
অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সেনবাহিনীতে প্রায় ৫০% উপরে জামাতের দখল। কিছু কমও হতে পারে। ক্যাডেট কলেজগুলো শিবিরের আখড়া। এই ৫০% বাইরে আরো ১০-১৫% আছে যারা সরাসরি বিএনপিকে সমর্থন করে।
তাহলে বাংলাদেশ পন্থী ও মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করা সেনাসদস্য মাত্র ৩৫% বা তারও কম। সিনিয়র অফিসার থেকে সৈনিক পর্য়ন্ত এই গোত্রটি বাকি ৫০-৬০% দেশবিরোধী সুবিধাবাদী শক্তির কাছে জিম্মি।
আগামীতে যে কোন সিচুয়েশনে সেনবাহিনী তাদের ক্যান্টনমেন্টের দল বিএনপিকে পুনরায় সুবিধা দিবে, চেয়ারে বসাবে। এটাই ওয়াকারের এজেন্ডা।
জামাতের মাঠের ভোট কম, তাই সেনবাহিনীর চাইলেও সেদিকে পুরোপুরি ড্রাইভ দেয়া সম্ভব নয়।
তাই সেনাবাহিনী কখনোই আওয়ামীলীগের পক্ষে যায় এমন কোন কাজে এগিয়ে আসবেনা। কারন ওরাও জানে ওদের কৃতকর্মের ও অন্যায়ের পরিনতি কি হতে পারে৷
এখন, এমন ভয়াবহ সমস্যার সমাধান কি?
সমাধান হচ্ছে জনগণ। জনগণ সরাসরি মাঠে নেমে গেলে একদিন সেনাবিদ্রোহ সময়ের ব্যাপার।
আমাদের আন্ডার টেবিল মিমাংসা করার ফান্ড কোথায়? ফরেন সাপোর্টের এজেন্টরা কোথায়? ১৭ বছর কামাই করা পয়সা গুলো কোথায়?
সরকার পরিবর্তন টাকার খেলা। আমরা ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে কি করলাম? আমাদের টাকা নেই?
ডিসেম্বর সন্নিকটে। যে ৫ টাকায় বিক্রি হয়, তাকে ১০ টাকা অফার করুন। যে প্রিমিও গাড়ি চায়, তাকে মারসিটিজ অফার করুন। এটাই সাইন্স।
আমাদের ফিরতে হবে জুলাই সমীকরনকে ডিল করেই। এটা ডার্টি গেইম। গান্দীজি সেজে, ভিক্টিম কার্ড খেলে কার্ড বাবাকে সরানো যাবে না। এখানে রাজনীতি নেই, পেশিশক্তির খেলা।
শুধুমাত্র হাতে অস্র নিয়ে যুদ্ধ জয় হয় না। মেধা ও কৌশল লাগে। জুলাইতে আমরা মেধা ও কৌশলের কাছে হেরেছি।
আমরা যেভাবে হেরেছি, সেভাবেই ফিরতে হবে।
এছাড়া বাংলাদেশের মুক্তির কোন পথ নেই।
শিখর হিমাদ্রি
ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বর’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















