মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের চিথলী পশ্চিমপাড়া (পোড়ারহাট) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিজানুর ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। বাড়ির পাশে পোড়ারহাট বাজারে তার একটি মুদি দোকান রয়েছে।
পরে মিজানুর তার মা আজুবা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে থানায় জিডি করতে যান। জিডি করে রাতে বাড়ি ফেরার সময় দোকানের কাছাকাছি পৌঁছালে একদল ব্যক্তি তাদের বহনকারী রিকশা-ভ্যানের পথরোধ করে।
এ সময় ছেলেকে বাঁচাতে আজুবা বেগম হামলাকারীদের কাছে হাতজোড় করে মিনতি করলেও তাকে সরিয়ে দিয়ে মিজানুরের ওপর আবারও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের মা আজুবা বেগম বুধবার মিঠাপুকুর থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের বোন রেখা বেগম বলেন, তার ভাই নিয়মিত ফোন করে পরিবারের খোঁজখবর নিতেন। তাকে বিনা দোষে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।
প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল করিম জানান, মিজানুরকে ভ্যান থেকে নামিয়ে প্রথমে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।



























