, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

অবৈধ পশুর হাটে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দাবি ইজারাদারের

  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ২২২ পড়া হয়েছে

মোকলেছুর রহমান,সিলেট : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রাধানগর গরুর বাজারের ইজারাদার মো. সিরাজ উদ্দিন পশুর হাট পরিচালনার কারণে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রশাসনের উদাসীনতা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাবে সরকার অনুমোদিত ইজারাকৃত বাজারের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৬ জুন) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন গোয়াইনঘাট উপজেলার বাউরবাগ এলাকার বাসিন্দা মো. সিরাজ উদ্দিন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য গোয়াইনঘাট উপজেলার রাধানগর গরুর বাজার এক কোটি ১০ লাখ ৫ হাজার ২০০ টাকায় উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এক বছরের জন্য ইজারা নেন। ইজারা মূল্য, ভ্যাট ও আয়করসহ সরকারের নির্ধারিত সকল রাজস্ব পরিশোধের পর উপজেলা প্রশাসন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজার বুঝিয়ে দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, ইজারা গ্রহণের পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনুমোদনবিহীনভাবে গরু-ছাগলের হাট বসানো হয়। বিষয়টি তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত তহসিলদার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ছবি-ভিডিওসহ অবহিত করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজ উদ্দিন বললেন, অবৈধভাবে পরিচালিত এসব পশুর হাটে ব্যাপক গরু-ছাগল কেনাবেচা হওয়ায় রাধানগর গরুর বাজারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এতে সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়াইন বাজার নৌকার হাটের ইজারাদার অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও সেখানে গরু-ছাগল বিক্রির সুযোগ দেন। একইভাবে গোয়াইনঘাট বাজার ও জাফলং এলাকায়ও ইজারার আওতার বাইরে পশুর হাট পরিচালনা এবং খাস আদায়ের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। এসব বাজারে গরু-ছাগল বিক্রির রসিদ (হাসিল) সংগ্রহে রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।

সিরাজ উদ্দিন বললেন, “সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যাংক ঋণের অর্থ দিয়ে বাজার ইজারা নিয়েছিলাম ব্যবসার আশায়। কিন্তু অবৈধ বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণে আমি প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।”

তিনি জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করলেও কোনো প্রতিকার পাননি।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে তার আর্থিক ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান মো. সিরাজ উদ্দিন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

অবৈধ পশুর হাটে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দাবি ইজারাদারের

প্রকাশের সময় : ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মোকলেছুর রহমান,সিলেট : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রাধানগর গরুর বাজারের ইজারাদার মো. সিরাজ উদ্দিন পশুর হাট পরিচালনার কারণে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, উপজেলা প্রশাসনের উদাসীনতা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাবে সরকার অনুমোদিত ইজারাকৃত বাজারের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সোমবার (১৬ জুন) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন গোয়াইনঘাট উপজেলার বাউরবাগ এলাকার বাসিন্দা মো. সিরাজ উদ্দিন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৪৩৩ বাংলা সনের জন্য গোয়াইনঘাট উপজেলার রাধানগর গরুর বাজার এক কোটি ১০ লাখ ৫ হাজার ২০০ টাকায় উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এক বছরের জন্য ইজারা নেন। ইজারা মূল্য, ভ্যাট ও আয়করসহ সরকারের নির্ধারিত সকল রাজস্ব পরিশোধের পর উপজেলা প্রশাসন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজার বুঝিয়ে দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, ইজারা গ্রহণের পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অনুমোদনবিহীনভাবে গরু-ছাগলের হাট বসানো হয়। বিষয়টি তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত তহসিলদার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ছবি-ভিডিওসহ অবহিত করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজ উদ্দিন বললেন, অবৈধভাবে পরিচালিত এসব পশুর হাটে ব্যাপক গরু-ছাগল কেনাবেচা হওয়ায় রাধানগর গরুর বাজারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এতে সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়াইন বাজার নৌকার হাটের ইজারাদার অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও সেখানে গরু-ছাগল বিক্রির সুযোগ দেন। একইভাবে গোয়াইনঘাট বাজার ও জাফলং এলাকায়ও ইজারার আওতার বাইরে পশুর হাট পরিচালনা এবং খাস আদায়ের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। এসব বাজারে গরু-ছাগল বিক্রির রসিদ (হাসিল) সংগ্রহে রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।

সিরাজ উদ্দিন বললেন, “সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যাংক ঋণের অর্থ দিয়ে বাজার ইজারা নিয়েছিলাম ব্যবসার আশায়। কিন্তু অবৈধ বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণে আমি প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।”

তিনি জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করলেও কোনো প্রতিকার পাননি।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে তার আর্থিক ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান মো. সিরাজ উদ্দিন।