, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

‘ডিফেন্স লইয়াররা এসে ভরে গেছে, প্রসিকিউটরদের খবর নেই’, ট্রাইব্যুনালের ক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৩৬ পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালফাইল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ পূর্বনির্ধারিত সময়ে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় এজলাসে আসন গ্রহণ করেন বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম তখন ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় উপস্থিত। উপস্থিত আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এজলাসে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত আছেন। কিন্তু প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) কেউ উপস্থিত নেই।

প্রসিকিউশনের কেউ বা প্রসিকিউটরেরা উপস্থিত না থাকায় মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করতে পারছিলেন না ট্রাইব্যুনাল। একপর্যায়ে বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী বলেন, বিচারক আছেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আছেন, প্রসিকিউটরেরা কেউ নেই।

এই পর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বিভিন্ন আবেদন, কথা বলতে থাকেন ট্রাইব্যুনালকে। ট্রাইব্যুনালও তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন।

সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী বলেন, যাঁরা (কর্মচারী) আসছেন, তাঁদেরই তিনি প্রসিকিউশনকে খবর দেওয়ার জন্য বলেছেন।

বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী আরও বলেন, ‘ডিফেন্স লইয়াররা এসে ভরে গেছে, প্রসিকিউটরদের খবর নেই।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ উপস্থাপন শেষ করলে এই তিন প্রসিকিউটরদের উদ্দেশে কথা বলেন বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টায় আদালত বসেন। তিনি সময়মতো এসেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে আসার জন্য কত ‘হ্যাসেল’ পোহাতে হয়। কোনো কোনো দিন গোসল করেন না। কোনো কোনো দিন সকালে খান, কোনো কোনো দিন সকালে খান না। চলে আসেন। এসে দেখেন, প্রসিকিউটরেরা নেই। এভাবে দেশ চলতে পারে না।

তখন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, তাঁরা দেরি করার জন্য ক্ষমা চান।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, আজকের ভুলটা তাঁর। দেরিটা তাঁর জন্য হয়েছে। তিনি আজ সকালেই এসেছেন। অন্যান্য দিন এসে তিনি প্রসিকিউশনের প্রশাসকের কক্ষে যান। আজকে যাননি। নিজের কক্ষেই ছিলেন। ফলে অন্য প্রসিকিউটরেরা বুঝতে পারেননি যে, তিনি এসেছেন। এ জন্য তাঁদের আজ দেরি হয়েছে। এ ধরনের ভুল আর হবে না।

পরে রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

‘ডিফেন্স লইয়াররা এসে ভরে গেছে, প্রসিকিউটরদের খবর নেই’, ট্রাইব্যুনালের ক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালফাইল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এ পূর্বনির্ধারিত সময়ে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় এজলাসে আসন গ্রহণ করেন বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম তখন ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় উপস্থিত। উপস্থিত আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এজলাসে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত আছেন। কিন্তু প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) কেউ উপস্থিত নেই।

প্রসিকিউশনের কেউ বা প্রসিকিউটরেরা উপস্থিত না থাকায় মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করতে পারছিলেন না ট্রাইব্যুনাল। একপর্যায়ে বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী বলেন, বিচারক আছেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আছেন, প্রসিকিউটরেরা কেউ নেই।

এই পর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বিভিন্ন আবেদন, কথা বলতে থাকেন ট্রাইব্যুনালকে। ট্রাইব্যুনালও তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন।

সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী বলেন, যাঁরা (কর্মচারী) আসছেন, তাঁদেরই তিনি প্রসিকিউশনকে খবর দেওয়ার জন্য বলেছেন।

বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী আরও বলেন, ‘ডিফেন্স লইয়াররা এসে ভরে গেছে, প্রসিকিউটরদের খবর নেই।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ উপস্থাপন শেষ করলে এই তিন প্রসিকিউটরদের উদ্দেশে কথা বলেন বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টায় আদালত বসেন। তিনি সময়মতো এসেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে আসার জন্য কত ‘হ্যাসেল’ পোহাতে হয়। কোনো কোনো দিন গোসল করেন না। কোনো কোনো দিন সকালে খান, কোনো কোনো দিন সকালে খান না। চলে আসেন। এসে দেখেন, প্রসিকিউটরেরা নেই। এভাবে দেশ চলতে পারে না।

তখন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, তাঁরা দেরি করার জন্য ক্ষমা চান।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, আজকের ভুলটা তাঁর। দেরিটা তাঁর জন্য হয়েছে। তিনি আজ সকালেই এসেছেন। অন্যান্য দিন এসে তিনি প্রসিকিউশনের প্রশাসকের কক্ষে যান। আজকে যাননি। নিজের কক্ষেই ছিলেন। ফলে অন্য প্রসিকিউটরেরা বুঝতে পারেননি যে, তিনি এসেছেন। এ জন্য তাঁদের আজ দেরি হয়েছে। এ ধরনের ভুল আর হবে না।

পরে রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।