, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

“Bad Loan” উদ্ধার করা প্রয় অসম্ভব?

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার২৩সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক সমঋের ডিজিএফআই এর পেইড রাইটার সিনিয়র সাংবাদিক বোরহান কবিরের পোস্টে অভিযোগ অত‍্যন্ত গুরুতর।
সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ নিয়ে নিস্চিত নাহয়ে মন্তব্য করবো না। তবে যদি অভিযোগ সত্য হয় তবে নিশ্চিত এটা “Bad Loan” হবে। আর “Bad Loan” উদ্ধার করা প্রয় অসম্ভব।
যেমনটি হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোঃ শফিক সাহের বাংলাদেশ ব‍্যাংকের নীতিমালা পাশ কাটিয়ে তার আপন বড় ভাই মরহুম আনিসুল হকের ছেলের নাবিদের “নাগরিক টিভি” কে ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে ৬০০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার ব‍্যাবস্থা করেছিলেন সেনাপ্রধান ও ট্রাস্ট ব‍্যাংকের চেয়ারম‍্যান হিসাবে। পরবর্তীতে ঐ ৬০০ কোটি টাকা “Bad Loan” হয়ে যায়, যেটা সম্ভবতঃ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ও তার স্ত্রীর দুর্নীতির প্রমান এই মিডিয়াতেই দেখেছি। চট্টগ্রাম পোর্টের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান নৌবাহিনী প্রধান হইতে তদবির‍্যর করতে এই প্রতিরক্ষা উপদেস্টার বিখ্যাত (??) স্ত্রীকে একটি নতুন জীপ উপহার দিয়েছেন (নীচের গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখুন)।
আর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ঐ মালয়েশিঋায় ৩২ কোটি টাকায়, কেউ বলে আরো অনেক বেশী মুল‍্যে দুইটি বিলাসবহুল ফ্লাট কেনার কথা সেনানিবাসে মুখরোচক আলোচনা। সঠিক জায়গামত কান পাতলেই শুনতে পাবেন।
যাক- Syed Kabir এর ওয়াল হতে নেওয়া পোস্টটি নীচে দেওয়া হলো-
সেনাবাহিনীতেও শুরু হয়েছে লুটপাট, ক্ষুব্ধ সেনা সদস্যরা-
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সর্বত্র লুটপাটের উৎসব চলছে। এই লুটপাটে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এবং সেনা প্রধান নিজেই। দুটি দুর্নীতির ঘটনায় সেনাবাহিনীর ভেতরে চলছে চরম অস্থিরতা এবং উত্তেজনা-
• ঢাকা সেনানিবাসে সিএমএইচ এর পাশে একটি বহুতল কার পার্কিং এর কাজ প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলামের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। কোন নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই শামছুল ইসলামের নির্দেশে এই কাজ দেয়া হয়। বিনিময়ে সামরিক উপদেষ্টা মালয়েশিয়ায় দুটি বাড়ি উপহার পেয়েছেন। এনিয়ে সেনাবাহিনীতে চলছে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ।
• দাঁড়িওয়ালা সেনাপ্রধান যিনি সেনাবাহিনীতে ইসলামীকরনে ভীষণ মনোযোগী, তিনিও এখন আখের গোছাতে ব্যস্ত। সম্প্রতি ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠানকে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের নির্দেশে তানভীর কনস্ট্রাকশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ দেয়া হয়। এই ঋণ প্রদানে ব্যাংকের এমডির আপত্তি ছিল। তিনি আশংকা প্রকাশ করেছিলেন যে, এরকম একটি অগ‍্যাত, অখ‍্যাত প্রতিষ্ঠান কে ঋণ দেয়া হবে ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সেনাপ্রধান একরকম জোর করে এই ঋণঅনুমোদন করান। এরফলে ট্রাস্ট ব্যাংক সমস‍্যায় পরতে পারে, এতে বিপদে পরতে পারেন সেনা সদস্যরা যারা মূলত এই ব্যাংকেই তাদের কষ্টার্জিত টাকা জমা রাখেন।
সেনা সদস্যরা এইসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন।

Veteran BD’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

“Bad Loan” উদ্ধার করা প্রয় অসম্ভব?

