পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমরানকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্য ৬/৭ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

সংশ্লিষ্ট সাভার জিআরও শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য ওই স্থানে মিলিত হয়েছিল। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার, জঙ্গি সংগঠনের অর্থদাতা ও পরামর্শদাতা নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করার জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডর প্রয়োজন।





















