
দল সুসময়ে সাবেক ছাত্রনেতাদের অবমূল্যায়ন করলেও প্রতিপক্ষরা নিপীড়নের ক্ষেত্রে তাদের ব্যাপক গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করছে!
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৮-২০০২) অজয় কর খোকন দাদা সাবেক হয়েছে দুই যুগের অধিক!
আওয়ামীলীগের কোথাও কোন পদ-পদবী পান নাই। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তাঁর কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগে একটি সদস্য পর্যন্ত বানানো হয় নাই। সর্বশেষ কমিটিতে সদস্য পদ পেয়েছেন।
অথচ, আজ প্রায় ১ বছর যাবত কারাবন্দী। ডজনখানেক ভুয়া মামলা, জামিন হবার পরেও বারবার শ্যোন এরেস্ট। আজ আবার নতুন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো!
তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অজয় দাদার আশু মুক্তি চাই।
আর অতীত ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দের যথাযথ মূল্যায়ন হোক। এটাই দল সাংগঠনিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো ও নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত হবার কার্যকর টোটকা।
Are you interested in this post?
Md Lutfor
অজয় কর খোকন দাদা খুব সুন্দরভাবে গোছানো বক্তব্য রাখতো যেটা ঢাকা ইউনিভার্সিটি দাঁড়াইয়া শোনার অপেক্ষায় থাকতাম। এই ছবিটা শাপলা চত্বরে যেদিন বাহাদুর ব্যাপারী এবং অজয় কর খোকন দাদা বই এবং কলম নেত্রীকে উপহার দিছিল।
অবিলম্বে অজয়দার মুক্তি চাই
নিঃশর্ত মুক্তি চাই
অজয় দাদার নিঃশর্ত মুক্তি চাই
Md Anisur Rahaman
যেদিন রফিক কোতোয়াল ভাই কে ছাত্র লীগের সভাপতির পদ থেকে ষড়যন্ত্র করে বাদ দেওয়া হয়েছিল সেদিন থেকেই ছাত্র লীগের পতন শুরু হিসাব টা মিলিয়ে নিয়েন…
আসলেই আওয়ামী লীগ আমলের অবহেলিতরাই আজ বেশী নির্যাতিত।
Saleh Ahmed Shalim
দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তি যখন বলেন সাবেক ছাত্র নেতাদের এরা কারা ? মনে আছে বছরটি ছিলো ২০২৪
দাদার মুক্তি চাই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন অজয় দা রফিক কোতোয়াল লিয়াকত ভাই সহ অগনিত ছাত্রনেতা কে অবমুল্যায়ন করা হইছে তবুও তারা নিরলস ভাবে কাজ করেগেছেন।
Md Rafiqul Islam Kotwal’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















