আন্তর্জাতিক খাদ্যনিরাপত্তার জন্য আজভ সাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। রাশিয়ার মোট শস্য রফতানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ইউক্রেনের হামলার পর গত সপ্তাহ থেকে আজভ সাগরে জাহাজ চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, যা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, জাহাজ চলাচলের এ নিষেধাজ্ঞা যদি দীর্ঘ সময় ধরে চলে, তবে বিশ্ববাজারে গম সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিতে পারে। ড্রোন হামলার জবাবে রাশিয়াও ইউক্রেনের প্রধান কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর ওডেসা, চোরনোমোর্স্ক ও ইজমাইলের অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। দুই পক্ষের এ পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে সরবরাহ সংকটের শঙ্কা আরো তীব্র হয়েছে।
গমের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও অন্য দুটি প্রধান খাদ্যশস্যের পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির মিডওয়েস্ট অঞ্চলের শস্য উৎপাদন বেল্টে তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও ভুট্টা ও সয়াবিনের সামগ্রিক অবস্থা আগের সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা উন্নত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৬৮ শতাংশ ভুট্টা ভালো বা চমৎকার অবস্থায় রয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬৭ শতাংশ। একইভাবে সয়াবিনের উন্নত অবস্থার হার ১ শতাংশ বেড়ে ৬৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফলে শিকাগো বোর্ডে সয়াবিনের দাম দশমিক ৬ শতাংশ কমে বুশেলপ্রতি ১১ ডলার ৮৭ সেন্টে নেমেছে এবং ভুট্টার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে বুশেলপ্রতি ৪ ডলার ৫৭ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।






















