, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সারের ডিলার নিয়োগে পয়সার বিনিময়ে লাইসেন্স:এমপি প্রশাসনে অপারেশন ক্লিনহার্ট” চালানো দরকার।’ জেলা প্রশাসন এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না:পরিষ্কার বললাম।অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না জামায়াত এমপি সৌদি বিমানবন্দর বন্ধ৫১ ফ্লাইট বাতিলঢাকা থেকে৫ হাজার ৪১৮ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী মায়েদের সঙ্গে কারাগারে বন্দি ৩০৩ শিশু পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী:আটক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ

বিশ্বজুড়ে ভিসা প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

  • প্রকাশের সময় : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
  • ৬৫ পড়া হয়েছে

ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল এবং বিভিন্ন কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। এসব কারণের মধ্যে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ এবং গাজায় ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশ নেয়াও রয়েছে

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারের সময়সূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে চলমান অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। খবর রয়টার্স।
ট্রাম্পের দাবি, এ অভিযান দেশের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যেই চালানো হচ্ছে।

তবে অভিবাসনবিষয়ক কঠোর পদক্ষেপগুলো আইনি বাধারও মুখে পড়েছে। গত শুক্রবার এক মার্কিন বিচারক ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নীতি বাতিল করে দেন। বিচারকের মতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আইনগত ক্ষমতা ছিল না।

ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিস্তারিত বা কত দিন এটি চলবে, তা পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়নি। তবে দপ্তর বলেছে, এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো—কোনো আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কিনা, তা শনাক্ত করার বিষয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানো। একইসঙ্গে সব ভিসা আবেদনকারীর আবেদন ‘সার্বিক ও অভিন্নভাবে’ মূল্যায়ন নিশ্চিত করাও প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য।

এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের খবর প্রকাশ করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের জন্য আবেদনকারীরা ই-মেইল পেয়েছেন। সেখানে তাদের সাক্ষাৎকারের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং নতুন তারিখ পরে জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিষয়ক কঠোর নীতির ব্যাপক সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করছে। অধিকারকর্মীরা আরো বলছেন, এ অভিযান বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। তাদের মধ্যে অনেকেই জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসনের পদক্ষেপে বৈধ অভিবাসনও কঠিন হয়ে উঠেছে। এর উদাহরণ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার আবেদনকারীদের জন্য নতুন ও উচ্চ ফি আরোপের কথা উল্লেখ করা যায়।

জনপ্রিয়

সারের ডিলার নিয়োগে পয়সার বিনিময়ে লাইসেন্স:এমপি প্রশাসনে অপারেশন ক্লিনহার্ট” চালানো দরকার।’

বিশ্বজুড়ে ভিসা প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল এবং বিভিন্ন কারণে আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। এসব কারণের মধ্যে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ এবং গাজায় ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশ নেয়াও রয়েছে

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকারের সময়সূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে চলমান অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। খবর রয়টার্স।
ট্রাম্পের দাবি, এ অভিযান দেশের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যেই চালানো হচ্ছে।

তবে অভিবাসনবিষয়ক কঠোর পদক্ষেপগুলো আইনি বাধারও মুখে পড়েছে। গত শুক্রবার এক মার্কিন বিচারক ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নীতি বাতিল করে দেন। বিচারকের মতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র এ সিদ্ধান্ত নেয়ার আইনগত ক্ষমতা ছিল না।

ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিস্তারিত বা কত দিন এটি চলবে, তা পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়নি। তবে দপ্তর বলেছে, এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো—কোনো আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কিনা, তা শনাক্ত করার বিষয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানো। একইসঙ্গে সব ভিসা আবেদনকারীর আবেদন ‘সার্বিক ও অভিন্নভাবে’ মূল্যায়ন নিশ্চিত করাও প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য।

এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের খবর প্রকাশ করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের জন্য আবেদনকারীরা ই-মেইল পেয়েছেন। সেখানে তাদের সাক্ষাৎকারের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং নতুন তারিখ পরে জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিষয়ক কঠোর নীতির ব্যাপক সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ বৈষম্যমূলক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করছে। অধিকারকর্মীরা আরো বলছেন, এ অভিযান বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। তাদের মধ্যে অনেকেই জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্যের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসনের পদক্ষেপে বৈধ অভিবাসনও কঠিন হয়ে উঠেছে। এর উদাহরণ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার আবেদনকারীদের জন্য নতুন ও উচ্চ ফি আরোপের কথা উল্লেখ করা যায়।