, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

রাষ্ট্রের সব গোপন তথ্য কীভাবে জুলাই আগস্টে বাইরে গেছে।

  • প্রকাশের সময় : ০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
  • ৫৪ পড়া হয়েছে

অঅলাইন শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

এএসপি মেহেদী ইসলাম ফুয়াদ। ৩৭ ব্যাচ এর পুলিশ ক্যাডার। এখন রূপগঞ্জ সার্কেলে আছে।
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রোটকল অফিসার ছিল সে। একজন আইজিপির প্রটোকল অফিসার থাকা মানে রাষ্ট্রের সব কনফিডেনসিয়াল বিষয়ে সে অবগত ছিল!
এবার বুঝেন রাষ্ট্রের সব গোপন তথ্য কীভাবে জুলাই আগস্টে বাইরে গেছে।
এই কর্মকর্তা পুলিশে জয়েন করার আগে NSI এর চাকরি করেছে। ছাত্রজীবনে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।
তার স্ত্রী লাক্স ফটোসুন্দরী,তারই ব্যাচমেট এডমিন ক্যাডার।
আওয়ামী লীগ আমলে তার স্ত্রী ঢাকা জেলা ডিসি অফিসে কর্মরত ছিলো,যেখানে একজন ছাত্রলীগ করা এডমিন ক্যাডারের কাছে ঢাকা জেলার ডিসি অফিস অলীক কল্পনা ছিলো।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে শুধু রাস্তায় আন্দোলন, জনবিক্ষোভ কিংবা রাজনৈতিক সংঘাত দিয়ে ব্যাখ্যা করলে পুরো চিত্রটি পাওয়া যায় না। একটি রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে রাজপথের পাশাপাশি আমলাতন্ত্র, প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা কাঠামো এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হলো প্রশাসনের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু প্রশাসনের ভেতরে যদি সরকারের প্রতি রাজনৈতিক আনুগত্য দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে কাগজে-কলমে সরকার ক্ষমতায় থাকলেও বাস্তবে তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সক্ষমতা কমতে শুরু করে।
এখানে প্রশ্ন হতে পারে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তরে সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে দায়বদ্ধ কর্মকর্তার সংখ্যা কতটা ছিল? নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তারা কতটা সক্রিয় ছিলেন? সংকটের মুহূর্তে তারা সরকারের নির্দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, নাকি পরিস্থিতি বুঝে অপেক্ষার নীতি নিয়েছেন?
৫ আগস্ট এর আগে প্রশাসনিক কাঠামোর এই নীরব নিষ্ক্রিয়তা বা সিদ্ধান্তহীনতা অনেক সময় দৃশ্যমান রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৫ আগস্টের ঘটনাকে বুঝতে হলে শুধু কে রাস্তায় ছিল তা নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কমান্ড চেইন কখন এবং কীভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল এই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ!
এরকম হবে না কেন! হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। নেতা এমপি মন্ত্রী টাকা খেয়ে নিজ দলের নেতা কর্মী সমর্থকদের বড় বড় পোস্টে নিয়োগ দেন নাই! যে টাকা দিয়েছে সে অন্য দলের নেতাকর্মী হোক টাকা পেয়েছে তাকেই চাকরি দিয়েছে। তাইতো ওরাই সুই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরিয়ে ৫ই আগষ্ট ২০২৪ ঘটিয়েছে। সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা এমপি মন্ত্রী এভাবেই টাকা খেয়ে অন্য দলের লোকদের চাকরি দিয়েছে। কারণ নিজ দলের লোকের কাছে তো টাকা খেতে পারে না, টাকা চাইতে পারে না, কিংবা প্রার্থীও দিতে চায় না, তাই যেখানে টাকা পেয়েছে, সে নিজ দলের না হলেও তাকে চাকরি দিয়েছে। নিজের পকেট ভরেছে। আজ দেশের বারোটা বাজিয়েছে, দলের বারোটা বাজিয়েছি।

