, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

নির্বাচিত জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা করার এখতিয়ার রাখেন না।

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পড়া হয়েছে
অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনেকেই এমফিল ছাত্রত্ব বাতিল ও ডাকসুর জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা নিয়ে আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছেন।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই অনৈতিক সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং দ্ব্যর্থহীন জানাচ্ছি-
২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জিএস পদে প্রার্থিতা এবং পরবর্তী ডাকসু পরিচালনা সম্পূর্ণ বৈধ, বিধিসম্মত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধিবিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছিল।
এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অনুষদের এখতিয়ারভুক্ত।
তৎকালীন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করে এমফিল ভর্তি প্রক্রিয়াসহ অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হবার প্রেক্ষিতেই আমার জিএস পদে মনোনয়ন ফর্ম বৈধ বলে ঘোষণা করেন। ডাকসু নির্বাচনে বা তৎপরবর্তীকালে কোনো প্রকার জালিয়াতি বা কারচুপির নিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কেউ কোন আইনের আশ্র‍য় নেয়নি এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও উত্থাপন করেনি।
কোন অভিযোগ-অসঙ্গতি পেলে মনোনয়ন বাতিল বা নির্বাচন পরবর্তীতে পদ বাতিলের এখতিয়ার ডাকসুর তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার। তাই, বর্তমান ধ্বজাধারী পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা করার এখতিয়ার রাখেন না।
আর ইতিপূর্বে আমি রাশেদকে হাফ জিএস অভিহিত করেছিলাম, এজন্য দু:খিত। এটা আসলে ‘পৌনে হাফ জিএস’ হবে, যেহেতু তার প্রাপ্য ভোট আমার অর্ধেকেরও কিছু কম! তিনি গতকাল তিনবার আলহামদুলিল্লাহ লিখে একটি পোস্টে দাবী করেছেন, আমি নাকি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘কারণ দর্শানো নোটিশের যথাযথ জবাব’ দিতে পারি নাই।
যদিও অসাংবিধানিক সরকারের নিয়োগকৃত অবৈধ প্রশাসনের প্রেরিত নোটিশের জবাব দেয়ার ইচ্ছে-আগ্রহ কোনটাই আমার ছিলো না, তথাপি এটাকেই অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো হবে ভেবে, যথাযথ সময়ে অফিসিয়াল ইমেইল ও ডাকযোগে প্রেরিত দুটি নোটিশের জবাব দিয়েছি।
(নোটিশ ও জবাব কমেন্টে সংযুক্ত করছি)
যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা চাওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আজীবন বহিষ্কার করতে পারে, তাঁর আইন বিভাগের অনুজ হিসেবে, বর্তমান দলদাস প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবৈধ সিদ্ধান্তকে আমি আশীর্বাদ হিসেবেই নিচ্ছি। যদিও- এই ‘এখতিয়ার বহির্ভূত’ অনৈতিক প্রহসনের সাথে সংশ্লিষ্টদের জন্য অনাগত আগামী অভিশাপ হয়েও আসতে পারে।

