

“নিজ দেশে ফিরে যাও”- মুসলিম কবরস্থান গুলিকে নিষিদ্ধ করলো জাপান।

‘কানাডার মন্ট্রিলে হিজাব ও বোরখা পরিহিত ১৫০ জন শিক্ষিকাকে স্কুল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’ এই পদক্ষেপটি কুইবেকের এমন একটি আইনের অধীনে নেয়া হয়েছে, যা শিক্ষক সহ সরকারি কর্মচারীদের কর্মস্থলে ধর্মীয় প্রতীক পরিধান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

“শিশুদের হিজাব কোন সাধারণ ধর্মীয় প্রতীক বা নিরীহ পোশাক নয় ; এটি নিপীড়নের একটি চিহ্ন এবং আমরা এর বিরুদ্ধে লড়ছি। “
– অস্ট্রিয়ার একত্রিকরণ মন্ত্রী

“একাধিকবার বিয়ে করার জন্য ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। ” – এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, সমাজে ন্যায় ও নারীর অধিকার রক্ষার্থে ভারতের অসম বিধানসভায় এই বিল পাশ করা হয়েছে।

” ইসলামী আজান নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। “
– ডেনমার্ক

“জনপরিসরে মুখ ঢাকা নিষিদ্ধ, সংসদে বিল পাস।”
– পর্তুগাল

“ইহুদি ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্যের জেরে ইমাম নাল্লা মোহাম্মদ আব্দুল জামিলকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে -সিঙ্গাপুর।”

কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়া উগ্রধর্মীয় মতবাদ প্রচারণায় বাংলাদেশের নামকরা ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী এবং আহমদুল্লাহ বহিষ্কৃত হয়েছে।

“বিশ্বের বহু দেশ রাস্তায় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করেছে।”

এছাড়াও বিশ্বের আরো অনেক দেশ ইসলামকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের বিধি নিষেধ প্রয়োগ করেছে।

গভীরভাবে উপলব্ধির বিষয়, আজ কেন ইসলামী নিয়ম সারা বিশ্বে এমনভাবে নিষিদ্ধ হচ্ছে, মানে ইসলাম নিষিদ্ধ হচ্ছে। ইসলামী নিয়ম কানুন কেন আজকে সারা বিশ্ব বিতর্কিত।

ইসলাম শান্তির ধর্ম হওয়া সত্বেও, কেন ইসলাম আজ সারা বিশ্বের আতঙ্ক? জ্ঞানীদের কাছে প্রশ্ন :

অলিভিয়া
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।