প্রকাশের সময় : ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন সোমবার২৩সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক সমঋের ডিজিএফআই এর পেইড রাইটার সিনিয়র সাংবাদিক বোরহান কবিরের পোস্টে অভিযোগ অত‍্যন্ত গুরুতর।
সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ নিয়ে নিস্চিত নাহয়ে মন্তব্য করবো না। তবে যদি অভিযোগ সত্য হয় তবে নিশ্চিত এটা “Bad Loan” হবে। আর “Bad Loan” উদ্ধার করা প্রয় অসম্ভব।
যেমনটি হয়েছে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোঃ শফিক সাহের বাংলাদেশ ব‍্যাংকের নীতিমালা পাশ কাটিয়ে তার আপন বড় ভাই মরহুম আনিসুল হকের ছেলের নাবিদের “নাগরিক টিভি” কে ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে ৬০০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার ব‍্যাবস্থা করেছিলেন সেনাপ্রধান ও ট্রাস্ট ব‍্যাংকের চেয়ারম‍্যান হিসাবে। পরবর্তীতে ঐ ৬০০ কোটি টাকা “Bad Loan” হয়ে যায়, যেটা সম্ভবতঃ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ও তার স্ত্রীর দুর্নীতির প্রমান এই মিডিয়াতেই দেখেছি। চট্টগ্রাম পোর্টের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান নৌবাহিনী প্রধান হইতে তদবির‍্যর করতে এই প্রতিরক্ষা উপদেস্টার বিখ্যাত (??) স্ত্রীকে একটি নতুন জীপ উপহার দিয়েছেন (নীচের গোয়েন্দা প্রতিবেদন দেখুন)।
আর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ঐ মালয়েশিঋায় ৩২ কোটি টাকায়, কেউ বলে আরো অনেক বেশী মুল‍্যে দুইটি বিলাসবহুল ফ্লাট কেনার কথা সেনানিবাসে মুখরোচক আলোচনা। সঠিক জায়গামত কান পাতলেই শুনতে পাবেন।
যাক- Syed Kabir এর ওয়াল হতে নেওয়া পোস্টটি নীচে দেওয়া হলো-
সেনাবাহিনীতেও শুরু হয়েছে লুটপাট, ক্ষুব্ধ সেনা সদস্যরা-
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সর্বত্র লুটপাটের উৎসব চলছে। এই লুটপাটে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এবং সেনা প্রধান নিজেই। দুটি দুর্নীতির ঘটনায় সেনাবাহিনীর ভেতরে চলছে চরম অস্থিরতা এবং উত্তেজনা-
• ঢাকা সেনানিবাসে সিএমএইচ এর পাশে একটি বহুতল কার পার্কিং এর কাজ প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলামের পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। কোন নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই শামছুল ইসলামের নির্দেশে এই কাজ দেয়া হয়। বিনিময়ে সামরিক উপদেষ্টা মালয়েশিয়ায় দুটি বাড়ি উপহার পেয়েছেন। এনিয়ে সেনাবাহিনীতে চলছে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ।
• দাঁড়িওয়ালা সেনাপ্রধান যিনি সেনাবাহিনীতে ইসলামীকরনে ভীষণ মনোযোগী, তিনিও এখন আখের গোছাতে ব্যস্ত। সম্প্রতি ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠানকে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের নির্দেশে তানভীর কনস্ট্রাকশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এই বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ দেয়া হয়। এই ঋণ প্রদানে ব্যাংকের এমডির আপত্তি ছিল। তিনি আশংকা প্রকাশ করেছিলেন যে, এরকম একটি অগ‍্যাত, অখ‍্যাত প্রতিষ্ঠান কে ঋণ দেয়া হবে ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সেনাপ্রধান একরকম জোর করে এই ঋণঅনুমোদন করান। এরফলে ট্রাস্ট ব্যাংক সমস‍্যায় পরতে পারে, এতে বিপদে পরতে পারেন সেনা সদস্যরা যারা মূলত এই ব্যাংকেই তাদের কষ্টার্জিত টাকা জমা রাখেন।
সেনা সদস্যরা এইসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন।

Veteran BD’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।