Shared post

Golam Rabbani
১ম নোটিশের জবাব (১ম অংশ)
তারিখ: ১১ জুলাই, ২০২৬
বরাবর
মাননীয় রেজিস্ট্রার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
বিষয়: ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব।
জনাব,
আপনার স্বাক্ষরিত ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের নোটিশের প্রেক্ষিতে যথাযথ সম্মানপূর্বক নিম্নরূপ বক্তব্য পেশ করছি,
1. যেহেতু, সর্বপ্রথম আমি দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই যে, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আমি সহ সমসাময়িক সকল শিক্ষার্থীর এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, যারা তৎকালীন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। অতএব, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত “ভর্তি জালিয়াতি” সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য ও প্রমাণবিহীন।
2. যেহেতু, আপনার নোটিশে কোথাও আমার ভর্তি আবেদনপত্র (Application Form), শিক্ষাগত যোগ্যতা, নথিপত্র অথবা ভর্তি প্রক্রিয়ার কোন নির্দিষ্ট অংশে কী ধরনের অসঙ্গতি বা জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে, তা সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আইন, অধ্যাদেশ, প্রবিধান, বিধিমালা বা ভর্তি নীতিমালার কোন ধারা আমি লঙ্ঘন করেছি, তাও সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কেবলমাত্র অস্পষ্ট ও সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ ন্যায়বিচারের (Principles of Natural Justice) পরিপন্থী।
3. যেহেতু, আমি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় (২০০৪ ও ২০০৬) জিপিএ-৫ অর্জন করি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে আইন বিভাগে ভর্তি হই। পরবর্তীতে যথাযথভাবে এলএলবি (দ্বিতীয় শ্রেণি) এবং এলএলএম (প্রথম শ্রেণি) সম্পন্ন করি। আমার সমগ্র শিক্ষাজীবনের অর্জন বিবেচনায় এমফিলে ভর্তির জন্য কোন প্রকার জালিয়াতি বা কারচুপির আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
4. যেহেতু, আমি ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধান, মরহুম অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান (স্যার)-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এমফিলে ভর্তি হই। তিনি নিজেই আমার গবেষণার বিষয় (Research Topic) অনুমোদন করেন এবং তিনিই গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক (Supervisor) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিভাগীয় সকল শর্ত পূরণ হয়েছে মর্মে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
5. যেহেতু, এমফিলে শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা যাচাই, গবেষণার উপযোগিতা নির্ধারণ এবং ভর্তির সুপারিশ করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের উপর ন্যস্ত। আমি কোন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিলাম না; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক প্রক্রিয়া অনুসরণকারী একজন আবেদনকারী মাত্র। অতএব, যদি প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী কোন প্রশাসনিক ত্রুটি থেকে থাকে, তবে তার দায় কোনভাবেই আমার উপর বর্তাতে পারে না।
Golam Rabbani’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

নির্বাচিত জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা করার এখতিয়ার রাখেন না।

প্রকাশের সময় : ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনেকেই এমফিল ছাত্রত্ব বাতিল ও ডাকসুর জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা নিয়ে আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছেন।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই অনৈতিক সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং দ্ব্যর্থহীন জানাচ্ছি-
২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জিএস পদে প্রার্থিতা এবং পরবর্তী ডাকসু পরিচালনা সম্পূর্ণ বৈধ, বিধিসম্মত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধিবিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছিল।
এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অনুষদের এখতিয়ারভুক্ত।
তৎকালীন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করে এমফিল ভর্তি প্রক্রিয়াসহ অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে পূরণ হবার প্রেক্ষিতেই আমার জিএস পদে মনোনয়ন ফর্ম বৈধ বলে ঘোষণা করেন। ডাকসু নির্বাচনে বা তৎপরবর্তীকালে কোনো প্রকার জালিয়াতি বা কারচুপির নিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কেউ কোন আইনের আশ্র‍য় নেয়নি এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও উত্থাপন করেনি।
কোন অভিযোগ-অসঙ্গতি পেলে মনোনয়ন বাতিল বা নির্বাচন পরবর্তীতে পদ বাতিলের এখতিয়ার ডাকসুর তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার। তাই, বর্তমান ধ্বজাধারী পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা করার এখতিয়ার রাখেন না।
আর ইতিপূর্বে আমি রাশেদকে হাফ জিএস অভিহিত করেছিলাম, এজন্য দু:খিত। এটা আসলে ‘পৌনে হাফ জিএস’ হবে, যেহেতু তার প্রাপ্য ভোট আমার অর্ধেকেরও কিছু কম! তিনি গতকাল তিনবার আলহামদুলিল্লাহ লিখে একটি পোস্টে দাবী করেছেন, আমি নাকি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘কারণ দর্শানো নোটিশের যথাযথ জবাব’ দিতে পারি নাই।
যদিও অসাংবিধানিক সরকারের নিয়োগকৃত অবৈধ প্রশাসনের প্রেরিত নোটিশের জবাব দেয়ার ইচ্ছে-আগ্রহ কোনটাই আমার ছিলো না, তথাপি এটাকেই অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো হবে ভেবে, যথাযথ সময়ে অফিসিয়াল ইমেইল ও ডাকযোগে প্রেরিত দুটি নোটিশের জবাব দিয়েছি।
(নোটিশ ও জবাব কমেন্টে সংযুক্ত করছি)
যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা চাওয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আজীবন বহিষ্কার করতে পারে, তাঁর আইন বিভাগের অনুজ হিসেবে, বর্তমান দলদাস প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবৈধ সিদ্ধান্তকে আমি আশীর্বাদ হিসেবেই নিচ্ছি। যদিও- এই ‘এখতিয়ার বহির্ভূত’ অনৈতিক প্রহসনের সাথে সংশ্লিষ্টদের জন্য অনাগত আগামী অভিশাপ হয়েও আসতে পারে।