Md Jane Alom’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

রাষ্ট্রের সব গোপন তথ্য কীভাবে জুলাই আগস্টে বাইরে গেছে।

প্রকাশের সময় : ০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

অঅলাইন শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

এএসপি মেহেদী ইসলাম ফুয়াদ। ৩৭ ব্যাচ এর পুলিশ ক্যাডার। এখন রূপগঞ্জ সার্কেলে আছে।
সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রোটকল অফিসার ছিল সে। একজন আইজিপির প্রটোকল অফিসার থাকা মানে রাষ্ট্রের সব কনফিডেনসিয়াল বিষয়ে সে অবগত ছিল!
এবার বুঝেন রাষ্ট্রের সব গোপন তথ্য কীভাবে জুলাই আগস্টে বাইরে গেছে।
এই কর্মকর্তা পুলিশে জয়েন করার আগে NSI এর চাকরি করেছে। ছাত্রজীবনে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।
তার স্ত্রী লাক্স ফটোসুন্দরী,তারই ব্যাচমেট এডমিন ক্যাডার।
আওয়ামী লীগ আমলে তার স্ত্রী ঢাকা জেলা ডিসি অফিসে কর্মরত ছিলো,যেখানে একজন ছাত্রলীগ করা এডমিন ক্যাডারের কাছে ঢাকা জেলার ডিসি অফিস অলীক কল্পনা ছিলো।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে শুধু রাস্তায় আন্দোলন, জনবিক্ষোভ কিংবা রাজনৈতিক সংঘাত দিয়ে ব্যাখ্যা করলে পুরো চিত্রটি পাওয়া যায় না। একটি রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে রাজপথের পাশাপাশি আমলাতন্ত্র, প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা কাঠামো এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হলো প্রশাসনের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু প্রশাসনের ভেতরে যদি সরকারের প্রতি রাজনৈতিক আনুগত্য দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে কাগজে-কলমে সরকার ক্ষমতায় থাকলেও বাস্তবে তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সক্ষমতা কমতে শুরু করে।
এখানে প্রশ্ন হতে পারে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তরে সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে দায়বদ্ধ কর্মকর্তার সংখ্যা কতটা ছিল? নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তারা কতটা সক্রিয় ছিলেন? সংকটের মুহূর্তে তারা সরকারের নির্দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, নাকি পরিস্থিতি বুঝে অপেক্ষার নীতি নিয়েছেন?
৫ আগস্ট এর আগে প্রশাসনিক কাঠামোর এই নীরব নিষ্ক্রিয়তা বা সিদ্ধান্তহীনতা অনেক সময় দৃশ্যমান রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৫ আগস্টের ঘটনাকে বুঝতে হলে শুধু কে রাস্তায় ছিল তা নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কমান্ড চেইন কখন এবং কীভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল এই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ!
এরকম হবে না কেন! হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। নেতা এমপি মন্ত্রী টাকা খেয়ে নিজ দলের নেতা কর্মী সমর্থকদের বড় বড় পোস্টে নিয়োগ দেন নাই! যে টাকা দিয়েছে সে অন্য দলের নেতাকর্মী হোক টাকা পেয়েছে তাকেই চাকরি দিয়েছে। তাইতো ওরাই সুই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরিয়ে ৫ই আগষ্ট ২০২৪ ঘটিয়েছে। সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা এমপি মন্ত্রী এভাবেই টাকা খেয়ে অন্য দলের লোকদের চাকরি দিয়েছে। কারণ নিজ দলের লোকের কাছে তো টাকা খেতে পারে না, টাকা চাইতে পারে না, কিংবা প্রার্থীও দিতে চায় না, তাই যেখানে টাকা পেয়েছে, সে নিজ দলের না হলেও তাকে চাকরি দিয়েছে। নিজের পকেট ভরেছে। আজ দেশের বারোটা বাজিয়েছে, দলের বারোটা বাজিয়েছি।

Md Jane Alom’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।