- ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ
- পরিস্থিতি উত্তরণে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করে নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের

২০২২-২৩ অর্থবছরে এটি ছিল মোট বরাদ্দের ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর পরের অর্থবছরের এটি আবার বাড়ে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ হার বেড়ে হয় ৩২ দশমিক ৮২ শতাংশ।
পরের অর্থবছরে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও এটা প্রায় ৩৭ শতাংশের কিছুটা বেশি। অন্যদিকে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ সম্পদের হার কিছুটা কমেছে। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে মোট বরাদ্দের ৬৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দেওয়া হয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ হার কমে হয়েছে ৬৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের মতো দেশগুলোর নিজস্ব সম্পদ খুবই সীমিত। এ ছাড়া আমাদের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ খুবই কম। যদিও আমাদের কাছাকাছি অর্থনীতির অনেক দেশের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও ভালো। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের বিদেশি ঋণ ও সহায়তার দিকে নির্ভর করতে হয়। সেটা আবার ঋণের বোঝা বাড়ায়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে নিজেদের সম্পদ বাড়াতে হবে। একইভাবে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।





















