়ণ করতে হবে যাতে পঞ্চাশ বছর পর জনসংখ্যা আট থেকে দশ কোটিতে নামিয়ে আনা যায়। এ ছাড়া এ দেশকে রক্ষা করার আর কোনো উপায় নাই।
এদেশে এমন একজন নেতা দরকার যিনি অতীতের নোংরা ঘাঁটাঘাঁটি বাদ দিয়ে বাঙালি জাতিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে উৎসাহিত করতে সক্ষম হবেন। অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া এই দেশকে উদ্ধার করে ভবিষ্যতের আলোয় নিয়ে যেতে পারবেন।
রাজনীতিবিদদের দাপট নিয়ন্ত্রন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি হবেন সংবিধানের তত্বাবধায়ক ও রক্ষক। সরকার ও সশস্ত্রবাহিনীর মধ্যেকার সম্পর্ক সুস্পষ্ট করতে হবে। আমলাদের ক্ষমতার সীমারেখা নির্দিষ্ট করতে হবে। আইনের শাসন কায়েম করতে হবে।
এদেশে ছোট অপরাধের সাজা হয়, বড় অপরাধীরা আদালতের মাথায় চাঁটি মেরে হাসতে হাসতে বেরিয়ে আসে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে এদেশে একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তা না হলে সেইদিন খুব দূরে নয় যেদিন স্রেফ বেঁচে থাকার জন্য মানুষের গোশত মানু
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। ষে খাবে।