, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

নয়াদিল্লিতে শুরু লাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক

  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ পড়া হয়েছে
অনলাইনবৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর২০২৬
শুরু হচ্ছে বাণিজ্য বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়ে এই বৈঠক শুক্রবার (৯ অক্টোবর) শেষ হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নিতে গত মঙ্গলবার নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে।

বৈঠকে বাণিজ্যিক নানা বাধা, পাটজাত পণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক, স্থলবন্দর-সংক্রান্ত বিষয়সহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে ঢাকা।

প্রতিনিধিদলের এক সদস্য বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য সম্পর্কিত প্রায় সব বিষয়ই আমরা তুলব। ভারতীয় পক্ষ কী কী বিষয় তুলবে, সেটা এখনো আমরা জানি না। তবে এটা আলোচনার প্ল্যাটফর্ম, সিদ্ধান্ত নেওয়ার নয়।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) বাংলাদেশের আলোচ্যসূচিতে নেই। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে। কারণ বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি এবং ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি।’

এর আগে, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৩ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায়। এর আগে ১৪তম বৈঠক হয় ২০২২ সালের ২ ও ৩ মার্চ নয়াদিল্লিতে।

আগের বৈঠকগুলোয় স্থলবন্দর ও সমন্বিত সীমান্তচৌকির অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সীমান্ত হাট চালু, রেলপথে পণ্য পরিবহন ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পণ্যের মানদণ্ড নির্ধারণে সমন্বয় ও পারস্পরিক স্বীকৃতি, বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে যৌথ সমীক্ষা ও পেট্রাপোল-বেনাপোল চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ও আলোচনায় ছিল।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

নয়াদিল্লিতে শুরু লাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক

প্রকাশের সময় : ০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইনবৃহস্পতিবার ০৮ অক্টোবর২০২৬
শুরু হচ্ছে বাণিজ্য বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম বৈঠক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়ে এই বৈঠক শুক্রবার (৯ অক্টোবর) শেষ হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নিতে গত মঙ্গলবার নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে।

বৈঠকে বাণিজ্যিক নানা বাধা, পাটজাত পণ্যে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক, স্থলবন্দর-সংক্রান্ত বিষয়সহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে ঢাকা।

প্রতিনিধিদলের এক সদস্য বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য সম্পর্কিত প্রায় সব বিষয়ই আমরা তুলব। ভারতীয় পক্ষ কী কী বিষয় তুলবে, সেটা এখনো আমরা জানি না। তবে এটা আলোচনার প্ল্যাটফর্ম, সিদ্ধান্ত নেওয়ার নয়।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) বাংলাদেশের আলোচ্যসূচিতে নেই। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টিও আলোচনায় আসবে। কারণ বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানি এবং ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি।’

এর আগে, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৩ সালের ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায়। এর আগে ১৪তম বৈঠক হয় ২০২২ সালের ২ ও ৩ মার্চ নয়াদিল্লিতে।

আগের বৈঠকগুলোয় স্থলবন্দর ও সমন্বিত সীমান্তচৌকির অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দরসংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সীমান্ত হাট চালু, রেলপথে পণ্য পরিবহন ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পণ্যের মানদণ্ড নির্ধারণে সমন্বয় ও পারস্পরিক স্বীকৃতি, বাংলাদেশ-ভারত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে যৌথ সমীক্ষা ও পেট্রাপোল-বেনাপোল চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ও আলোচনায় ছিল।