বড় বড় দেশ বিভিন্ন সময়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায় বহু রাষ্ট্রও হিংসায় জড়াচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক অবস্থান একটা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে উঠেছে। সময়ের নিরিখে তাই মোদি-পেজাশকিয়ানের ছবি বেশ তাৎপর্যবাহী। বড় কূটনৈতিক বার্তা দিল নয়াদিল্লি। ইরান এমন এক সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে যা জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া পশ্চিমী বিশ্বের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে।
পুতিনের সঙ্গে পৃথক বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী মোদি একই সুর বজায় রাখেন। দুই নেতা প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ভারতের আহ্বান ফের একবার তুলে ধরেন।
নয়াদিল্লি বরাবরই বলে আসছে যে, তারা কেবল নিষ্ক্রিয়ভাবে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে, তারা পরস্পরবিরোধী ভূ-রাজনৈতিক বলয়ে জড়িয়ে পড়া থেকে নিজেদের বিরত রেখেছে এবং বিপরীত শিবিরে থাকা দেশগুলোর সঙ্গেও সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এই ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানই সম্মেলনের আয়োজনে ভারতের ভূমিকাকে প্রভাবিত করেছে, যেখানে সহযোগিতাকে অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল ছবি ভারতের এই দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরেছে যে, ভারত ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে রয়েছে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বিভক্ত বিশ্বে সংলাপ ও সহযোগিতার পথ খোলা রাখছে।
আজকাল ওয়েবডেস্ক






