Shared post

Golam Rabbani
১ম নোটিশের জবাব (১ম অংশ)
তারিখ: ১১ জুলাই, ২০২৬
বরাবর
মাননীয় রেজিস্ট্রার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
বিষয়: ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব।
জনাব,
আপনার স্বাক্ষরিত ৯ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখের নোটিশের প্রেক্ষিতে যথাযথ সম্মানপূর্বক নিম্নরূপ বক্তব্য পেশ করছি,
1. যেহেতু, সর্বপ্রথম আমি দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই যে, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আমি সহ সমসাময়িক সকল শিক্ষার্থীর এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, যারা তৎকালীন ডাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। অতএব, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত “ভর্তি জালিয়াতি” সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য ও প্রমাণবিহীন।
2. যেহেতু, আপনার নোটিশে কোথাও আমার ভর্তি আবেদনপত্র (Application Form), শিক্ষাগত যোগ্যতা, নথিপত্র অথবা ভর্তি প্রক্রিয়ার কোন নির্দিষ্ট অংশে কী ধরনের অসঙ্গতি বা জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে, তা সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আইন, অধ্যাদেশ, প্রবিধান, বিধিমালা বা ভর্তি নীতিমালার কোন ধারা আমি লঙ্ঘন করেছি, তাও সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কেবলমাত্র অস্পষ্ট ও সাধারণ অভিযোগের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ ন্যায়বিচারের (Principles of Natural Justice) পরিপন্থী।
3. যেহেতু, আমি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় (২০০৪ ও ২০০৬) জিপিএ-৫ অর্জন করি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে আইন বিভাগে ভর্তি হই। পরবর্তীতে যথাযথভাবে এলএলবি (দ্বিতীয় শ্রেণি) এবং এলএলএম (প্রথম শ্রেণি) সম্পন্ন করি। আমার সমগ্র শিক্ষাজীবনের অর্জন বিবেচনায় এমফিলে ভর্তির জন্য কোন প্রকার জালিয়াতি বা কারচুপির আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
4. যেহেতু, আমি ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধান, মরহুম অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান (স্যার)-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এমফিলে ভর্তি হই। তিনি নিজেই আমার গবেষণার বিষয় (Research Topic) অনুমোদন করেন এবং তিনিই গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক (Supervisor) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিভাগীয় সকল শর্ত পূরণ হয়েছে মর্মে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
5. যেহেতু, এমফিলে শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্যতা যাচাই, গবেষণার উপযোগিতা নির্ধারণ এবং ভর্তির সুপারিশ করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট বিভাগ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের উপর ন্যস্ত। আমি কোন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিলাম না; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক প্রক্রিয়া অনুসরণকারী একজন আবেদনকারী মাত্র। অতএব, যদি প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী কোন প্রশাসনিক ত্রুটি থেকে থাকে, তবে তার দায় কোনভাবেই আমার উপর বর্তাতে পারে না।
Golam Rabbani’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।